ঢাকা সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাশিয়াকে ৩০ হাজার সেনা সহায়তা দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কির দাবি


রাশিয়াকে ৩০ হাজার সেনা সহায়তা দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কির দাবি

রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে সুবিধা পেতে সদ্য উত্তর কোরিয়া থেকে ৩০ হাজার নতুন সৈন্য আনার পরিকল্পনা করছে। এই দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, যিনি শনিবার (২৫ জুলাই) একটি ভিডিও বার্তায় এটি উল্লেখ করেছেন।

জেলেনস্কি জানান, নতুন সেনাদের জন্য মস্কো ইতোমধ্যে প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছে। এই সেনাদলকে অভ্যর্থনা ও আশ্রয় দেওয়ার জন্য তারা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন যে, ২০২৪ সালে মস্কো এবং পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রথম দফায় উত্তর কোরিয়া প্রায় ১৪ হাজার সৈন্য রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে পাঠিয়েছিল।

এবার ক্রেমলিন আরও ৩০ হাজার সৈন্য আনার পরিকল্পনা করেছে। জেলেনস্কির দাবি অনুযায়ী, নতুন আসা সৈন্যদের গ্রহণ করার জন্য রাশিয়ার ভোরোনেঝ অঞ্চলে চলতি বছরের জুন মাস থেকেই প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী

সৈন্য পাঠানোর পাশাপাশি, উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক (লঞ্চার) সরবরাহ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তা জানান জেলেনস্কি।

তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তর কোরিয়ার এই অংশগ্রহণ ইউক্রেনের জন্যই নয়, বরং সমগ্র এশিয়ার জন্য একটি বড় হুমকি। যুদ্ধের ময়দানে উত্তর কোরিয়া বাস্তব যুদ্ধের অভিজ্ঞতা অর্জন করছে এবং তাদের অস্ত্রের আধুনিকায়ন ঘটাচ্ছে। ফলে পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র সীমার মধ্যে থাকা এশিয়ার দেশগুলোর নিরাপত্তা গুরুতর ঝুঁকিতে পড়বে বলে তিনি মনে করছেন।

জেলেনস্কি এই সম্মিলিত হুমকির উপযুক্ত জবাব দেওয়ার কথা স্পষ্ট করে জানান।

আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদের যোগদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদের যোগদান

অবশেষে কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে প্রতিষ্ঠানটির জন্য পূর্ণকালীন ডেপুটি হাইকমিশনার পাওয়া গেছে। অভিজ্ঞ কূটনীতিক মোহাম্মদ খালেদ নতুন ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে যোগদান করেছেন।

তিনি শুক্রবার (২৪ জুলাই) কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে যোগদান করেন।

নতুন ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ যোগদানের বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন। এর আগে তিনি চীনের কুনমিংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া, মোহাম্মদ খালেদ ২০০৬ সালের ২১ আগস্ট সহকারী সচিব হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। তিনি বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিসের ২৫তম ব্যাচের (বিসিএস ফরেন অ্যাফেয়ার্স ক্যাডার) কর্মকর্তা। দীর্ঘ কূটনৈতিক জীবনে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সম্পাদন করেছেন।

কুণমিংয়ে দায়িত্ব নেয়ার পূর্বে, তিনি মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে বাংলাদেশ দূতাবাস, পর্তুগালের লিসবন এবং গ্রিসের এথেন্সে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও, তিনি সার্ক, বিমসটেক ও এসিডি উইং, পশ্চিম এশিয়া উইং, মধ্য এশিয়া ও আফ্রিকা উইং এবং ইউরোপ উইংয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন।

এদিকে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মিশনের দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আশরাফুল সিকদার। চলতি বছরের জুন মাসে তার দায়িত্ব শেষ হয়ে দেশে ফিরে আসেন। এরপর প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) আয়েশা আক্তার ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কলকাতা মিশনের পূর্ণকালীন ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে আন্দালিব ইলিয়াস দায়িত্ব পালন করেন। শ্রীলঙ্কায় বদলি হওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে কলকাতার বাংলাদেশ মিশন পরিচালিত হচ্ছিল।

কলকাতায় যোগদান প্রসঙ্গে মোহাম্মদ খালেদ সময় সংবাদকে জানিয়েছেন, "আমি ২৪ জুলাই কলকাতা মিশনে যোগদান করেছি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৭ পি.এম


যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ২০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে কসবা উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের গোলাসার এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, কসবা উপজেলার কোটি চৌমনী থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের কাউতলী অভিমুখে ছেড়ে যায় দিগন্ত এক্সপ্রেসের একটি বাস। পথিমধ্যে যখন বাসটি চলন্ত অবস্থায় ছিল, ঠিক তখনই বাসটির একটি চাকা পাংচার হয়ে যায়। এই বিষয়টি টের পেয়ে চালক দ্রুত বাসটি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন, কিন্তু চালক এ ক্ষেত্রে সফল হননি। তারপর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এই দুর্ঘটনার ফলে বাসে থাকা অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে আহতদের কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের দেওয়ান আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। তিনি এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপত্তা শঙ্কায় বিমান বদলে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছিলেন ট্রাম্প: নিউইয়র্ক টাইমস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৯ পি.এম


নিরাপত্তা শঙ্কায় বিমান বদলে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছিলেন ট্রাম্প: নিউইয়র্ক টাইমস

চলতি মাসের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কে গিয়েছিলেন। সম্মেলন শেষে দেশে ফেরার সময় হঠাৎ করে ট্রাম্প নিজের এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানটি পরিবর্তন করেন।

নিউইয়র্ক টাইমসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই ঘটনার পেছনের কারণগুলি পরিষ্কার হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ট্রাম্প এবং তার বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ লক্ষ্য নিয়ে আকাশপথে হামলার পরিকল্পনা করছিল। এই নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাম্পের এড়ানো জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে সরাসরি অবগত একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

সংবেদনশীলতার কারণে কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য প্রদান করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ন্যাটো সম্মেলন চলাকালেই এই সুনির্দিষ্ট হুমকির বিষয়টি সামনে আসে।

ট্রাম্প তুরস্কের আঙ্কারায় গিয়েছিলেন কাতার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া একটি বোয়িং ৭৪৭-৮ উড়োজাহাজে। তবে এটি পুরোনো ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থাসহ অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি নেই বলে সংবাদমাধ্যমে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল।

হুমকি শনাক্ত হওয়ার পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনী ‘সিক্রেট সার্ভিস’ ট্রাম্পকে বিমান বদলাতে জোর পরামর্শ দেয়। পরে ট্রাম্প নিজেই ঘোষণা করেন যে, তুরস্ক থেকে ফেরার জন্য তিনি পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানটি ব্যবহার করবেন।

মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ইরানপন্থী প্রক্সি বা ছায়াবাহিনীর মূল লক্ষ্য কোন নির্দিষ্ট বিমান ছিল না। বরং ট্রাম্প এবং তিনি যে বিমানেই থাকুন, সেটি আকাশে ধ্বংস করাই ছিল তাদের পরিকল্পনা।

ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, "তারা মার্কিন নেতাকে—অর্থাৎ আমাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে চায়। আমি তাদের প্রতিটি তালিকায় আছি। আজ সকালেও আমি দেখেছি যে, তাদের করা প্রতিটি হিটলিস্টে আমার নাম রয়েছে। এত দিন ধরে আমি হয়তো কিছুটা ভাগ্যবান ছিলাম, তবে এ ভাগ্য হয়তো খুব বেশি দিন না-ও টিকতে পারে।"

তবে ট্রাম্প শুরুতে বিমান বদলের বিষয়ে একটি ভিন্ন ব্যাখ্যা দেন। তিনি দাবি করেন, ব্রিটেনে অবস্থানরত মার্কিন সেনাসদস্যদের নতুন বিমান ঘুরে দেখার সুযোগ দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে সময় তিনি নিরাপত্তাজনিত কোন কারণ পুরোপুরি অস্বীকার করেন। কিন্তু পরে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে স্পষ্ট হয় যে, মূলত সিক্রেট সার্ভিসের চাপেই ট্রাম্প বিমান বদলাতে বাধ্য হন।

হামলার এই হুমকির তথ্যটি মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরেও মাত্র কয়েকজনের মধ্যে রাখা হয়। বহু কর্মকর্তাকে শুধুমাত্র ‘ইরানসংক্রান্ত সাধারণ নিরাপত্তা উদ্বেগের’ কথা বলে বিমান বদলের সিদ্ধান্তটি জানানো হয়। এমনকি মার্কিন কংগ্রেসের শীর্ষ সদস্যদেরও এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং দেওয়া হয়নি। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও কোন আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি। তবে প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ট্রাম্পকে হত্যায় ইরানের ধারাবাহিক চেষ্টার কথা স্বীকার করে প্রেসিডেন্ট এবং তার প্রতিনিধিদলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন।

এই ঘটনার সময় অন্য একটি গোয়েন্দা তথ্যও আলোচনাধীন ছিল। ইসরায়েল ট্রাম্পকে হত্যায় ইরানের কার্যক্রম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সুনির্দিষ্ট তথ্য ভাগ করে। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ইসরায়েলের ওই তথ্যকে সন্দেহের চোখে দেখেন। তাঁদের ধারণা ছিল, ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার লক্ষ্যে ইসরায়েল এই তথ্য সরবরাহ করছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, তুরস্কে বিমান বদলের পেছনের সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা হুমকি ইসরায়েলি সূত্রের তথ্য থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল।

উল্লেখ্য, ট্রাম্প তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় (তেহরান থেকে প্রায় এক হাজার মাইল দূরে) অবস্থানের সময়ে ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র নতুনভাবে বিমান হামলা শুরু করে।

কাতার থেকে পাওয়া নতুন বিমানের নিরাপত্তা ঘাটতি নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের আগের প্রতিবেদনের প্রকাশের পর মার্কিন সরকার তথ্য ফাঁসের তদন্ত শুরু করে। এর অংশ হিসেবে সংবাদমাধ্যমের কয়েকজন সাংবাদিকের গ্র্যান্ড জুরি সাক্ষ্য নেওয়ার পাশাপাশি তাদের এবং তাদের আত্মীয়দের ফোন রেকর্ড চেয়ে আইনি নোটিশ জারি করা হয়। ব্যাপক সমালোচনার পর বৃহস্পতিবার মার্কিন বিচার বিভাগ সেসব নোটিশ প্রত্যাহার করে নেয়।

গত রবিবার ট্রাম্প নিজেও পরোক্ষভাবে স্বীকার করেন যে, কাতারের উপহার দেওয়া বিমানে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান-এর সকল ধরনের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এখনও অন্তর্ভুক্ত হয়নি। কোনও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই বলে সাংবাদিকদের মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, খুব শিগগিরই এটিকে সর্বোচ্চ আধুনিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, অতিরিক্ত নিরাপত্তা আধুনিকায়নের জন্য আগামী শরতে প্রায় এক মাসের জন্য নতুন বিমানটিকে সাময়িকভাবে সেবার বাইরে রাখা হবে। ওই সময়ে ট্রাম্প তার পুরোনো বিমানেই যাতায়াত করবেন। তবে এত অল্প সময়ে ঠিক কী ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত করা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে কোন স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি।

ট্রাম্পের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সিক্রেট সার্ভিসের উদ্বেগ এখন তুঙ্গে। গত বুধবার ‘হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস ডিনার’-এর আগে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সিক্রেট সার্ভিসের পরিচালক শন কারান জানান, তাদের সুরক্ষায় থাকা ব্যক্তিদের প্রতি বর্তমান হুমকির মাত্রা ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এর আগে গত এপ্রিলে একজন বন্দুকধারী নিরাপত্তাচৌকি পেরিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ায় ওই একই অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছিল। শন কারান ট্রাম্পের দুই মেয়াদী সময়ে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দলের প্রধান ছিলেন এবং ২০২৪ সালে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে ট্রাম্প গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময়ও তার পাশে ছিলেন।

ইরানসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পকে হত্যার সুযোগ খুঁজছে বলেও মার্কিন গোয়েন্দাদের ধারণা। এই শত্রুতার মূল কারণ হচ্ছে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে (২০২০ সালের জানুয়ারি) ইরানের প্রভাবশালী কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে ড্রোন হামলায় হত্যার ঘটনা। ট্রাম্প ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমান দুটির অবস্থার ব্যাপারে দীর্ঘ দিন অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছিলেন। এর মধ্যে গত বছরে কাতার তাকে একটি বোয়িং ৭৪৭-৮ উপহার দেয়। প্রায় ১৪ বছরের পুরোনো ওই বিমানটিকে দ্রুত ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করা হলেও পুরোনো বিমানের সমপর্যায়ের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংযুক্ত করা যায়নি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, মেয়াদ শেষে বিমানটি তার প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরির অংশ হিসেবে রেখে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরিজন জনগোষ্ঠীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২০ পি.এম


হরিজন জনগোষ্ঠীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি

বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিজন জনগোষ্ঠীর অধিকার, মর্যাদা ও জীবন-জীবিকার উন্নয়নের দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল এবং স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর হাড়ি সমাজের মণ্ডল শ্যামল জমাদার। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ, ফরিদপুর জেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক রিপন হাড়ি, বিদ্যুৎ হাড়িসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে হরিজন কলোনিগুলো পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ করা হচ্ছে, যা মানবিক ও সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। তারা বলেন, কোনো হরিজন কলোনি উচ্ছেদের আগে সেখানে বসবাসকারী প্রতিটি পরিবারের জন্য বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় তারা পরিচ্ছন্নতা কর্মীসহ বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে হরিজন জনগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত ৮০ শতাংশ কোটার কার্যকর বাস্তবায়নের দাবি জানান। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতাল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে হরিজন সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রথা বাতিলের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, “আমরা এ দেশের সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক। কিন্তু বাস্তবে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আবাসন ও সামাজিক মর্যাদাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনও বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। এই বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে সংবিধান প্রদত্ত অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”

কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময় হরিজন সম্প্রদায়ের বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৩৯
মাগরিব ০৫:১৫
ইশা ০৬:২৮
সূর্যোদয় : ০৬:০৯ সূর্যাস্ত : ০৫:১৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%