০৫:২১ পি.এম
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ধান বীজ ও চারা দেওয়া হবে বলে কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদি পশুকে টিকা দেওয়া হবে।
আজ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে কৃষক, মৎস্যচাষি এবং খামারিদের জন্য ধান বীজ ও উপকরণ বিতরণ এবং গবাদি পশুকে টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করে সংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলার কৃষকদের দ্রুত চাষাবাদে ফিরিয়ে আনতে সরকার সকল ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলেও জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বরের সিপাহী বিপ্লব বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের টার্নিং পয়েন্ট: ডা. ইরান
চলমান বন্যায় আমন ধানের বীজতলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ইউনিয়ন ও ব্লক পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজন অনুযায়ী বীজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, যেসব কৃষকের বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে, তাদের হাতে দ্রুত বীজ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
যাদের জমি এখনো পানির নিচে রয়েছে এবং এখনই বীজ বোনার সুযোগ নেই, তাদের জন্য সরকারি উদ্যোগে কৃষকদের কাছ থেকে জমি ভাড়া নিয়ে বিকল্প বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে উৎপাদিত চারা ১৫ থেকে ২০ দিন পর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা রোপণ করতে পারেন।
গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বন্যার পর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি হয় খুরারোগ ও অন্যান্য সংক্রামক রোগের। তাই আজ থেকেই বন্যাকবলিত পাঁচ জেলায় ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ আ. লীগ মিছিলে পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ১৬
উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। তিনি জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদিপশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।
এছাড়া, বন্যার কারণে সৃষ্ট গোখাদ্যের সংকট মোকাবেলায় প্রথম ধাপে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়ার ঘোষণাও দেন মন্ত্রী। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তীতে সহায়তা বাড়ানো হবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন