শোরাফ উদ্দিন, রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
০৯:৫৮ পি.এম
মাদক ও জুয়া থেকে মুক্ত একটি সমাজ গড়ার দাবিতে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (তারিখ) বিকেল ৫টার দিকে চর কাদিরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর বসু পোলসংলগ্ন আছিয়া বাপের সমাজ এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। গ্রীন বয়েজ স্পোর্টিং ক্লাব অ্যান্ড হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন ও স্থানীয় এলাকাবাসী যৌথভাবে কর্মসূচির আয়োজন করে।
বিকেল ৫টা বৈঠকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আয়োজক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এই মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আছিয়া বাপের সমাজ এলাকায় এসে শেষ হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক ও জুয়া একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ। বিশেষ করে, মাদকের বিস্তার তরুণদের বিপথগামী করছে। এর ফলে পারিবারিক অশান্তি, সামাজিক অবক্ষয় ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে।
তাই মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন। বক্তারা আরও বলেন, চর কাদিরা ইউনিয়নসহ পুরো কমলনগর উপজেলাকে মাদক ও জুয়ার ভয়াবহতা থেকে মুক্ত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
একসঙ্গে, মাদক ও জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
প্রতিবাদ সমাবেশে চর কাদিরা আলোর কাফেলার সভাপতি মো. রেদোয়ান হোসেন, চর কাদিরা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আকবার হোসেন আরজু হাওলাদার, মাওলানা মোহাম্মদ মোহন, চর ঠিকা মোহাম্মদীয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ও ইমাম মুফতি মুজাম্মেল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাওলানা হারুন আর রশিদ। কর্মসূচির শেষে এলাকার শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা কারী আনোয়ার হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি থানা এলাকার বিভিন্ন ভেন্যু পরিদর্শন উপলক্ষে গৃহীত সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিয়োজিত অফিসার-ফোর্সদের উদ্দেশ্যে পৃথকভাবে ব্রিফিং প্রদান করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মো. মাসুদ আলম, বিপিএম মহোদয় এবং জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে হাটহাজারী থানাধীন পার্বতী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, ফটিকছড়ি এলাকার ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ এবং বাঁশখালী এলাকার আব্দুর রশিদ কমিউনিটি সেন্টার, নির্ধারিত তিনটি ভেন্যুতে নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত অফিসার-ফোর্সদের জন্য পৃথক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রিফিংকালে পুলিশ সুপার মহোদয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন রাখতে গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল অফিসার-ফোর্সকে সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।
এদিকে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে তিনটি ভেন্যু ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে ভেন্যুগুলোতে প্রাণবন্ত পরিবেশ বিরাজ করে। এ সময়, পুলিশ সুপার মহোদয় নির্ধারিত ভেন্যু পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত সাধারণ জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ সফরকে ঘিরে, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনবান্ধব ও সেবামূলক পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখা নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করার পাশাপাশি ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলা না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, যারা দীর্ঘদিন রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন এবং তাঁদের দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে, তাঁদের মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (বিএসভিইআর) ৩২তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি।
আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, ‘আমরা যারা রাজপথ থেকে উঠে এসেছি, এ দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়েছি, তাদের অন্তত মূল্যায়ন না করলেও অবহেলা করবেন না। একজন মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে খাটো করার অধিকার কারও নেই।’
অনুষ্ঠানে আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক ও বিদেশি অতিথিদের উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন থেকে অর্জিত জ্ঞান ও গবেষণার ফল দেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হয়।
বক্তব্যের শেষে তিনি আগস্ট মাসের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা ও আন্দোলন-সংগ্রামে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অধ্যাপক ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, কৃষি, ভেটেরিনারি কিংবা মৎস্য খাতের নীতিমালা প্রণয়নের সময় মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও গবেষণালব্ধ তথ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের দীর্ঘদিনের গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যেতে পারে। গবেষকদের সঙ্গে নীতিনির্ধারকদের সমন্বয় প্রয়োজন। কৃষক ও গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন বাড়াতে এই সমন্বয় জরুরি। তিনি আরও বলেন, সরকার চ্যালেঞ্জ দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা নীতি প্রণয়ন ও উপযুক্ত পরিকল্পনা তৈরিতে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
অধ্যাপক ফজলুল হক ভূঁইয়া আরও বলেন, বাণিজ্যিক খামারের জন্য উচ্চ উৎপাদনশীল জাত উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের আবহাওয়া ও গ্রামীণ খামার ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দেশি গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে।
এ অনুষ্ঠানে বিএসভিইআরের সভাপতি ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং ইন্টার অ্যাগ্রো বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এ কে এম খসরুজ্জামান। এছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, দেশের বিদেশি অতিথি ও বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যখন তীব্র পাল্টাপাল্টি মিসাইল হামলা চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই মস্কোর অন্যতম মিত্র দেশ সার্বিয়ায় আকস্মিক সফরে গেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। কিয়েভে রাশিয়ার প্রাণঘাতী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে ইউক্রেনের নিজস্ব প্যাট্রিয়ট মিসাইল তৈরির কাজ আটকে আছে।
শুক্রবার সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে পৌঁছান জেলেনস্কি। গত আট বছরের মধ্যে এটিই কোনো ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের প্রথম সার্বিয়া সফর। শনিবার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুসিক ইউক্রেনকে ‘বন্ধুপ্রতিম জাতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাপ সত্ত্বেও, রাশিয়ার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা না দিলেও, ভুসিক স্পষ্ট জানিয়েছে, সার্বিয়া ইউক্রেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করে এবং এই অবস্থান বদলাবে না। এ সময় দুই নেতা ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বিস্তারের উপায় নিয়েও আলোচনা করেছেন।
এদিকে, শুক্রবার রাতে কিয়েভ এবং এর আশপাশের অঞ্চলে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। তারা ৬টি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ১৫১টি ড্রোন ছুড়েছে, যার মধ্যে ১৩৫টি ভূপাতিত করার দাবি ইউক্রেন করেছে। হামলায় কিয়েভের উত্তর-পূর্বে ব্রোভারি এলাকায় একটি বাড়ি সম্পূর্ণ ধংস হয়ে তিন বছর বয়সী এক শিশু ও তার দাদা-দাদিসহ মোট চারজন নিহত হয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এই হামলার কথা উল্লেখ করে জেলেনস্কি জানান, ব্যালিস্টিক মিসাইল ধ্বংস করার একমাত্র অস্ত্র ‘প্যাট্রিয়ট’-এর সরবরাহ আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে এই মিসাইলের মাসিক সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।
ওয়াশিংটন ইউক্রেনকে নিজস্ব প্যাট্রিয়ট তৈরির অনুমতি দিলেও লাইসেন্স ও কাগজপত্রের মারপ্যাঁচে তা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে, রাশিয়ার অভ্যন্তরে মিসাইল লঞ্চারগুলোতে আঘাত হানতে ইলন মাস্কের স্টারলিংক স্যাটেলাইট ব্যবহারের অনুমতি চাইছেন তিনি। উল্লেখ্য, গত মাসেও রাশিয়ার ছোড়া প্রায় ৯,০০০ ড্রোন ও মিসাইলের মধ্যে ৫,৩০০টি ভূপাতিত করেছে ইউক্রেন।
অন্যদিকে, রুশ হামলার শক্ত জবাব দিচ্ছে ইউক্রেনও। ইউক্রেনীয় বাহিনীর দূরপাল্লার ড্রোন হামলায় রাশিয়ার ৮০০ কিলোমিটার ভেতরের ক্রাসনোদার অঞ্চলের ইলস্কি এবং সামারা অঞ্চলের সিজরান তেল শোধনাগার মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব হামলায় রাশিয়ায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনের এমন ধারাবাহিক হামলার কারণে রাশিয়ায় এখন চরম জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, যা ক্রেমলিনের জন্য বেশ অস্বস্তিকর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় পুকুরে পড়ে আরাফাত হোসেন (৫) নামের এক শিশু মারা গেছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৩টার সময় উপজেলার ৩ নম্বর ডমুরুয়া ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামে এটি ঘটে।
নিহত শিশু আরাফাত হোসেন ওই গ্রামের ফরহাদ হোসেনের পুত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির পাশে পুকুরে পড়ে যায় আরাফাত। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির কাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে পুকুরের পানিতে ভাসতে দেখে পরিবারের লোকজন তাকে পানির মধ্যে থেকে উদ্ধার করে দ্রুত সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
সেনবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রসুল আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ