০৮:৫৩ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের উত্তেজনা চলাকালীন সময়ে, সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং তুরস্ক একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। শুক্রবার মক্কায় সই হওয়া চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিন দেশের মধ্যে যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে সেটিকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এই তথ্য আল জাজিরার প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের পার্লামেন্টের একজন আইনপ্রণেতা এর সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই চুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখবে না। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে দেশটিকে নিজেদের নীতিতে পরিবর্তন আনতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের সদস্য ইব্রাহিম রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় বলেছেন, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের সঙ্গে করা এ ধরনের ‘কাগুজে চুক্তি’ সৌদি আরবকে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হবে না। তার ভাষ্য হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বছরের পর বছর একপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রেখেও সৌদি নিরাপত্তা পায়নি, নতুন এই চুক্তিও সেই নিশ্চয়তা দিতে পারবে না।
আরও পড়ুন: পোল্যান্ডের ক্রাকোভে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ২, আহত ১০
রেজাই সৌদি আরবকে নিজেদের নীতিতে সংস্কার আনার পরামর্শ দিয়েছেন এবং বলেছিলেন, এমন নীতি গ্রহণ করা উচিত যাতে অন্য দেশের কাছে নিরাপত্তা চাইতে না হয়।
মৌলিকভাবে, ইরান সরকার এখনও পর্যন্ত ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
অপরদিকে, চুক্তিটির বিষয়ে তুরস্কের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এর মূল উদ্দেশ্য আত্মরক্ষা এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে করা হয়নি। পাশাপাশি, এই চুক্তির কারণে বিদ্যমান কোনো দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক চুক্তি বাতিল হবে না অথবা তার জায়গা এটি নেবে না।
সূত্র : আল জাজিরা।
আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল রপ্তানি বন্ধ, ইরাকের ৬ হাজার কোটি ডলারের ক্ষতি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন