০৫:৩৪ পি.এম
বাংলাদেশ সচিবালয়ের অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয় চোরাই তামার তার।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন রঞ্জন চন্দ্র (২৫) এবং রেজাকুল ইসলাম (৩২)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা চুরি করা তামার তার ভাঙারির দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকার দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম বিক্রি করেছেন।
আরও পড়ুন: ত্রয়োদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে
সিটিটিসি জানায়, সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের তার চুরির একটি স্পর্শকাতর ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে একটি মামলা দায়ের করা হলে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করে।
ঘটনার গুরুত্ত্ব এবং সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ এ নিয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য এবং গোপন সূত্রের ভিত্তিতে সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে বৃহস্পতিবার দুপুরে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায় রঞ্জন চন্দ্র স্বীকার করেন, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি ওই তার চুরি করেন। এবং পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করে দেন।
রঞ্জনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একুশে হলের সামনের ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং পরে তার দেখানো মতে চকবাজার থানার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হোসেনী দালান রোডের একটি ভাঙারির গুদাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত
প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে সিটিটিসি ধারণা করছে, সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরির সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে। এই চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
