বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:৪৬ পি.এম
আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেছেন, দেশের প্রতি প্রেম ও责任বোধ থেকে সাহসিকতার সঙ্গে আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায়, রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় তিনি ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, রাজধানীতে দেশী এবং বিদেশী কূটনীতিকসহ সব স্তরের মানুষ বসবাস করেন। তাই, রাজধানীর আইন ও শৃঙ্খলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাটা পুরো দেশের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
মাঠপর্যায়ের কাজকে গতিশীল করতে সিনিয়র অফিসারদের সরাসরি মনিটরিং বাড়ানোর পাশাপাশি সঠিক তদারকি থাকলে নিচের স্তরের পুলিশ সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করতে উৎসাহী হয়।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে দেশের স্বার্থে এবং জনগণের শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। তবে, ইচ্ছাকৃত ভুল বা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করলে তার দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না। সেই পরিস্থিতিতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা এবং পেশাদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে আইজিপি বলেন, দল-মত নির্বিশেষে পুলিশের একটাই পরিচয়, আমরা আইন ও জনগণের সেবক। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখা হবে। বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী অপরাধের চেয়ে সাইবার ক্রাইম, গুজব এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও ‘মিস ইনফরমেশন’ মোকাবিলা করা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, বিপিএম-সেবা, অতিরিক্তি আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপএমসহ বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : নজরুলবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে জেলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম এবং কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ এই বৃহস্পতিবার বিকেলে নববিধান উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে একটি আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ নাটোর জেলা শাখার সভাপতি শিবেন্দ্র নাথ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন শিক্ষাবিদ প্রফেসর সুবিধ কুমার মৈত্র, অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক, প্রধান শিক্ষক বিমান গোবিন্দ সরকার, রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের সহ-সভাপতি এ্যাড. খগেন্দ্র নাথ রায়, ভিক্টোরিয়া পাবলিক লাইব্রেরির সভাপতি মো. আলতাফ হোসেন, এবং নাটোর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফারাজী আহম্মদ রফিক বাবন।
অনুষ্ঠানে স্কুলের শিক্ষার্থীবৃন্দ একক এবং দলীয়ভাবে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও সঙ্গীত পরিবেশন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির কাজের গতিশীলতা আনতে পুলিশের মাঠ পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরাসরি মনিটরিং বৃদ্ধির নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, রাজধানীতে দেশী-বিদেশি কূটনীতিকসহ নানা পর্যায়ের মানুষ বসবাস করে; সুতরাং রাজধানীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা পুরো দেশের স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর দেড়টার সময় রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক একটি বিশেষ মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন আইজিপি। তিনি আরও বলেছেন, সিনিয়র অফিসারদের সরাসরি মনিটরিং বৃদ্ধির পাশাপাশি সঠিকভাবে তদারকি করা হলে নিচের স্তরের পুলিশ সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করার জন্য উৎসাহিত হয়।
পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে দেশের স্বার্থে এবং জনগণের শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন। তবে যারা ইচ্ছাকৃত ভুল বা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করবেন, তাদের দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না।’
আইজিপি নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “দল-মত নির্বিশেষে পুলিশের পরিচয় একটাই—‘আমরা আইন ও জনগণের সেবক’। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে। বর্তমানে ঐতিহ্যগত অপরাধের চেয়ে সাইবার ক্রাইম, গুজব এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও ‘মিস ইনফরমেশন’ মোকাবেলা করা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।"
আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক এই বিশেষ মতবিনিময় সভায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলামসহ বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রমিকদের আইনগত পাওনা পরিশোধ না করে বিপুল মুনাফা ও নগদ লভ্যাংশ বিতরণ, পাশাপাশি বিচারাধীন মামলার মধ্যে অর্থ-সম্পদ ভারতে স্থানান্তরের আশঙ্কার অভিযোগ তুলে ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)-এর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে শ্রম আদালতে আবেদন করেছেন সাবেক শ্রমিকরা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার ১ম শ্রম আদালতে বিএলএ মামলা নং ৮৬৫/২০২৫-এ এই আবেদনটি করা হয়। আবেদনকারীদের দাবি, মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদালতের অনুমতি ছাড়া কোম্পানির এমডির বাংলাদেশ ত্যাগে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হোক।
সাবেক শ্রমিকদের অভিযোগ, ২০০৬ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের শ্রমিক মুনাফা অংশগ্রহণ তহবিল (WPPF) ও শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের আইনগত পাওনা থেকে তারা দীর্ঘ সময় ধরে বঞ্চিত হয়ে আসছেন, যা প্রায় ১৮ বছর।
পাওনা আদায়ের দাবিতে প্রথমে ১৯ জন শ্রমিক ২০১৪ সালে শ্রম আদালতে মামলা নং ৬৯১/২০১৪ দায়ের করেন। এরপর উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন নং ৫৭৬/২০১৮ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ওই মামলার বিচারিক কার্যক্রম দীর্ঘ সময় ধরে বাধাগ্রস্ত হয়। এরপর প্রতিকারের উদ্দেশ্যে ৯৪ জন সাবেক শ্রমিক ২০২৫ সালে বিএলএ মামলা নং ৮৬৫/২০২৫ দায়ের করেন।
আবেদনকারীদের দাবি, একটি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্মের স্বতন্ত্র নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত ৯৪ জন সাবেক শ্রমিকের মোট পাওনা প্রায় ১ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। তারা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন শ্রমিকদের আইনগত পাওনা অনাদায়ী থাকলেও একই সঙ্গে কোম্পানি বিপুল পরিমাণ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা ও বিতরণ করেছে।
শ্রমিকদের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২০০ শতাংশ, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৮৪০ শতাংশ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২ হাজার ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।
সাবেক শ্রমিকদের আশঙ্কা, বিপুল নগদ লভ্যাংশ বিতরণ এবং ভারতে অর্থ স্থানান্তরের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আদালতের রায় তাদের পক্ষে গেলেও পাওনা আদায় জটিল হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে কোম্পানির বর্তমান এমডি একজন ভারতীয় নাগরিক এবং নিয়মিত বিদেশ সফর করেন—এমন তথ্য উল্লেখ করে বিষয়টি আদালতের বিবেচনায় নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
তবে আবেদনকারীরা উল্লেখ করেন যে, তারা কারো স্বাভাবিক চলাচলের অধিকারে অযাচিত হস্তক্ষেপ করতে চান না। দীর্ঘদিনের শ্রমিক পাওনা সংক্রান্ত বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির স্বার্থে এবং সম্ভাব্য রায় কার্যকর রাখার জন্য তারা সাময়িক সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা চেয়েছেন।
‘এক্স-ম্যারিকোনিয়ান অ্যাসোসিয়েশন’-এর সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, “আমরা কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনো অন্যায্য সুবিধা চাই না; আমাদের পাওনা পরিশোধ এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের ন্যায়সঙ্গত নিষ্পত্তি চাই।”
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের পাওনা বছরের পর বছর অনাদায়ী রেখে বিপুল লভ্যাংশ বিতরণের বিষয়টি আদালতের যথাযথ পর্যালোচনা ও জবাবদিহির আওতায় আসা প্রয়োজন হবে। সাবেক শ্রমিকদের ভাষ্যে, এটি শুধু অর্থনৈতিক পাওনা আদায়ের বিষয় নয়; বরং শ্রমিকের আইনগত অধিকার, করপোরেট জবাবদিহি এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রশ্ন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসল উদ্দেশ্য দেশের সম্পদশালী করা।
তিনি বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীতে নদীতে দূষণ নিয়ন্ত্রণে শিল্প মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই বিষয়টি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, দেশের জন্য সম্পদ সৃষ্টি এবং দ্বিতীয়ত, ভালো পরিবেশ সৃষ্টি। যারা দায়িত্ব পালন করেন তারা এবং যারা সম্পদ সৃষ্টি করেন, তাদের মধ্যে যদি সমন্বয় না থাকে, তবে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। সম্পদ সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ে নানা সমস্যা দেখা দেয়, পরিবেশ দূষণ ঘটে, দুর্নীতি ঘটে এবং বৈষম্যও সৃষ্টি হয়।’
তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমরা বিশেষ করে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদ সম্পর্কে আলোচনা করছি। দুই নদীই একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। যারা পানি দূষিত করছেন, তাদের অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। ইতোমধ্যে বিজিএমইসহ চামড়া প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা চলছে।’
আবদুল আওয়াল মিন্টু আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের সম্পদশালী করা এবং তেমন এক পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে সমাজ ও জীবনের গুণগতমান উন্নয়ন ঘটে। যাতে শুধু আমাদের দেশবাসীই নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মসমেত সবাই এই উন্নয়ন ভোগ করতে পারে।’
তিনি উল্লেখ করেন, যদি সবার সম্পৃক্ততা অর্জন করা না যায় তবে তা টেকসই হবে না।
‘আমরা যেন দূষণমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হই। বিশ্ব ইনডেক্সে বাংলাদেশ শব্দ, বায়ু ও পানি দূষণে শীর্ষে রয়েছে। এটি আমাদের জন্য সুখকর হতে পারে না। আমাদের আগামী প্রজন্মের কথা চিন্তা করে পরিবেশ উন্নত করতে হবে।’
দূষণ কমানোর জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আগামীতে একে অপরের সঙ্গে একভাবে কাজ করব যাতে সব ধরনের দূষণ কমানো যায়। একদিনে আমরা সব কিছু ঠিক করতে পারব না, তবে যদি ১০ শতাংশও ঠিক করতে পারি, তবে সেটাই আমাদের সফলতা।’
তিনি বলেন, ‘যাদের ইটিপি নেই তারা যেন ইটিপি স্থাপন করে। আর যাদের ইটিপি রয়েছে, দয়া করে সেটি চালু রাখার চেষ্টা করবেন। ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনে যারা আছেন তাদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি- আপনাদের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে ইটিপি স্থাপনের কথা বলবেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ