বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:০৭ পি.এম
হরমুজ প্রণালীর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মার্কিন দাবিকে ‘ভিত্তিহীন ও মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ইরানের সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, এই কৌশলগত জলপথ এখনো ইরানের ‘পূর্ণ ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতর এক বিবৃতিতে এসব কথা জানায়। এই বিবৃতিটি ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচার করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাভাবিকতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ‘মিথ্যাচার ও ভিত্তিহীন মিথ্যা’। এর পেছনে ইরানি সামরিক কমান্ডের ভাষ্য, মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘অসহায়ত্ব ও বিভ্রান্তি’ থেকেই এমন দাবি করা হচ্ছে।
ইরানের সামরিক মুখপাত্র বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী আগের মতোই ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পূর্ণ ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ‘ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর অনুমোদন ও তত্ত্বাবধান ছাড়া কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ বা তেলবাহী ট্যাঙ্কার নিরাপদে এই প্রণালী অতিক্রম করতে পারবে না।’
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। তাই প্রণালীটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি অবস্থান আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এর আগে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিভিন্ন দাবি ও পদক্ষেপের কথা জানানো হয়েছে। তবে ইরান বলছে, প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই রয়েছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১০ লাখ টাকার বিনিময়ে কিডনি বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে নেপালে নিয়ে এক ব্যক্তির কিডনি অপসারণের ঘটনায় জয়পুরহাটের কালাইয়ে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা কিডনি কেনাবেচা চক্রের অন্যতম মূলহোতা আব্দুস সাত্তার ওরফে ছাত্তারকে (৫৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাতে বগুড়া সদরের পৌরপার্ক এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালাই থানার তদন্ত কর্মকর্তা দীপেন্দ্র নাথ সিংহ।
গ্রেপ্তার আব্দুস সাত্তার কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের লওনা বহুতি গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার খলিফার ছেলে।
পুলিশ জানায়, কিডনি কেনাবেচাসহ বিভিন্ন অভিযোগে আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে কালাই থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মন্টু মিয়া আর্থিক সংকটে ছিলেন। তাঁর অসচ্ছলতার সুযোগ নিয়ে একটি দালালচক্র কিডনি বিক্রির বিনিময়ে তাঁকে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। প্রস্তাবে রাজি হওয়ার পর তাঁকে ঢাকায় নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়। পরে কিডনি প্রতিস্থাপনের কথা বলে তাঁর পাসপোর্ট তৈরি করা হয়।
চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মন্টু মিয়াকে অগ্রিম হিসেবে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে তাঁকে নেপালে নিয়ে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাঁর একটি কিডনি অপসারণের কয়েক দিন পর তাঁকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
দেশে ফেরার পর চুক্তি অনুযায়ী বাকি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন মন্টু মিয়া। তবে অভিযোগ, আব্দুস সাত্তারসহ চক্রের অন্য সদস্যরা তাঁকে টাকা না দিয়ে নানা টালবাহানা করতে থাকেন।
একপর্যায়ে প্রতিশ্রুত টাকা না পেয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নেন।
গত ১৩ জুন জয়পুরহাট আমলি আদালতে কিডনি বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন মন্টু মিয়া। আদালতের নির্দেশে একই দিন মামলাটি কালাই থানায় রেকর্ড করা হয়।
মামলার এজাহারে বগুড়া সদর উপজেলার নিশিন্দারা গ্রামের সাব্বির আহমেদ, শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক মল্লিকপাড়া গ্রামের সুমন আলী, কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান ও সাইদুর রহমান, লওনা বহুতি গ্রামের আব্দুস সাত্তার এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছোট হোসেনপুর রাজাগঞ্জ এলাকার তারেক আজম ওরফে বাবলু চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে তারেক আজম ওরফে বাবলু চৌধুরীকে কিডনি কেনাবেচা চক্রের ‘মহাজন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ঢাকার রায়েরবাগ এলাকায় অবস্থান করে জয়পুরহাটে দালাল নিয়োগের মাধ্যমে দরিদ্র ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কিডনি বিক্রিতে রাজি করাতেন। পরে দেশ-বিদেশে কিডনি কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হতো বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
কালাই থানার তদন্ত কর্মকর্তা দীপেন্দ্র নাথ সিংহ বলেন, কিডনি-সংক্রান্ত প্রতারণার মামলাটি থানায় গ্রহণের পর এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়। প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার দিবাগত রাতে বগুড়া সদরের পৌরপার্ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমের ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। পাকিস্থানী এই অভিনেত্রী তার নতুন নাটক ‘দার-ই-নিজাত’-এ ইংরেজি সংলাপ বলার স্টাইল নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সমালোচনার মুখে পড়েছেন। বিষয়টি কলা জগতে যথেষ্ট সমালোচনার সৃষ্টি করেছে এবং এ নিয়ে একপর্যায়ে অভিনেত্রীটি ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হয়েছেন। জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী সানাম সাইদ এ বিষয়ে দৃঢ় প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সানাম সাইদ দুরেফিশান সেলিমকে উদ্দেশ্য করে যে ধরনের ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে, সেটির তদন্ত শুরু করেন। তিনি মন্তব্য করেন, “কোনো শিল্পীর উচ্চারণ কিংবা উপস্থাপনা নিয়ে এভাবে সমালোচনায় মেতে ওঠা অস্বস্তিকর ও অযৌক্তিক।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে যেভাবে দুরেফিশানকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে, সেটিকে নির্মমতা ও অসংবেদনশীল আচরণ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।”
নাটক ‘দার-ই-নিজাত’-এ দুরেফিশান ‘জারিয়াব’ চরিত্রে অভিনয় করছেন। নাটকের গল্প অনুযায়ী, সম্ভ্রান্ত পরিবারের তরুণী যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। চরিত্রের প্রয়োজনেই তাকে উর্দু ও ইংরেজির মিশ্রণে কথা বলতে দেখা যায়।
তবে নাটকের সংলাপ এবং দুরেফিশানের ইংরেজি উচ্চারণ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কিছু দর্শক মনে করছেন, চরিত্রের সংলাপ এবং স্ক্রিপ্টে দুর্বলতা দেখা দিলে, সেটি নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা স্বাভাবিক। অন্যদিকে, অনেকের মতামত হচ্ছে, কাজের সমালোচনা করার নামে কোনো শিল্পীকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা অবশ্যই গ্রহণযোগ্য নয়।
দর্শকদের একাংশের মতে, একটি চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার ক্ষেত্রে সংলাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই চিত্রনাট্যের দুর্বলতা থাকলে তার প্রভাব অভিনয়েও পড়বো। আবার অন্যদিকে, সমালোচকদের আরেক অংশের দাবি, ব্যক্তিগত আক্রমণের পরিবর্তে চিত্রনাট্য ও অভিনয়ের ত্রুটিগুলি গঠনমূলক পন্থায় তুলে ধরা উচিত।
অভিনয়শিল্পীর প্রধান কাজ হল দর্শকের সঙ্গে চরিত্রের সম্পর্ক তৈরি করা। ফলে অভিনয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হওয়া স্বাভাবিক। তবে সেই সমালোচনা কখন ব্যক্তিগত আক্রমণে পরিণত হচ্ছে, সেটিই এখন পাকিস্তানের বিনোদন অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন: এবার শাড়িকাণ্ডে ছবি ফাঁস করলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। প্রসঙ্গত, দুরেফিশান সেলিম ‘ইশক মুর্শেদ’ নাটকে বিলাল আব্বাসের বিপরীতে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সম্প্রতি ‘কাফিল’ ধারাবাহিকেও ‘জেব’ চরিত্রে দেখা গেছে তাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেট্রোরেল যাত্রীদের জন্য একটি বড় সুখবর আসছে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) রাতে ভিড় কমাতে এবং যাত্রীদের সুবিধার জন্য মেট্রোরেলের রাতের শেষ ট্রেনের সময় বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী মাস থেকেই ট্রেনের চলাচলের সময় ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে।
বুধবার (১২ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেন ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, রাতের জন্য দুইটি ট্রেন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দিন-তারিখ শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে। ট্রেনের সংখ্যা বাড়ালে দুই ট্রেনের বিরতিও কমে যাবে।
এদিকে, সেপ্টেম্বর থেকে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় আরও ২০ থেকে ৩০ মিনিট বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে। তারা রাত ১১টা পর্যন্ত শেষ ট্রেন চালানোর লক্ষ্য নিয়েছেন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাতে সময় বাড়াতে ট্রেনের চালক বা অপারেটর বাড়াতে হবে। বর্তমানে অপারেটর নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং তাদের প্রশিক্ষণ ২৬ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এরপর তারা ট্রেন চালানো শুরু করবেন। রাতে সময় বাড়ানোর জন্য রক্ষণাবেক্ষণসহ অন্যান্য প্রস্তুতি কীভাবে করা হবে, সেই পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চলছে।
গত ৭ জুন থেকে রাতের মেট্রোরেলের চলাচলের সময় ২০ মিনিট বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু যাত্রী সংখ্যা ১০ হাজারের মতো বেড়ে যাওয়ায় এখনও প্রচুর ভিড় হচ্ছে। এই কারণে যাত্রার সময় আবারও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএমটিসিএল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক একটি ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি। আর এই ভয়ংকর ব্যাধি থেকে ইউনিয়নকে মুক্ত করতে যুব-সমাজকে খেলাধুলার প্রতি অধিক আগ্রহ বৃদ্ধি করতে হবে। খেলাধুলার মাধ্যমে গড়ে উঠবে একটি মাদক মুক্ত ইউনিয়ন। কথাগুলো বলেছিলেন বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ৩নং ভাটরা ইউনিয়নের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মাহবুর রহমান। তিনি তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডিতে এক পোষ্টের মাধ্যমে তার এই বিশ্বাস প্রকাশ করেন।
তিনি ইতিমধ্যে গত সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে ১১ টায় ইউনিয়নের প্রতিটি (৬৫টি) গ্রামে ফুটবল বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন।
চেয়ারম্যান মাহবুর রহমান বলেন, "যুব-সমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করা, মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখা, একটি সুন্দর সুস্থ মাদক মুক্ত ইউনিয়ন গড়তে আমার প্রতিশ্রুতি। সবাই মিলে খেলাধুলার মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নিতেই হবে। ইনশাআল্লাহ সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠবে মাদক মুক্ত ও এক আদর্শ ইউনিয়ন।"
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকার পতনের পর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর, ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে নিরলস ভাবে কার্য পরিচালনার জন্য সুশীল সমাজের প্রসংসায় উঠে এসেছে চেয়ারম্যান মাহবুর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ