প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ৩৫টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে, যদি এখনই ক্রয়চুক্তি সম্পন্ন না হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি আগামী কয়েক বছরে উড়োজাহাজ সংকটে পড়তে পারে।
রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।
সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় কমিটির সদস্যরা সব ধরনের কেনাকাটা ও প্রকল্প গ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, গত ২০ বছরে জবাবদিহির ধারাবাহিকতা না থাকার কারণে পরিকল্পনাহীনভাবে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার প্রতিটি ক্রয়প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ভূমিকা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ।
বিমান কেনার প্রসঙ্গে তিনি জানান, নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সম্পন্ন করে বহরে যুক্ত করতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগবে। এই সময়ের মধ্যে বর্তমানে ব্যবহৃত উড়োজাহাজগুলো ধীরে ধীরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। তাই এখনই উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি হতে পারে।
মন্ত্রী দাবি করেন, উড়োজাহাজ কেনার জন্য সরকারকে সরাসরি অর্থ ব্যয় করতে হবে না। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিজস্ব আয় থেকে ধাপে ধাপে এ অর্থ পরিশোধ করবে। সরকার শুধু গ্যারান্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
অতীতে কেনা অপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও অন্যান্য সামগ্রীর বিষয়ে যথাযথ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে।
বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ জন্য প্রায় ২ হাজার একর জমির প্রয়োজন হবে। বড় আকারের উড়োজাহাজ ওঠানামার উপযোগী রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন