০৯:১৩ এম
কঙ্গোতে ইবোলা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৭৫ জনে। সরকারি তথ্যে জানা গেছে, এর মধ্যে ১৩৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা শনিবার (২৫ জুলাই) প্রকাশিত হয়েছে।
আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র (আফ্রিকা সিডিসি) জানিয়েছে যে, বর্তমানে এই প্রাদুর্ভাবটি মহাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ইবোলা প্রাদুর্ভাব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যমতে, বেশ কিছু সপ্তাহ ধরে কর্তৃপক্ষের নজরদারির আড়ালে রোগটি ছড়িয়ে পড়া শুরু করে, এরপর গত ১৫ মে কঙ্গো সরকার নতুন করে এই প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা দেয়। চিকিৎসকদের মতে, এই সংক্রমণটি বিরল ‘বান্ডিবুগিও’ ভাইরাসের কারণে ঘটেছে, যা কোনো অনুমোদিত টিকা বা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।
ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এবং প্রতিষেধক খোঁজার লক্ষ্যে গবেষকদের বহু প্রতীক্ষিত একটি গবেষণার পর, চিকিৎসার জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ) শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: হারুনুর রশীদ আজাদ: দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে
কিন্তু কঙ্গোতে ইবোলা নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একদিকে তহবিলের তীব্র ঘাটতি তো অন্যদিকে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় সংঘাতময় এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর দ্বারা বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যকর্মীরা সেখানে সম্পূর্ণরূপে কাজ করতে পারছেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন