ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০ পরিবার পেয়েছে ৬৮ লাখ টাকার সরকারি সহায়তা


সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০ পরিবার পেয়েছে ৬৮ লাখ টাকার সরকারি সহায়তা

খাগড়াছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ২০টি পরিবারের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের মঞ্জুরীকৃত ৬৮ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

দলীয় কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহযোগিতায় বিআরটিএ খাগড়াছড়ি সার্কেলের উদ্যোগে এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৮টি পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে মোট ৮ লাখ টাকা এবং নিহত ১২টি পরিবারের প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে মোট ৬০ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। সব মিলিয়ে ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেয়েছে ৬৮ লাখ টাকার সহায়তা।

আরও পড়ুন: কক্সবাজার সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আশেক উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত। তিনি বক্তব্যে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো সরকারের দায়িত্ব। দুর্ঘটনায় স্বজন হারানো কিংবা আহত পরিবারের জন্য এই সহায়তা কিছুটা হলেও দুর্ভোগ লাঘব করতে সাহায্য করবে। তিনি অতিরিক্ত সচেতনতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে চালক, যাত্রী এবং পথচারী সকলের সচেতন হওয়া উচিত।

এ অনুস্মারক অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. মোরতোজা আঁলী খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাসান মারুফ, বিআরটিএ খাগড়াছড়ি সার্কেলের সহকারী পরিচালক (প্রকৌশলী) মো. মুছা, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য, খাগড়াছড়ি সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. আসলাম কালুসহ বিভিন্ন পরিবহন সংগঠনের প্রতিনিধি এবং দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় দুই আসামির যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


রংপুরে ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় দুই আসামির যাবজ্জীবন

রংপুরে ৭৬৩ বোতল ফেনসিডিল ও ১০ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারের মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন। একই মামলায়, গাঁজা রাখার অপরাধে তাদের প্রত্যেককে আরও সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দুই সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রংপুরের মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মশিউর রহমান খান এই রায়টি ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো মানিকগঞ্জ সদর থানার নবগ্রাম এলাকার মো. নয়ন ওরফে নয়া মিয়ার ছেলে মো. রাসেল মিয়া (২৬) এবং সিংগাইর থানার রায়দক্ষিণ এলাকার মো. শহিদ মিয়ার ছেলে মো. রাব্বি (২৬)। তাদের দুজনকেই আদালত পলাতক হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, তাজহাট থানার মামলা নম্বর-১০, তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২০ এবং জিআর নম্বর-১১৭/২০-এর ভিত্তিতে দায়রা মামলা নম্বর-৫৮১/২৫ পরিচালিত হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১৪(গ) ও ১৯(খ) ক্রমিয়ে অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় দুই আসামির কাছ থেকে ৭৬৩ বোতল ফেনসিডিল ও ১০ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।

আদালত রায়ে বিবৃত করেছে, প্রসিকিউশনপক্ষের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায়, আসামি রাসেল মিয়া ও রাব্বিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার ১৪(গ) ক্রমিতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করার ক্ষেত্রে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হলে হবে।

একই সঙ্গে, ১০ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারের বিষয়ে আইনটির ৩৬(১) ধারার ১৯(খ) ক্রমিকে তাদের প্রত্যেককে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে, এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডই ভোগ করতে হবে।

তবে আদালতের আদেশ অনুযায়ী, উভয় সাজা একযোগে চলবে। মামলার অপর আসামি মো. নয়ন ওরফে নয়া মিয়া (৫২), পিতা মো. আলী ব্যাপারী, মাতা সোনাবাল, মানিকগঞ্জ সদর থানার নবগ্রাম এলাকার বাসিন্দা, এই আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায়, আদালত তাকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছে।

রায়ে পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা যখন গ্রেপ্তার হবে অথবা স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করবে, তখন থেকেই তাদের সাজা গণনা শুরু হবে। মামলায় সাজাপ্রাপ্ত যাদের হাজতবাস আছে, তাদের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার বিধান অনুসারে তা মূল সাজা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া মামলায় জব্দ করা গাঁজা ও ফেনসিডিল বিধি অনুযায়ী ধ্বংস করতে হবে, জব্দ করা মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিককে ফেরত দিতে হবে এবং জব্দ করা ট্রাকটি মূল মালিকের জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। জব্দকৃত আলামতসংক্রান্ত আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব রংপুর মহানগর পুলিশের কোর্ট ইন্সপেক্টর ও মালখানাকে অর্পণ করা হয়েছে।

রায়ের অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, রংপুর এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, রংপুরের কাছে পাঠানো নির্দেশও আদালত দিয়েছেন।

মামলায় প্রসিকিউশনপক্ষে রাষ্ট্রের আইনজীবী ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আব্দুল হাদী বেলাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ পি.এম


চাঁদপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

 

বুধবার (১৯ আগস্ট) প্রতিষ্ঠানের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বোর্ড পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারীসহ বিভিন্ন ট্রেডে মেধার স্বাক্ষর রাখা শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হারুনুর রশীদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও বিপুলসংখ্যক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, "কারিগরি শিক্ষা হলো বর্তমান বিশ্বের মূল চালিকাশক্তি। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র ফলাফলের দিক দিয়েই নয়, দেশের শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।"

তিনি শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধান প্রশিক্ষক (নন-টেক) মো. ইকবাল হোসেন, অ্যাপারেল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এনায়েতে রাব্বি ইয়াছিন এবং ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ফারুখ হোসেন সরকার।

সংবর্ধনা পেয়ে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাঁদের অর্জন ও সম্মাননা ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও উচ্চশিক্ষায় আরও ভালো করার জন্য অনুপ্রেরণা জোগাবে। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন কম্পিউটার ট্রেডের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর দেলোয়ার হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘোড়াঘাটে সোনালী আউশ ধানের বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


ঘোড়াঘাটে সোনালী আউশ ধানের বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলাজুড়ে সোনালী আউশ ধানের দোলাচল নজর কাড়ছে সবার। এবারের বর্ষানির্ভর এই ধান চাষে সফল হয়েছেন কৃষকরা। এবার উপজেলায় প্রায় ৫০০ হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষ হয়েছে। সবচেয়ে আনন্দের খবর হলো, বিঘাপ্রতি ২২ থেকে ২৩ মন ফলন পাচ্ছেন কৃষকরা, যা বোরো মৌসুমের আধুনিক জাতের ফলনের সমান। বিশেষ করে, ব্রি ধান-৯৮ জাতটি এবার বেশি চাষ হয়েছে, যা কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। জমিতে কাজ করতে থাকা কৃষক জাহিদুল এবং আব্দুল জব্বার জানান, তারা দুজন মিলে তিন বিঘা করে মোট ছয় বিঘা জমিতে আউশ ধানের চাষ করেছেন। বিঘা প্রতি ২৩ মন ফলন পেয়েছেন তারা এবং ফলন ও বাজারমূল্য ভালো থাকায় তারা খুবই খুশি। তারা আশা প্রকাশ করছেন যে, সামনের বছর থেকে তারা এই ধানের আবাদ আরও বৃদ্ধি করবেন, যা দেখে আশেপাশের অন্যান্য কৃষকরাও এই জাতের প্রতি ঝুঁকছেন। কৃষকরা জানান, এ ধান কাটার পর তারা ব্রি ধান-৩৪ এবং ব্রি ধান-৯৩ সহ কিছু আগাম জাত চাষ করবেন এবং এর পরে তারা আবার রবি ফসলও চাষ করবেন। এতে করে বছরে কৃষকরা প্রায় তিন ফসল ও শাক-সবজিও করতে পারবে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা জানান, ঘোড়াঘাট পৌরসভার কৃষকরা এই ধান চাষের কলাকৌশল শিখে গেছেন এবং পাখির হাত থেকে রক্ষার জন্য নেট ব্যবহারের মতো কৌশলগুলো আয়ত্ত করেছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান জানান, পুরো উপজেলা জুড়ে উঠান বৈঠক ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে কৃষকদের মোটিভেট করা হচ্ছে। বৃষ্টিকে কাজে লাগিয়ে আউশ ধান চাষে উৎপাদন খরচ কমছে এবং পানি সম্পদের সঠিক ব্যবহার হচ্ছে, যা কৃষকদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে ‘শুভ জন্মাষ্টমী’ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


চাঁদপুরে ‘শুভ জন্মাষ্টমী’ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

চাঁদপুরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব “শুভ জন্মাষ্টমী” এর উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) চাঁদপুর জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি সঞ্চালনা করেন চাঁদপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. লুৎফর রহমান এবং সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

সভায় জন্মাষ্টমী উদযাপনের লক্ষ্যে একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সার্বিক পরিকল্পনা তুলে ধরেন চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ। তারা নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন প্রস্তাব ও মতামত পেশ করেন এবং উৎসব উদযাপনে জেলা পুলিশের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়াদির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট সকল ইউনিটকে উৎসব চলাকালীন সময়ে সতর্ক থাকার এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন।

তাছাড়া, মন্দির এবং পূজামণ্ডপ কেন্দ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাদিরা নূর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খায়রুল কবীর, চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষচন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক কমল কুমার ঘোষসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

চাঁদপুর পুলিশ মিডিয়া সেল থেকে এই তথ্যটি জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%