০৫:১৮ এম
জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) থাকা কোটি কোটি নাগরিকের তথ্য চুরির ঘটনায়, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলসহ (বিসিসি) বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইসিতে নিবন্ধিত নাগরিকদের তথ্য চুরির ঘটনায় উল্লিখিত চিঠিটি গতকাল বৃহস্পতিবার পাঠানো হয়েছে। দুদক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বর্তমানে দেশে ১২ কোটির বেশি নাগরিকের মধ্যে অন্তত ১১ কোটির তথ্য চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনী কমিশনে (ইসি) অধীনে দেশের ভোটার হওয়া নাগরিকদের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে।
সূত্রমতে, ২০২২ সালের অক্টোবরে নাগরিক তথ্য সুরক্ষায় নির্বাচন কমিশন ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, কোনো নাগরিকের তথ্য অন্য পক্ষের কাছে বিনিময় বা বিক্রি করা হলো সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ছিল।
আরও পড়ুন: অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
দুদকে জমা দেওয়া অভিযোগ অনুসারে, ১১ কোটি নাগরিকের তথ্যের একটি মিরর কপি বিসিসিকে প্রদান করা হয়েছিল। তবে, সেই চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে ডিজিকন গ্লোবাল সার্ভিস লিমিটেড নাগরিকদের ৪৬ ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য দেশ-বিদেশের ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।
এদিকে, এই অবৈধ তথ্য বিক্রির রহস্য উদঘাটন করতে নথিপত্র চেয়ে বিসিসি, নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়েছে দুদক। তথ্য চুরির এই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের অক্টোবরে কাফরুল থানায় একটি মামলা হয়েছিল।
এছাড়া, আওয়ামী সরকারের আমলে ভোটার তথ্যভান্ডারটি ইসি থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এজন্য আইন সংশোধন করা হয়েছিল। কিন্তু জুলাই বিপ্লবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারালে এটি আর বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
দুদক জানিয়েছে, এই ঘটনায় শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলকের সংশ্লিষ্টতার যোগসূত্র রয়েছে।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে : তারেক রহমান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন