০১:৪৯ পি.এম
‘ফুলের মতো ফুটবো মোরা, আলোর ন্যায় ছুটবো, জ্ঞানের আলো সাথে নিয়ে দেশটাকে গড়বো’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪৯৬ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা বারোটায় উপজেলা পরিষদের সমাবেশ স্কয়ারে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এবং সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল কায়েস।
অনুষ্ঠানে কামারখন্দের ২১টি কিন্ডারগার্টেনের ৪১৩ জন শিক্ষার্থী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৩ জন শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বিএনপির কর্মসূচিতে বেজে উঠল শেখ হাসিনাকে নিয়ে গান
কামারখন্দ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফজলুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাতে রাব্বি উত্থান এবং সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল কায়েসসহ অন্যরা।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল কায়েস বলেন, এই আয়োজন করা হয়েছে মেধাবীদের উৎসাহিত করার জন্য সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে। আজকের শিক্ষার্থীরাই হবে আগামী দিনের নেতৃত্ব। তাই মেধা, সততা, শৃঙ্খলা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এমন সংবর্ধনা অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার মানোন্নয়নে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং জনপ্রতিনিধিদের আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফলের দিকে নয়, নৈতিকতা এবং আদর্শিক দিক থেকেও গড়ে তুলতে হবে। তাদের শুধু পাঠ্যবই ভিত্তিক জ্ঞান অর্জন নয়, নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা, দেশপ্রেম এবং সামাজিক দায়িত্ববোধে উৎসাহিত হয়ে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উত্থানের আহ্বান জানান তিনি।
আব্দুল্লাহ আল কায়েস আরও বলেন, কামারখন্দে অনেক রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, স্কুল ও কলেজের ভবন নেই। তিনি জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে কামারখন্দকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কামারখন্দে এবার অতীতের সব সময়ের চেয়ে বেশি উন্নয়ন করা হবে। কামারখন্দের প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লার উন্নয়ন করা হবে।
আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় বিরোধীয় জমিতে রাতের আঁধারে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন