ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা মাদারীপুরের ইউপি চেয়ারম্যানের, সঙ্গে ৯ সদস্য ও শতাধিক নেতাকর্মী


আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা মাদারীপুরের ইউপি চেয়ারম্যানের, সঙ্গে ৯ সদস্য ও শতাধিক নেতাকর্মী

মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অমিত হোসেন কবির আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তার সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন সদস্য এবং শতাধিক নেতাকর্মী-সমর্থকও দল থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দিয়েছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে চেয়ারম্যানের নিজ বাসভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সব ধরনের সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন অমিত হোসেন কবির।

এ সময় উপস্থিত থেকে মৌখিকভাবে দল থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দেন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আমির হোসেন, মো. পায়েল বেপারী, মো. রুহুল হাওলাদার, মো. মিল্টন মিয়া, মো. রফিকুল হাওলাদার, মো. রিন্টু, মো. জসিম, মো. হুমায়ুন কাজী এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য মোসা. হাওয়া বেগম। তাদের এ সিদ্ধান্তে শতাধিক নেতাকর্মী-সমর্থক সমর্থন জানান।

আরও পড়ুন: কক্সবাজার সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আশেক উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান

সংবাদ সম্মেলনে অমিত হোসেন কবির বলেন, “জনগণের সেবা এবং তাদের পাশে থাকার লক্ষ্যেই আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতাম। বর্তমান পরিস্থিতিতে দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় আমি আওয়ামী লীগের সব ধরনের পদ ও রাজনৈতিক পরিচয় থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ থেকে দলের সঙ্গে আমার কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা থাকছে না।”

তিনি আরও বলেন, “আমি জনগণের ভোটে দুইবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার প্রধান দায়িত্ব। বর্তমান বাস্তবতায় নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি দলের সঙ্গে থেকে জনগণের কল্যাণে কার্যকরভাবে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই আমি দল থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। আমার সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন সদস্যও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতাকর্মীরা চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানান।

উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত রাজনৈতিক বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক জিসান নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরও নিঃসঙ্গ মমতা এবার হাত ছাড়লেন দীর্ঘদিনের সহযোগী মদন মিত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ পি.এম


আরও নিঃসঙ্গ মমতা এবার হাত ছাড়লেন দীর্ঘদিনের সহযোগী মদন মিত্র

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বস্ত সারথি ও সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্র এবার দলের নেত্রীর হাত ছাড়লেন।কলকাতার সাবেক মেয়র ফিরহাদ হাকিম, সাবেক অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং সাবেক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পর কামারহাটির এই প্রভাবশালী বিধায়কের দলত্যাগের কারণে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিকভাবে আরও নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েছেন।

বুধবার, ১৫ জুলাই, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যােপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দেন মদন মিত্র।

এদিন সকালে কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সরাসরি রাজ্য বিধানসভায় পৌঁছান তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। এর মাধ্যমে মদন মিত্র সরাসরি দলটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী তথা ‘আসল তৃণমূল’ শিবিরে নিজের নাম লেখান।

দলত্যাগের ঘোষণা দিয়ে মদন মিত্র সাংবাদিকদের বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্মান ও ধন্যবাদ জানিয়ে বলছি, আজ এই মুহূর্ত থেকে তার তৃণমূলের ন্যাশনাল কমিটির চিফ হুইপ ও ওয়ার্কিং কমিটির পদসহ সব দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিলাম। তৃণমূলেই ছিলাম, তৃণমূলেই রইলাম; শুধু এই ঘর থেকে ওই ঘরে গেলাম। ওই ঘরে হয়তো সুখের পালঙ্ক ছিল, এই ঘরে হয়তো খাটিয়া রয়েছে। তবে আমি খাটিয়াকেই বেছে নিলাম।"

মদন মিত্রকে পাশে বসিয়ে বিদ্রোহী শিবিরের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আমাদের সামগ্রিক লড়াই মূলত একক আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে। মদন মিত্রের মতো একজন বর্ষীয়ান এবং অভিজ্ঞ নেতা আমাদের শিবিরে যুক্ত হওয়ায় আমাদের লড়াই আরও শক্তিশালী হলো।"

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলের মতে, সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারি ও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের স্ত্রী, দুই ছেলে ও পুত্রবধূকে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তলব করার পর থেকেই মমতার সঙ্গে তার দূরত্ব বাড়ছিল। আইনি ও রাজনৈতিক চাপ সামলাতেই শেষ পর্যন্ত মমতার দীর্ঘদিনের এই ঘনিষ্ঠ সহযোগী দলটির শীর্ষ নেতৃত্বকে বিদায় জানিয়ে চলে গেলেন বলে মনে করা হচ্ছে। একের পর এক শীর্ষ নেতার দলত্যাগে পশ্চিমবঙ্গে কার্যত বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহাখালী থেকে পূর্বাচলে বাস স্থানান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ পি.এম


মহাখালী থেকে পূর্বাচলে বাস স্থানান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন

রাজধানীর যানজট নিরসন ও সুশৃঙ্খল গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে পূর্বাচলে নবনির্মিত অস্থায়ী ডিপোতে বাস স্থানান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে পূর্বাচলের ৩ নম্বর সেক্টরে নবনির্মিত অস্থায়ী ডিপোতে বাস স্থানান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মহাখালী বাস টার্মিনালে প্রায় ৪০০টি গাড়ি রাখার জায়গা থাকলেও প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০টি গাড়ির আসা-যাওয়া হয়।

ফলে মূল সড়কে গাড়ি পার্কিংসহ পুরো এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

এই জনদুর্ভোগ নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং তার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের প্রধান মো. আনিছুর রহমান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমিতি, রাজউক, সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য সংস্থার সমন্বয়ে পূর্বাচলের ৩ নম্বর সেক্টরে রাজউকের মালিকানাধীন প্রায় ১০ একর জায়গাজুড়ে অস্থায়ী ডিপো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির খানসহ মহাখালী টার্মিনালের পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং সংশ্লিষ্ট সুধীजन।

উদ্বোধন শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বাস স্থানান্তর কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফারজানা নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ পি.এম


ফারজানা নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক–২০২৬-এ ‘বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সোনারগাঁ উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা রহমান, যিনি বর্তমানে ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে এ সম্মাননা তুলে দেন।

জানা গেছে, সোনারগাঁ উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিস্তার, স্বাস্থ্যসেবা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।

জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ফারজানা রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে একটি সমন্বিত উন্নয়ন কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসেন। তাঁর নেতৃত্বে উপজেলার ১১৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চালু করা হয় ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি। পাশাপাশি বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাল করতে ১৫টি বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট চালু করার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিতে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে ৪৫ জন শিক্ষার্থীকে মৌলিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ-পরবর্তী অনুশীলনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে ল্যাপটপও বিতরণ করা হয়েছিল।

শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, নেতৃত্ব ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে প্রথম শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য চালু করা হয় ‘বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্ড’, যার মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অগ্রাধিকারভিত্তিক চিকিৎসাসেবা এবং বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।

বিদ্যালয়ভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাল্যবিবাহ, মাদকবিরোধী সচেতনতা, ভূমিসেবা ও সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। কুইজ, সেমিনার এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক শিক্ষায় উৎসাহিত করে।

শিক্ষার্থীদের আর্থিক বৈষম্যের কারণে যেন শিক্ষা ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্য নিয়ে শতভাগ স্কুল ইউনিফর্ম নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী ইউনিফর্ম, জুতা, ব্যাগ, খাতা ও কলম বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলোতে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে ডাস্টবিন সরবরাহ, শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, ফুলের বাগান তৈরি, ফলজ গাছ রোপণ এবং মনোরম শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হয়।

অভিভাবকদের জন্য বিদ্যালয়ে ‘অভিভাবক ছায়াতল’ নির্মাণ, নিয়মিত ক্লাস্টারভিত্তিক বিদ্যালয় পরিদর্শন, সমস্যা চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক সমাধান, মাঠ ভরাট, সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ, গাইড ওয়াল ও প্যালাসাইডিং স্থাপনসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমও তাঁর নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হয়। এছাড়া খেলাধুলাকে উৎসাহিত করতে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ এবং ফুটবল টুর্নামেন্টের জন্য জার্সি দেয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন বছরে বন্ধ হয়েছে ৪ হাজার ৮টি বাল্যবিবাহ: মহিলা ও শিশু মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০১ পি.এম


তিন বছরে বন্ধ হয়েছে ৪ হাজার ৮টি বাল্যবিবাহ: মহিলা ও শিশু মন্ত্রী

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইন, নীতিমালা ও জাতীয় কর্মপরিকল্পনার আলোকে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জানান, গত তিন বছরে (জুলাই ২০২৩-জুন ২০২৬) সারা দেশে মোট ৪ হাজার ৮টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য সাবিকুন্নাহারের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭, বাল্যবিবাহ নিরোধ বিধিমালা, ২০১৮ এবং বাল্যবিবাহ নিরোধকল্পে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০১৮-২০৩০) প্রণয়ন করা হয়েছে। এসবের আলোকে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘Accelerating Action to End Child Marriage in Bangladesh (Phase-II)’ প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ও বিধিমালার আওতায় গঠিত জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং কমিটির সভা নিয়মিত করা, জাতীয় পর্যায়ে বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটির সভা আয়োজন, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর পর্যালোচনা কার্যক্রম শুরু, বিবাহ নিবন্ধক, কাজী, ঘটক, ধর্মীয় নেতা ও নোটারি পাবলিকের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে জেন্ডার প্রমোটারদের মাধ্যমে কমিউনিটি সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে জনসচেতনতা সৃষ্টি।

মন্ত্রী আরও জানান, তাৎক্ষণিক ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদানকারী নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জাতীয় হেল্পলাইন ১০৯ (টোল ফ্রি) এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ৯৫টি ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেল নারী ও শিশু নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ করছে।

তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তারা উঠান বৈঠকের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও তদারকি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

মন্ত্রী জানান, জেলা ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের উদ্যোগে ২০২৪ সালে ১ হাজার ৪১৭টি, ২০২৫ সালে ১ হাজার ১২৩টি এবং ২০২৬ সালে ৩৬৪টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%