১০:২৩ এম
ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ পবিত্র শহর কোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সেখানে মরদেহ পৌঁছানোর পর এক শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে রাজধানী তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল। আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তার নিজ শহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।
আল-জাজিরা সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) হেলিকপ্টারে করে রাজধানী তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত পবিত্র শহর কোমে খামেনির মরদেহ পৌঁছে দেওয়া হয়। সেখানে শোকযাত্রার পর বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাশহাদে তাকে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে, তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষ রাস্তায় জড়ো হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই শোকসমাবেশটির আবহ ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার সমাবেশের মতো ছিল।
আরও পড়ুন: সরকার ৬৪ জেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করবে
শোকযাত্রায় একটি ট্রাকে খামেনির মরদেহের সঙ্গেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত তার পরিবারের চার সদস্যের মরদেহও বহন করা হয়েছে। শোকাহত মানুষ কফিনের ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে খামেনির মাত্র ১৪ মাস বয়সী নাতনির ছোট কফিনও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-এর বরাতে জরুরি সেবা বিভাগের প্রধান জাফর মিয়াদফার জানিয়েছেন, শোকানুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ৩৪ হাজারের বেশি মানুষকে চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। তবে এ সময় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
শোকযাত্রায় অংশ নেন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই, কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল কানি এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদসহ দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: বার্লিনে জার্মান পার্লামেন্টের সামনে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন বিক্ষোভকারীরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন