শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২৭ পি.এম
পাবনার সদর উপজেলায় বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে ছয়জনের মর্মান্তিক মৃত্যু এবং তিনজনের আহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।
শুক্রবার, গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই শোক প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ৩০ অক্টোবর বিকেলে পাবনা সদর উপজেলার গোবিন্দপুরের সোনাপাতি বিলে বৃষ্টির সময় আশ্রয় নিতে গিয়ে বজ্রপাতে ছয়জন কিশোর ও তরুণের মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহর কাছে নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তাআলা তাদের শহীদ হিসেবে কবুল করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দান করুন। একই সঙ্গে বজ্রপাতে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় একটি করে স্পোর্টিং ক্লাব ও একাডেমি গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ, সুন্দর ও শৃঙ্খলিত সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর পল্লবীর ৩ নম্বর ওয়ার্ডে যুবসমাজ ও পল্লবী থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে ১২টি স্পোর্টিং ক্লাব ও একাডেমির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চাই, পল্লবী ও রূপনগরের প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় একটি করে স্পোর্টিং ক্লাব ও একাডেমি গড়ে উঠুক। শুধু ক্লাব গঠন করলেই হবে না, সারা বছর নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন করতে হবে। এ জন্য খেলাধুলার প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও সার্বিক সহযোগিতা সরকারিভাবে এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেওয়ার ব্যবস্থা করব।’
তরুণদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, যুবসমাজ চাইলে সমাজের সব ধরনের বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি শৃঙ্খলিত সমাজ গড়ে তুলতে পারে। তরুণরা খেলাধুলায় মনোযোগী হলে মাদকসহ সামাজিক অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে। তিনি দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে এ সামাজিক পরিবর্তনে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
পল্লবী ও রূপনগরে পাঁচটি ফুটসাল মাঠ নির্মাণের অনুমোদন পাওয়া গেছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্রুত এসব মাঠের কাজ শুরু হবে। এ ছাড়া রূপনগরের একটি মাঠকে খেলার উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওই জায়গায় ৩২টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া থাকায় বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্লটের বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অন্য জায়গায় প্লটের ব্যবস্থা করে দিলে তাঁরা মাঠের জন্য জায়গাটি ছেড়ে দিতে সম্মত হয়েছেন।
তিনি বলেন, বিষয়টি বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগবে। তবে মাঠটি খেলার উপযোগী করতে সেখানে কৃত্রিম ঘাস, চারপাশে সীমানাপ্রাচীর ও আলোর ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, এলাকার মানুষের পানির সংকট সমাধানে কয়েকটি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। আরও কয়েকটি স্থানে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি এলাকার সামাজিক সমস্যাগুলো সমাধানেও তিনি কাজ করছেন।
চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যারা অন্যায় করে, চাঁদাবাজি ও দখলের সঙ্গে জড়িত, তাদের কাউকেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। সে যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। কেউ আমার নাম কিংবা দলের নাম ব্যবহার করে অন্যায় করলে সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাবেন। তাদের আইনের হাতে তুলে দেওয়া হবে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অপপ্রচারের পথে না গিয়ে সত্যকে ধারণ করতে হবে। একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
আমিনুল হক আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম ইতিমধ্যে পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ডে শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রকৃত অসহায় ও সুবিধাপ্রাপ্য পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করতে স্থানীয়দের সহযোগিতা চান তিনি।
অনুষ্ঠানে নগর বিএনপি নেতা গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ, মাহবুব আলম মন্টু, কর্মসূচির আয়োজক পল্লবী থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ হাসান সোহেলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিকেলে মিরপুর সেকশন-১১-এর ব্লক-বি আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মসজিদুল হুদা কমপ্লেক্স ও ডুইপ প্লটে তিনটি গভীর নলকূপ এবং তালাব ক্যাম্পে মৃত ব্যক্তিদের গোসলের জন্য নির্মিত গোসলখানা উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার সক্ষমতা এবং নির্ভরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নবনির্মিত কালিয়াকৈর-শম্ভুগঞ্জ ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং শম্ভুগঞ্জ ৪০০/১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র চালু করা হয়েছে।
এই অবকাঠামোটি পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংদেনিং প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হয়েছে এবং আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সফলভাবে চালু করা হয়।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, নতুন লাইন ও উপকেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হওয়ার ফলে উত্তর-মধ্যাঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে, যা প্রায় ২০ লাখ মানুষের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সঞ্চালন লাইনটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার ফলে ময়মনসিংহ সদর, মুক্তাগাছা, ত্রিশাল ও নেত্রকোনার কিছু অংশে দীর্ঘদিনের লো-ভোল্টেজ সমস্যা অনেকাংশে সমাধান হয়েছে। পূর্বে গ্রীষ্মকালে সংশ্লিষ্ট ১৩২ কেভি নেটওয়ার্কের ভোল্টেজ সর্বনিম্ন ১০২ থেকে ১০৫ কেভিতে নেমে আসলেও বর্তমানে তা বেড়ে ১২০ থেকে ১২১ কেভিতে উন্নীত হয়েছে। এছাড়া, গ্রীষ্ম মৌসুমে ওই অঞ্চলের ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সঞ্চালনগত যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা-ও দূর হয়েছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ আরও জানায়, নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে বছরে গড়ে ১ দশমিক ৫ থেকে ২ শতাংশ পর্যন্ত সিস্টেম লস কমতে পারে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহের ভিত্তি মজবুত হওয়ার ফলে ময়মনসিংহ অঞ্চলের শিল্পকারখানা, অর্থনৈতিক অঞ্চল, তৈরি পোশাকশিল্প ও রাইস মিলসহ বিভিন্ন উৎপাদনমুখী খাতের সম্প্রসারণে বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে কোনো স্পষ্ট বিজয়ী বের হয়নি। দেশটির পার্লামেন্ট, যা নেসেট (Knesset) নামে পরিচিত, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন কোনো একক দল বা জোট নিশ্চিত করতে পারেনি। এর ফলে ইসরায়েলি রাজনীতিতে তীব্র রাজনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এই গভীর সংকট কাটিয়ে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া কিভাবে এগোবে, তা নিয়ে বর্তমানে চলছে নানা আলোচনা।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই স্থবিরতা ভাঙার জন্য কয়েকটি সম্ভাব্য পথ উঠে এসেছে:
১. রাষ্ট্রপতির মধ্যস্থতায় সরকার গঠনপ্রক্রিয়া:
আনুষ্ঠানিক চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর, প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জগ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন। এরপর তিনি এমন একজন রাজনৈতিক নেতাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন, যাঁর পক্ষে কোয়ালিশন বা জোট গঠনের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে। যদি প্রথম মনোনীত প্রার্থী ব্যর্থ হন, তবে অন্য কোনো নেতাকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে নেসেটও সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কাউকে মনোনয়ন দিতে পারে।
২. জাতীয় ঐক্য সরকার (Unity Government):
বিশ্লেষকদের কিছু অংশের মতে, বর্তমান সংকট থেকে বের হতে একটি জাতীয় ঐক্য সরকার গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে। এই ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ দল এবং বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মধ্যপন্থী ও ডানপন্থী দলগুলোকে নিয়ে একটি যৌথ কোয়ালিশন সরকার গঠনের আলোচনা হতে পারে। তবে এর জন্য শীর্ষ পদগুলোতে নেতৃত্ব ভাগাভাগির বিষয়ে কঠিন সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে।
৩. পুনঃনির্বাচন (Another Election):
রাজনৈতিক দলগুলোর অনড় অবস্থান এবং পরস্পরবিরোধী স্বার্থের কারণে যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সরকার গঠিত না হয়, তবে ইসরায়েলবাসীকে নতুন একটি নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হতে পারে। প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জগ রাজনৈতিক দলগুলোকে খোলা মন নিয়ে আলোচনায় বসার এবং যেকোনো মূল্যে আরেকটি নির্বাচন এড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
ইসরায়েলের সংঘাতময় রাজনৈতিক ইতিহাসে এই অচলাবস্থা দেশটির নীতি-নির্ধারণী ক্ষেত্রকে দীর্ঘমেয়াদী অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত দলগুলোর পারস্পরিক ছাড় দেওয়ার মানসিকতাই তেলআভিবের পরবর্তী রাজনৈতিক দৃশ্যপট নির্ধারণ করবে। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাট, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ : দুর্যোগকালীন মানুষের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন ও শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
আজ শুক্রবার লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের বানিয়াটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণ করলেই যথেষ্ট নয়, শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত অবকাঠামো, শিক্ষা উপকরণ, পোশাক ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান প্রত্যাশিত পর্যায়ে না পৌঁছানোর কারণ খুঁজে বের করতে হবে। এজন্য শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল ও আন্তরিক হতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা এখানে নিরাপদ আশ্রয় নিতে সক্ষম হবেন।
শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী জানান, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে আসার পথে তিনি একটি কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন। সেখানে জরাজীর্ণ ভবনে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করলেও তাদের ফলাফল সন্তোষজনক। শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন মাত্র ৩০০ টাকা এবং শিক্ষকদের বেতনও সন্তোষজনক নয় বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
তিনি আরও বলেন, অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উন্নত ভবন, শিক্ষার্থীদের পোশাক, খাবার, বিনামূল্যে বইসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। শিক্ষকদের বেতন-ভাতাও তুলনামূলক ভালো। এরপরও শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত ফলাফল নিশ্চিত না হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। শুধুমাত্র অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, পাঠদানের মান ও শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতিও নিশ্চিত করতে হবে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে তাদের আগে দেয়া ২২ দফা নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। সময়ের সঙ্গে শিক্ষাদান পদ্ধতি ও চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন আনতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন মানসম্মত শিক্ষার অভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছেড়ে অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে বাধ্য না হয়, সেদিকে শিক্ষকদের বিশেষ নজর দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাস এবং এলজিইডির সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইনছাফুল হক সরকারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ