০৭:৫১ পি.এম
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নিযুক্ত হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৩ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করেন বিধানসভা স্পিকার রথীন্দ্র বসু।
এই সময় অনলাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ৫৮ জন বিধায়কের সই সংবলিত একটি চিঠি পাঠানো হয় ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার জন্য।
তাদের মধ্যে ৫৭ জন তৃণমূল বিধায়ক রয়েছেন। অপর দুজন হলেন দল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত এবং সন্দীপন সাহা।
আরও পড়ুন: দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে : হারুনুর রশীদ আজাদ
এর আগে বিধানসভায় জাল সই বিতর্কের জন্য তৃণমূল ঋতব্রত এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিল।
দলবিরোধী কাজের অভিযোগ উঠেছিল তাদের বিরুদ্ধে।
এদিকে দাবার খেল উল্টে ঋতব্রত এবং সন্দীপনের নেতৃত্বে তৃণমূলের ৫৮ জন বিধায়ক একত্রিত হয়ে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে অংশ নিলেন। তবে টিএমসি দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা হিসেবে অসীমা পাত্র এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপদলনেতা হিসেবে এবং ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্য সচেতক হিসেবে নিয়োগ করতে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিধায়কেরা বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিলেন বহিষ্কৃত ঋতব্রতকে।
আরও পড়ুন: গাদি আইজেনকটের হাতে ইসরাইলে সরকার গঠনের দায়িত্ব
শুধু তাই নয়, স্পিকারের কাছে বিদ্রোহী বিধায়কেরা যেই চিঠিটি দিয়েছেন, সেখানে মমতার নামও দলনেত্রী হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ভেতরে কি হতে চলছে, তা নিয়ে প্রত্যাশিত ভাবেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
এ বিষয়ে শিউলি সাহা বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমাদের দলনেত্রী। তাঁরই সৈনিক ছিলাম, আছি এবং থাকব। কিন্তু দলটি যখন অন্য কেউ দখল করে নেয়, সেটা তো মেনে নেব না।
আমরা দলে একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চাইছিলাম।’
আরও পড়ুন: দেবিদ্বার বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বহিষ্কার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন