ঢাকা সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

জাল প্রবেশপত্রে পরীক্ষা দিতে গিয়ে প্রক্সি পরীক্ষার্থীসহ ৪ জন গ্রেপ্তার


জাল প্রবেশপত্রে পরীক্ষা দিতে গিয়ে প্রক্সি পরীক্ষার্থীসহ ৪ জন গ্রেপ্তার

রংপুরে, বাংলাদেশ পুলিশের ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে ২০২৬ সালের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দালালচক্রের চার সদস্যকে। রংপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় আলামত হিসেবে জাল প্রবেশপত্র, অর্থ লেনদেনের স্ক্রিনশট, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার, ১ আগস্ট, দুপুরে রংপুর জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশ জানায়, রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক এর নির্দেশে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তত্ত্বাবধানে নিয়োগ পরীক্ষার সময় ডিবির একটি বিশেষ দল নজরদারি করছিল। পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে রংপুর পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল ফটকে ফেস ডিটেকশন পয়েন্টে প্রবেশের সময় সন্দেহভাজন এক পরীক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম (২১) কে যাচাই করা হয়।

পরে তাকে একাডেমিক ভবনে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আশরাফুল স্বীকার করেন যে, তার কাছে থাকা প্রবেশপত্রটি জাল। ওই সময় তার হয়ে প্রক্সি পরীক্ষা দিতে আসা তাজমিলুর রহমান (১৯) কে আটক করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আশরাফুল জানান, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কামালকাছনা কার্যালয়ে কর্মরত বাদশা মাসউদ আলম (৪৮) ও নুরুল ইসলাম (৪৬) এর মাধ্যমে তিনি ১৭ লাখ টাকার বিনিময়ে পুলিশের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার চুক্তি করেন। চুক্তির অংশ হিসেবে তিনি দিনাজপুর শাখা থেকে ঢাকা ব্যাংকের একটি হিসাবে আড়াই লাখ টাকা জমা দেন।

আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী

পরে তার কাছে একজন জাল প্রবেশপত্র হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো হয়। তবে নিয়োগের নিয়ম অনুসারে তিনি কোনো শারীরিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি। এরপরও তিনি ওই জাল প্রবেশপত্র ব্যবহার করে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেন। আশরাফুলের দেওয়া তথ্যে ভিত্তি করে রংপুর নগরীর জাহাজ কম্পানি মোড় এলাকা থেকে বাদশা মাসউদ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে প্রতারণা, আর্থিক লেনদেন ও জাল প্রবেশপত্র তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়।

পুলিশ জানায়, বাদশা মাসউদ আলম জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেন যে, নুরুল ইসলামসহ আরো দুই থেকে তিনজন এই চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে পুলিশ ক্যাডেট এএসআই পদে চাকরি দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। এই চক্রটি জাল প্রবেশপত্র তৈরি করে এবং বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পরিচয় ব্যবহার করে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করত।

পরে আরপিএমপির কোতোয়ালি থানার সহযোগিতায় ঢাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের আরেক সদস্য নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় মোট ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, 'বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, জালিয়াতি বা দালাল চক্রের স্থান নেই। যারা চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।'

আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে বিজিএসের উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


মধুপুরে বিজিএসের উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার শঠিবাড়ীতে বাংলা-জার্মান সম্প্রীতি (বিজিএস)-এর উদ্যোগে এবং জার্মান দাতা সংস্থা লিচ ব্রুক-এর অর্থায়নে পরিচালিত সেডিপ (SEDP) প্রকল্পের আওতায় গঠিত নারী অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের জন্য তিন মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজিএসের নির্বাহী পরিচালক পাইংশৈউ মারমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা সুমি। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিএসের উপ-পরিচালক (এমএফপি) জোবায়ের সিদ্দিক।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সেডিপ প্রকল্পের আওতায় গঠিত নারী অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দুইটি ব্যাচে মোট ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থী এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছেন।

বিজিএসের সেডিপ প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার (আইবি) তপতী রানী দাস অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন সেডিপ প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. মিলন চৌধুরী।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজিএসের প্রোগ্রাম অফিসার (কৃষি ও বিপণন) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রোগ্রাম অফিসার (আইবি) মো. সুরুজ মিয়া, সহকারী হিসাবরক্ষক শেখর মিত্র বড়ুয়া, এসডব্লিউ মো. আনিছুর রহমান, মো. নুর আলম এবং প্রশিক্ষক সুইটি আক্তারসহ প্রকল্পের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বক্তারা মন্তব্য করেন, নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা সেলাই পেশার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন, যা তাদের পরিবারের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোবাইল ফোন কেনার টাকা জোগাড়ে অপহরণের নাটক প্রেমিকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


মোবাইল ফোন কেনার টাকা জোগাড়ে অপহরণের নাটক প্রেমিকের

প্রেমিকাকে নতুন মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য টাকা জোগাড় করতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন। তবে পুলিশের তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের ফলস্বরূপ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার আসল রহস্য প্রকাশ পায়।

পরে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সম্প্রতি এই তথ্য জানান বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মো. সাব্বির হোসেন গত ২৮ জুলাই বিকেলে নিজের বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। ওই রাতেই তার বাবা সিদ্দিকুর রহমান দুপচাঁচিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি ব্রিলিয়ান্ট (আইপি) নম্বর থেকে ফোন করে তার ছেলের মারধরের শব্দ শোনানো হয় এবং তাকে জীবিত ফেরত পেতে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

জিডির পরপরই পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সাব্বিরের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে রাজশাহীর একটি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, সাব্বির অপহরণকারীদের কবলে ছিলেন না; বরং তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির জানান, প্রেমিকাকে নতুন মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি নিজেই অপহরণের নাটক সাজান। ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপ ব্যবহার করে বাবার কাছে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ দাবি করেন এবং মারধরের অভিনয় করেন।

দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে শিক্ষার্থী তার ভুল স্বীকার করেছেন। তিনি পরিবারকে চরম দুশ্চিন্তায় ফেলার বিষয়টি উপলব্ধি করায় কাউন্সেলিং শেষে তাকে বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাকাতির প্রস্তুতির সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে অস্ত্রসহ ৭ জন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


ডাকাতির প্রস্তুতির সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে অস্ত্রসহ ৭ জন আটক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে দেশি অস্ত্রসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে তালতলী গ্রামের কাছে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন দাউদকান্দি উপজেলার সমমানের মামুন মিয়া (২১) ও জাহিদ হাসান (২৮), চান্দিনা উপজেলার ছায়াকোট এলাকা থেকে মো. রিয়াজ (২১), মো. ফয়সাল হোসেন (২৬), মো. অনিক (২০), মো. বাধন (২০) এবং মো. ইমন হোসেন (২৩)।

পুলিশ জানিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে খবর আসে, তালতলী এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে একটি দল অস্ত্রধারী ব্যক্তি ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরবর্তী সময়ে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ এবং হাইওয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে সাতজনকে আটক করে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি স্টিলের কিরিচ, একটি লোহার কাঁচি, দুটি লোহার রড, দুটি এসএস পাইপ এবং একটি লোহার ছোরা।

উদ্ধার হওয়া স্টিলের কিরিচটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৮ ইঞ্চি, লোহার কাঁচির দৈর্ঘ্য ২৪ ইঞ্চি, দুটি রডের প্রতিটি দৈর্ঘ্য ৩২ ইঞ্চি, এসএস পাইপের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৩১ ও ২৮ ইঞ্চি এবং লোহার ছোরা হাতলসহ ১২ ইঞ্চি দীর্ঘ।

দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দেশি অস্ত্রসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পর শনিবার বিকেলে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৩১, মামলা ২৩টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৩১, মামলা ২৩টি

 রাজধানী ঢাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে ২৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। এতে জানানো হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগের ৩৩ জন, লালবাগ রমনা বিভাগে ২১ জন, ওয়ারী রমনা বিভাগে ৪৮ জন, মতিঝিল রমনা বিভাগে ৩৪ জন, তেজগাঁও রমনা বিভাগে ৪৮ জন, মিরপুর রমনা বিভাগে ১৩৫ জন, গুলশান রমনা বিভাগে ৫১ জন, উত্তরা রমনা বিভাগে ৫৩ জন এবং গোয়েন্দা রমনা বিভাগে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ৮২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা, ৩২৫৬ পিস ইয়াবা, ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিল, ৪৯৪.১২ গ্রাম স্বর্ণালংকার, ১টি মোটরসাইকেল, ১টি পিকআপ, ১টি বাস, ৫টি মোবাইলফোন এবং একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্যসহ এসব ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৩৯
মাগরিব ০৫:১৫
ইশা ০৬:২৮
সূর্যোদয় : ০৬:০৯ সূর্যাস্ত : ০৫:১৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%