ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির


কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা একটি নতুন রূপ নিয়েছে।

মার্কিন হামলার কড়া জবাব দিতে এবার কুয়েত ও ওমানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাসমূহে বড় ধরনের হামলার দাবি করেছে ইরান। অন্যদিকে, নিজেদের আকাশসীমায় ইরানের ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র জর্ডান ধবংস করেছে।

এদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা কুয়েতে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সফল হামলা চালিয়েছে। মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা যায়, এই হামলায় একটি মিসাইল ডিফেন্স রাডার, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রাগার এবং দুটি ‘হিমারস’ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

আরও পড়ুন: ড. ইউনূস পরিদর্শন করলেন নেলসন ম্যান্ডেলাকে বন্দি রাখা কারাগার

আইআরজিসি টিকা বলেছে, এটি সম্প্রতি ইরানের বেসামরিক স্থাপনায়—বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ ও রেলওয়ে নেটওয়ার্কে—মার্কিন হামলার সরাসরি প্রতিশোধ। তাদের দাবি, ওই অঞ্চলে মার্কিন কর্মকাণ্ডের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল-গ্যাস উৎপাদন ও রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এই কারণে তাদের এই ধরনের প্রতিশোধমূলক হামলা অব্যাহত রাখার সংকল্প চূড়ান্ত হয়েছে।

কুয়েতের ঘটনার পরপরই, ওমানেও জোড়া মার্কিন রাডার ধ্বংসের দাবি করেছে তারা। আইআরজিসি জানায়, ওমানের ঘানেম অঞ্চলে একটি মার্কিন এয়ার কন্ট্রোল রাডার এবং হরমুজ প্রণালিতে একটি মেরিটাইম কন্ট্রোল রাডার ধ্বংস করা হয়েছে। এটিকে ১৩তম হামলা উল্লেখ করে ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এখনও আইআরজিসি নৌবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এদিকে, এই সংঘাতের উত্তাপ জর্ডানে অনুভূত হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। জর্ডানের রয়্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পস দল দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে ফেলে। ফলে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

আরও পড়ুন: গভর্নর নিউসমের ক্ষমতা ছাড়ার আগে ৫৪৮ বন্দির মৃত্যুদণ্ড বাতিল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন হামলায় ইরানের বিমানবন্দর, সেতু ও রেলস্টেশনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


মার্কিন হামলায় ইরানের বিমানবন্দর, সেতু ও রেলস্টেশনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

যুক্তরাষ্ট্রের রাতভর চালানো হামলায় ইরানের একটি বিমানবন্দর, একটি রেলস্টেশন এবং দু’টি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ হামলায় তিনজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে শুক্রবার জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

মধ্যপ্রাচ্যের নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধ গুরুত্ব পাচ্ছে এবং এটি হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে হচ্ছে।

খবর অনুযায়ী, বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে যে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, হরমোজগান প্রদেশে দু’টি সেতুর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় তিনজন নিহত ও নয়জন আহত হন। এই নতুন তথ্য আগে দেওয়া হতাহতের সংখ্যার তুলনায় ভিন্ন।

আইআরআইবি টেলিগ্রামের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, ‘দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিমানবন্দরের আশপাশে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং অন্তত একটি মার্কিন হামলাকারী ক্ষেপণাস্ত্র ইরানশহর বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছে।’

উল্লেখযোগ্য, বার্তা সংস্থা মেহর টেলিগ্রামে জানাচ্ছে, ‘কয়েক মিনিট আগে বন্দর আব্বাস রেলওয়ে জংশন স্টেশনে মার্কিন হামলা হয়েছে। এ হামলায় দুই ইরানি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।’

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলি আরও জানাচ্ছে যে, পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দরনগরী বুশেহরে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি হামলায় একজন আহত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুশ হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২ জন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪১ পি.এম


রুশ হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২ জন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

 ইউক্রেনের কৃষ্ণসাগরের বন্দরনগরী ওডেসায় রাশিয়ার হামলায় একটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাশিয়ার চালোনো ওই হামলায় দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে শুক্রবার জানিয়েছেন ইউক্রেনের ওই শহরের উপ মেয়র ওলেক্সান্দর ফিলাতভ।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শহরের উপ মেয়র ওলেক্সান্দর ফিলাতভ হতাহতের বিষয়টি এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

অন্যান্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাশিয়ার ওই হামলায় দুই শিশুসহ আটজন আহত হয়েছেন।

তারা জানান, সর্বশেষ হামলায় আবাসিক ভবন, একটি ধর্মীয় স্থাপনা, একটি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়, যানবাহন এবং অন্যান্য বেসামরিক অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের চার বছরের বেশি সময় পর গত কয়েক মাস ধরে উভয় পক্ষের হামলা আরও তীব্র হয়েছে।

এতে বেসামরিক মানুষের হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ২০২২ সালের এপ্রিলের পর ইউক্রেনে বেসামরিক মানুষের জন্য জুন ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের ‘করিডর-হেজিং’: কৌশলগত পদক্ষেপ নাকি ভবিষ্যৎ ভূরাজনৈতিক সংঘাতের ইঙ্গিত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪২ পি.এম


চীনের ‘করিডর-হেজিং’: কৌশলগত পদক্ষেপ নাকি ভবিষ্যৎ ভূরাজনৈতিক সংঘাতের ইঙ্গিত?

মালাক্কা প্রণালীকে উপেক্ষা করে নতুন বাণিজ্য মানচিত্র আঁকতে শুরু করেছে চীন। একক একটি নৌপথের ওপর নির্ভরতা হ্রাস করার লক্ষ্যে বেইজিং একের পর এক অর্থনৈতিক করিডর, বন্দর, রেলপথ এবং পাইপলাইনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধু একটি বাণিজ্য কৌশল, নাকি ভবিষ্যতের ভূরাজনৈতিক সংঘাতের জন্য প্রস্তুতির লক্ষণ?

বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত নৌপথ হচ্ছে মালাক্কা প্রণালী। মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকা থেকে পূর্ব এশিয়ায় যাওয়া বিপুল পরিমাণ তেল, গ্যাস এবং পণ্য এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করে। চীনের আমদানি করা জ্বালানির একটি বড় অংশও এই পথের উপর নির্ভরশীল।

কিন্তু সংকীর্ণ এই জলপথে যুদ্ধ, অবরোধ অথবা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিলে, এর ফলে চীনের শিল্প উৎপাদন, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং রফতানিতেও বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই আশঙ্কাকে বেইজিং বহু বছর ধরে ‘মালাক্কা ডিলেমা’ হিসাবে বিবেচনা করে আসছে।

এই সমস্ত ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকতে চীনের নতুন কৌশল ‘করিডর-হেজিং’। এর মানে হচ্ছে, সমুদ্রপথের পাশাপাশি একাধিক বিকল্প সংযোগ গড়ে তোলা, যাতে একটি পথ বন্ধ হলেও পুরো সরবরাহ ব্যবস্থা থেমে না যায়। মিয়ানমারের কিয়াউকফিউ বন্দর থেকে ইউনান পর্যন্ত তেল-গ্যাস পাইপলাইন, পাকিস্তানের গওয়াদর বন্দর থেকে শিনজিয়াং পর্যন্ত চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর এবং মধ্য এশিয়া হয়ে ইউরোপে রেল সংযোগ—সবই এই কৌশলের অন্তর্ভুক্ত।

যেমন বিনিয়োগকারী ঝুঁকি কমাতে সব অর্থ একটি জায়গায় রাখেন না, তেমনই চীনও এখন সব বাণিজ্য এবং জ্বালানি একটিমাত্র পথে নির্ভরশীল রাখতে চাইছে না।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনকে বেশি মানুষ পছন্দ করে: জরিপ

তবে বিষয়টি কেবল অর্থনীতির সঙ্গে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভূরাজনীতিও। তাইওয়ানকে ঘিরে উত্তেজনা, দক্ষিণ চীন সাগরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ভারত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের শক্তিশালী নৌ উপস্থিতি—সব কিছু মিলিয়ে বেইজিং এমন একটি সরবরাহ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চাইছে, যা সংকটের সময়েও সচল থাকবে। গত এক দশকে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় বন্দরের, রেলপথের, সড়কের এবং জ্বালানি অবকাঠামোর নির্মাণে শত শত বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে চীন।

এই কৌশলের মাধ্যমে লাভবান হতে পারে পাকিস্তান, মিয়ানমার, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ। এর ফলে ভারত মহাসাগর এবং ইউরেশিয়ায় চীনের অর্থনৈতিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে। অন্যদিকে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং মালাক্কাকেন্দ্রিক কৌশলগত বাস্তবতাও নতুন করে মূল্যায়নের মুখোমুখি হবে।

প্রশ্নটি হলো, এই নতুন কৌশলে বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়? বিশ্লেষকরা বলছেন, বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে চীনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় বাংলাদেশের গুরুত্বও বাড়ছে। এক সময় ভারতকে নিয়ে প্রস্তাবিত বিসিআইএম করিডর রাজনৈতিক কারণে থমকে গেলেও, এখন বেইজিং বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডরের ধারণা সামনে নিয়ে আসছে। এর লক্ষ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনকে দ্রুত বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সরবরাহ নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএসইতে ঊর্ধ্বমুখী বাজার, দাম বাড়ায় নেতৃত্বে ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


ডিএসইতে ঊর্ধ্বমুখী বাজার, দাম বাড়ায় নেতৃত্বে ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ার

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, যা বাজারের জন্য ইতিবাচক। গত সপ্তাহেও প্রধান সূচক ও বাজার মূলধনের বৃদ্ধি অব্যাহত ছিল। তবে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক বিষয় হলো; দাম বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় অবশেষে ‘এ’ ক্যাটাগরির প্রাধান্য বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের পুঁজি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেই শঙ্কা প্রকাশ করে বাজার বিশ্লেষকরা নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরও তৎপর হওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন।

ডিএসইতে দৈনিক লেনদেনের চাঙ্গাভাব এখনো বজায় রয়েছে। গত সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই লেনদেন ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। এর আগে এর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছিল ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট, যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১০ কোটি টাকা।

প্রধান সূচক বৃদ্ধির এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসই-এক্স প্রায় ১০০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯০০ পয়েন্টে গিয়ে ঠেকেছে। ২০২৪ সালের ১৫ আগস্টের পর এটিই সর্বোচ্চ সূচক। সূচক এবং দৈনিক লেনদেনে এই চাঙ্গাভাবের কারণে গত সপ্তাহে বাজার মূলধন বেড়েছে ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা। ২১টি খাতের মধ্যে ১৫টি খাতেই দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে। তবে ১৬টি খাতের দৈনিক গড় লেনদেন এখনও ১০০ কোটি টাকার নিচে রয়েছে।

গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বীমা খাতে, যার পরিমাণ দৈনিক গড়ে ১৯৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এরপর বস্ত্রখাতে ১৯৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, ফার্মাসিউটিক্যালস ও কেমিক্যাল খাতে ১৫৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, প্রকৌশল খাতে ১৩৪ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং ব্যাংক খাতে ১২৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

পুঁজিবাজারের এই পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আল-আমিন বলেছেন, ‘আমাদের নন-লাইফ বীমা শেয়ারগুলো বেড়ানোর অন্যতম কারণ হচ্ছে, মার্জিন ঋণ শিথিল করবে; এমন একটি গুঞ্জন বা আলোচনা দেখা দিয়েছে। এছাড়া ৩২টি কোম্পানির একটি তালিকা রয়েছে, যেগুলো উৎপাদনে নেই, এবং যেগুলোর দাম বিভিন্ন গুজবের ওপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়ছে। তবে প্রকৃত সত্য সামনে আসলে, তখন এই দাম ধরে রাখার সুযোগ থাকবে কি না, সেটিই প্রশ্ন। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই কোন দামে শেয়ার কিনবেন এবং কতটুকু বিশ্বাস করবেন, তা বিনিয়োগকারীদেরকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে; কারণ কেউ কাউকে জোর করে শেয়ার কেনাচ্ছে না।’

এদিকে, সপ্তাহজুড়ে দাম বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় ভালো মানের প্রতিষ্ঠানগুলো আধিপত্য দেখিয়েছে। এতে ‘এ’ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠান ৭টি, ‘বি’ ক্যাটাগরির ২টি এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির ১টি কোম্পানি রয়েছে। অন্যদিকে, দাম কমার শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল বা ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো আধিপত্য দেখিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%