প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি চীনের হাতে পৌঁছানোর ঘটনা ঘটেছে, যা একটি সতর্কতামূলক ই-মেইল নজরে না আসার কারণে হয়েছে। এই ঘটনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে ব্লুমবার্গের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, একটি চালানের মধ্যে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের ককপিটের ক্যানোপি এবং অস্ত্র রাখার বগির দরজা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব যন্ত্রাংশে রাডার তরঙ্গ শোষণকারী বিশেষ উপাদান ব্যবহার করা হয়েছিল। চালানটির সঙ্গে একটি সতর্কতা ছিল যে, যন্ত্রাংশগুলো হংকং হয়ে পরিবহন করা যাবে না।
ডিএসভি এ/এস নামক ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড পার্সেল সার্ভিস (ইউপিএস)-কে ই-মেইলের মাধ্যমে এই বিষয়ে সতর্ক করেছিল। তবে জানা গেছে, ইউপিএসের সংশ্লিষ্ট কর্মী সেই বার্তাটি দেখতে পাননি।
একটি সূত্র জানায়, ডিএসভির পাঠানো ই-মেইলটি ইউপিএসের কর্মীর ব্যবহৃত সিস্টেমের ভিন্ন একটি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রেরিত হয়েছিল। এই কারণে সতর্কতাটি নজর এড়িয়ে যায়।
চালানটি মূলত দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া থেকে চালানটি ছাড়তে দেরি হওয়ায় ভুলক্রমে দ্রুত সরবরাহের জন্য হংকংয়ের পথে পাঠানো হয়।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এফ-৩৫ বিমানের যন্ত্রাংশগুলো গত মে মাসের শেষ দিকে সম্ভাব্য মেরামত বা ধ্বংসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হচ্ছিল। তবে হংকংয়ে পৌঁছানো দুই যন্ত্রাংশের গায়ে রাডার-শোষণকারী উপাদান ছিল, যা এফ-৩৫-এর স্টেলথ সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই ঘটনার তদন্ত করছে পেন্টাগন ও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। মার্কিন আইনপ্রণেতারাও অস্ত্র সরবরাহের বৈশ্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ভুল পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
এফ-৩৫ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন জানিয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট পরিবহন অংশীদারের সঙ্গে কাজ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধের জন্য ব্যবস্থা জোরদার করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন