১০:২৪ পি.এম
আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ নাইজেরিয়ায় গত এক বছরে সেনাবাহিনী ১৩ হাজারেরও বেশি সন্ত্রাসীকে নির্মূল করেছে।
নাইজেরিয়ার ‘গণতন্ত্র দিবস’ উদ্যাপন উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবু।
শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।
আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী
প্রেসিডেন্ট টিনুবু আরও জানান, ২০২৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৮১ শতাংশ কমে গেছে। ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন সেফ করিডোর’ কর্মসূচির আওতায় এক লাখ ২৪ হাজার সন্ত্রাসী অস্ত্র সমর্পণ করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটিতে স্বেচ্ছায় অস্ত্র সমর্পণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের পুনর্বাসন করা যায়।
নাইজেরিয়াতে ১৯৯৯ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এবং একাধিক বছরের সামরিক শাসনের অবসানের স্মরণে এ দিবসটি পালন করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত নাইজেরিয়া বর্তমানে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সংকটে রয়েছে। দেশটিতে আল কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেট-সংলগ্ন গোষ্ঠীগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধী চক্র সাধারণ জনতাকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করছে। স্কুল, গির্জা এবং মসজিদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানও এসব ঝুঁকিতে রয়েছে।
এছাড়া, শুরুতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম উত্তরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তারা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ঘন বনাঞ্চলকে ব্যবহার করে হামলা চালানো শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ
সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, সেনাবাহিনীর অভিযানের ফলে গোষ্ঠীগুলো পুরনো স্থান ছেড়ে নতুন স্থানে তাদের ঘাঁটি গড়ে তুলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন