পারভীন আক্তার স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ
০১:৪৬ পি.এম
২৮ শে অক্টোবর ২০২৬ রোজ বুধবার, নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে, আলোচনা সবার আয়োজন করেন, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক বি,আরটি এর কর্মকর্তা সমন্বয়ে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়, অনুষ্ঠানের সভাপতি, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক, মোঃ রায়হান কবির, জেলা বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট ন্ নারায়ণগঞ্জ, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,
নারায়ণগঞ্জের ৫ আসনের, সংসদ সদস্য আবুল কালাম, মানুষ মহানগরের সদস্য সচিব, এডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি মোঃ জব্বার, মোঃ মাইনুদ্দীন আহমেদ,
বিআরটিএর, সরকারি পরিচালক, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মাহবুবুর রহমান।
বক্তব্যে বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বিভিন্ন বক্তব্যাগন,
জাতীয় নিরাপত্তায় এই দিবসে, সবাইকে সচেতনামূলকভাবে গাড়ি চালানোর নির্দেশ প্রদান করেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা জেলা প্রশাসক, সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, পরিবহন সেক্টরের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সড়কের আশেপাশে বাজার হাট, অটো চালিত সিএনজির ব্যাপয়ারা ভাবে বাড়ার কারণে , দেশে বিভিন্ন স্থানে পরিবহন সেক্টর এর দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে বলে জানান,
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে, জানান যে তারা যখন অভিযানের জান তখন দেখতে পান, হেল্পার ড্রাইভার মাদকে নিচ্ছেন, তাই পরিবহন সেক্টর মালিকদের কে অনুরোধ জানান, কুরে ওখানে গাড়ি চালানোর জন্য যাকে দেওয়া হবে তাকে যেন যাচাই-বাছাই করে দেওয়া হোক,
সংসদ সদস্য জানেন যে আগে আমাদের নিজেদেরকে সংশোধন হইতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বিরামপুর-নবাবগঞ্জ সড়কের পাশে অবস্থিত ছোট মহেশপুর গ্রামের একটি নয়নজলিতে (ছোট জলাশয়) সারি সারি লাল শাপলা ফুটে উঠেছে। উজ্জ্বল সবুজ পাতার মাঝে লাল শাপলার এই অসাধারণ সমাহার একটি দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করেছে। ব্যস্ত সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যটি চোখে পড়তেই অনেক পথচারী থমকে দাঁড়িয়ে যান। ক্লান্তি ভুলে, কয়েক মুহূর্তের জন্য হলেও শাপলার এই রূপ সকলের মনকে মুগ্ধ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছু যুবকের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগের ফলে সাধারণ একটি জলাশয় এখন আকর্ষণীয় সৌন্দর্যকেন্দ্রে রূপান্তরিত হয়েছে। প্রায় তিন বছর আগে, অবসর সময়ে আড্ডা ও বিশ্রামের জন্য ওই নয়নজলির পানির ওপর বাঁশ দিয়ে একটি ছোট টং ঘর নির্মাণ করেন তাঁরা। পরবর্তীতে, জায়গাটির সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সেখানে শাপলা গাছ রোপণ করেন এবং নিয়মিত পরিচর্যা শুরু করেন। ধীরে ধীরে শাপলার বংশবিস্তার ঘটে এবং জলাশয়টি লাল শাপলার অভয়ারণ্যে পরিণত হয়।
কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আয়োজন বা বড় ব্যয়ের প্রয়োজন ছাড়াই, কেবল নিজেদের সদিচ্ছা ও পরিচর্যায় যুবকদের এই নান্দনিক উদ্যোগ এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশকে নতুন মাত্রা প্রদান করেছে।
জলাশয়ের এই রূপ নিয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মী রোকনুজ্জামান রোকন মন্তব্য করেন, "পথের ধারে এমন শাপলার সমাহার সচরাচর চোখে পড়ে না। এখানে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ চোখ জুড়ানো যায়, যা যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি দূর করে মনে প্রশান্তি এনে দেয়।" তিনি স্থানীয় যুবকদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, "তাদের এই নিরলস প্রচেষ্টা পথচারীদের চলাচলের পথে বাড়তি আনন্দ যোগ করছে।"
স্থানীয় এক যুবক জানান, অবসর সময় কাটানোর জন্য প্রথমে বাঁশ দিয়ে টংঘর তৈরি করা হলেও পরে শাপলা গাছ লাগিয়ে এর সৌন্দর্য বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। তিনি বলেন, "পথচারীরা ফুল দেখে আনন্দ পান—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।"
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস জানান, সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতের সময় এই লাল শাপলার সৌন্দর্য তাঁরও নজর কাড়ে। তিনি স্থানীয় যুবকদের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, "সবাই যদি একটু সচেতন থাকে, তবে এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দীর্ঘদিন ধরে রক্ষা করা সম্ভব।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চগড়, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : মেঘ সরে যাওয়ার পর পঞ্চগড়ের আকাশে দৃশ্যমান হয়েছে হিমালয়ের তুষারাবৃত পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা। গত তিন দিন ধরে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন স্থান থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ এই পর্বতশৃঙ্গ। দূরের আকাশে বরফে মোড়া পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য দেখে প্রকৃতিপ্রেমীরা উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছেন। কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন, আবার কেউ ক্যামেরায় কাঞ্চনজঙ্ঘার অসাধারণ ছবি ধারণ করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সেই ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
আজ সকালে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্পষ্টভাবে দেখা গেছে কাঞ্চনজঙ্ঘা। মেঘমুক্ত নীল আকাশের পটভূমিতে দূরের বরফঢাকা পর্বতশৃঙ্গের শুভ্র চূড়া প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এমন পরিষ্কার দৃশ্য পেয়ে অনেকেই নিজেদের উচ্ছ্বাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাগ করে নিচ্ছেন।
কাঞ্চনজঙ্ঘা হিমালয় পর্বতমালার একটি বিখ্যাত পর্বতশৃঙ্গ, যার উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮ হাজার ৫৮৬ মিটার। এটি বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এবং ভারত ও নেপালের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলে খালি চোখেই দেখা যায় এই দূরবর্তী পর্বতশৃঙ্গ।
ভোরের সূর্যের আলো যখন বরফ ঢাকা পর্বতের চূড়ায় পড়ে, তখন কখনো লালচে, কখনো গোলাপি, আবার কখনো ঝকঝকে শুভ্র রূপে ধরা দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘা। তবে প্রতিদিন এই দৃশ্য দেখা সম্ভব নয়। মেঘ, কুয়াশা, বাতাসের জলীয়বাষ্প এবং দৃশ্যমানতার ওপর নির্ভর করে পর্বতশৃঙ্গটি কতটা স্পষ্ট দেখা যাবে। সাধারণত বর্ষা শেষে আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু করলে পঞ্চগড় থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
কাঞ্চনজঙ্ঘার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে নিজেদের মুগ্ধতার কথা তুলে ধরছেন স্থানীয় ফটোগ্রাফার ও প্রকৃতিপ্রেমীরা।
ফটোগ্রাফার ফিরোজ আল সাবাহ নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে কাঞ্চনজঙ্ঘার কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ! আবার মাউন্ট এভারেস্ট! বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ক্যামেরা দিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট এর ছবি তুললাম! গল্প-ছবি আসবে একটু পরে! কত নির্ঘুম রাত, কত প্রতীক্ষা! অবশেষে ধরা দিল সাগরমাথা!’
স্কুল শিক্ষক শাওন ইমরান ফেসবুক পোস্টে কাঞ্চনজঙ্ঘার ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে দেখতে বিদ্যালয় যাই। আজ সম্পূর্ণ পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।’
মঈন উদ্দীন নামের একজন ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আজকে বাসার সামনে থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখলাম। আলহামদুলিল্লাহ।’
প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্যের প্রতীক কাঞ্চনজঙ্ঘাকে ঘিরে প্রতিবছরই পঞ্চগড়ে পর্যটকদের আগ্রহ তৈরি হয়। আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে হিমালয়ের বরফঢাকা শৃঙ্গ দেখার এই সুযোগ স্থানীয়দের পাশাপাশি দূরদূরান্তের ভ্রমণপ্রেমীদেরও আকৃষ্ট করে। তবে মেঘ ও কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে।
গত দুর্গাপূজার ছুটিতে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার আশায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পঞ্চগড়ে এসেছিলেন বিপুলসংখ্যক পর্যটক। বিশেষ করে তেঁতুলিয়া ও আশপাশের দর্শনীয় স্থানগুলোতে তাদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু সে সময় আকাশে মেঘ থাকায় কাঙ্ক্ষিত পর্বতশৃঙ্গের দেখা পাননি অনেকে। ফলে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হয় তাদের। বর্তমানে টানা তিন দিন ধরে কাঞ্চনজঙ্ঘা দৃশ্যমান থাকায় প্রকৃতিপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে আনন্দ ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানিয়েছেন, আকাশ মেঘমুক্ত থাকায় বর্তমানে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের আবহাওয়া আরও এক থেকে দুই দিন থাকতে পারে। তবে আগামী ৩১ অক্টোবর আকাশে মেঘের সম্ভাবনা রয়েছে। মেঘ তৈরি হলে কাঞ্চনজঙ্ঘা আবারও আড়ালে চলে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে পর্বতশৃঙ্গটি দেখা নাও যেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জমকালো আয়োজনে পালিত হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় কাউখালী উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে দলের দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।
উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান তালুকদার মামুনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব শারিফুল আজম সোহেলের সঞ্চালনায় শোভাযাত্রা ও পরবর্তী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ও শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাহ ইমরান ফারুক, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত তালুকদার ও রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহিদুর রহমান ফিরোজ ও সদস্য সচিব রাকিব তালুকদার, শ্রমিক দলের সভাপতি আবু তাহের বেপারী, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী আকন, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল আলম মিল্টন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মাওলাদ হোসেন মইনসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক।
শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাজমুল হোসেন শান্ত আউট হয়ে গেলেন মুমিনুলের মতো আশা জাগিয়ে। বাংলাদেশ তৃতীয় উইকেট হারাল দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই।
শান্ত এলবিডব্লিউ হয়েছেন ওয়ারিক্যানের বলে সুইপ করতে গিয়ে, ভাঙল ৮৫ বলে ৪২ রানের জুটি। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার ৪২ বলে ১৯ রান করে আউট হয়েছেন। বাংলাদেশ ১১০ রানে তৃতীয় উইকেট হারায়।
এর কিছুক্ষণ আগে সাদমান ক্যারিয়ারের দশম ফিফটি পূর্ণ করেছেন। সময়ের সাথে সাথে তার ব্যাটিং হয়ে উঠছে সাবলীল।
সবশেষে ৪৩ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩৫। সাদমান ১১১ বলে ৫৭ রান এবং নতুন ব্যাটার তাওহিদ হৃদয় ৩৪ বলে ১৯ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।
মধ্যাহ্ন বিরতির আগে তানজিদ ও মুমিনুলকে হারিয়ে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনের প্রথম সেশনটি পুরোপুরি নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান ফাঁদে পা দিয়ে আউট হয়েছেন। মুমিনুল হক বড় ইনিংসের আশা জাগিয়ে ফিরে গেছেন।
২৯ ওভারে ২ উইকেটে ৯৬ রান নিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই উইকেটশিকারী পেসার জেডেন সিলস ও স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান।
ওপেনার সাদমান ইসলাম ৮০ বলে ৫ চারে ৪২ রানে ব্যাট করছেন। নাজমুল হোসেন শান্ত ২০ বলে ১৫ রানে ব্যাট করছেন। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটি ২৮ রানের।
১০ রানে তানজিদকে হারানোর পর মুমিনুলের সঙ্গে ৫৯ রানের জুটি গড়েন সাদমান। ৫১ বলে ২৮ রানে আউট হওয়ার আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।
থিতু হয়ে ফিরলেন মুমিনুল
মুমিনুল হক উইকেটে থিতু হয়ে বড় ইনিংসের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। কিন্তু এবারও ইনিংসটি বড় করতে পারলেন না। তার বিদায়ে ভাঙল ফিফটি জুটি।
জোমেল ওয়ারিকানের মিডল ও অফ স্টাম্প বরাবর হাওয়ায় ভাসানো বলে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে মিড অফের ওপর দিয়ে মারতে গিয়ে টাইমিং হয়নি। বল চলে যায় সরাসরি মিড অফে দাঁড়িয়ে থাকা শামার জোসেফের হাতে।
২২তম ওভারে দলীয় ৬৮ রানে বাংলাদেশ দ্বিতীয় উইকেট হারায়।
সবশেষে ২৫ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৮৫ রান। ওপেনার সাদমান ইসলামের (৬৫ বলে ৩৬*) নতুন সঙ্গী নাজমুল হোসেন শান্ত (১৩ বলে ১০*)।
বাংলাদেশের নড়বড়ে শুরু
শুরু থেকেই অফ স্টাম্পের বাইরে লাগাতার বল করে তানজিদ হাসানকে প্রলুব্ধ করছিলেন জেডেন সিলস। সেই ফাঁদেই আটকা পড়লেন তানজিদ। দলের সপ্তম ওভারে খোঁচা মেরে স্লিপে ধরা পড়েছেন বাঁহাতি ওপেনার। বাংলাদেশ শুরুতেই নড়বড়ে হয়ে গেছে।
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন প্রথম সেশনে ১০ রানে প্রথম উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। ২৩ বলে ৭ রান করে ফিরলেন তানজিদ।
সবশেষে ১০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৯ রান। ২৮ বলে ৮ রানে খেলছেন আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক ৯ বলে ২ রানে ব্যাট করছেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টস ভাগ্যে হাসল বাংলাদেশ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
ম্যাচের একাদশে মুশফিকুর রহিম নেই। আগের দিন নেটে ব্যাটিংয়ের সময় বলের আঘাত পান তিনি। তার জায়গায় একাদশে তাওহিদ হৃদয়।
দলে তিন স্পিনার রয়েছেন— তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। পেসার হিসেবে আছেন হাসান মাহমুদ ও শরীফুল ইসলাম।
আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে সিরিজের দুই ম্যাচেই জয়ের বিকল্প নেই। কাজটি নিশ্চিতভাবেই অনেক কঠিন। তবে সেই লক্ষ্যেই মাঠে নামছে টাইগাররা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতলে পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে যাবে। অন্যদিকে, ফাইনালে উঠার কোন সুযোগ নেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের। বর্তমানে পয়েন্ট তালিকায় অষ্টম স্থানে আছে ক্যারিবীয়রা। এজন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এগিয়ে থেকেই সিরিজ খেলতে নামবে বাংলাদেশ।
চলতি বছর বাংলাদেশ মাত্র একটি টেস্ট সিরিজ জিতেছে। নিজেদের প্রথম টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এরপর জিম্বাবুয়ের কাছে একমাত্র টেস্ট হারায় টাইগাররা।
গত আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জয় দিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে হেরে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে টাইগাররা। এরপর চলতি মাসে আবু ধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও, মুখোমুখি লড়াইয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত ১১ টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর মধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে দুই সিরিজ। ২০০৯ ও ২০১৮ সালে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জিতে টাইগাররা।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের বিপক্ষে আটটি টেস্ট সিরিজ জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একটি সিরিজ ড্র হয়েছে।
এছাড়া ২২ টেস্টে মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশ জিতেছে ৫টিতে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ জয় পায় ১৫টিতে। ২টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
সর্বশেষ ২০২১ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বাংলাদেশ একাদশ: নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ: জন ক্যাম্পবেল, ব্র্যান্ডন কিং, তেজনারাইন চান্দারপল, কাভেম হজ, আমির জাঙ্গু, রস্টন চেইস, জাস্টিন গ্রেভস, জশুয়া বিশপ, শামার জোসেফ, জোমেল ওয়ারিকান, জেডেন সিলস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ