বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৮ পি.এম
নিউইয়র্কের জ্যামাইকা এলাকার অন্যতম জনপ্রিয় মসজিদগুলোর মধ্যে একটি, মসজিদ আল আরাফা’র নতুন কমিটির কর্মকর্তারা শপথ গ্রহণ করেছেন। গত ১৬ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায়, মসজিদে অনুষ্ঠিত একটি সাধারণ অনুষ্ঠানে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির কার্যকরী কমিটির কর্মকর্তারা শপথ গ্রহণ করেন। শপথবাক্য পাঠ করান শেখ শোয়েব, যিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত কর্মকর্তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মসজিদের ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্যগণ এবং নিয়মিত মুসল্লীগণ।
সূত্রে জানা যায়, পূর্ববর্তী মামলার প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন গত ১২ আগস্ট নির্বাচনের আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। সেই অনুযায়ী আলোচনা করে নতুন কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়।
নবগঠিত ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির কর্মকর্তাগণ হলেন, সভাপতি খন্দকার তারিকুল ইসলাম, সহ সভাপতি মুহাম্মদ এ আলম, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আব্দুল্লাহ, যুগ্ম সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ এফ, ট্রেজারার সাদেক ইব্রাহীম, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন রেজা চৌধুরী এবং কার্যকরী সদস্যগণ আজহার এম চৌধুরী, মোহাম্মদ এম রহমান ও জাকারিয়া খান।
নির্বাচন কমিশনের চার সদস্যের কর্মকর্তাগণ ছিলেন এম সাইদুর রহমান, মোহাম্মদ এন আহসান, মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন তালুকদার ও মোহাম্মদ আসিফ।
শপথ অনুষ্ঠানের পর নবনির্বাচিত সভাপতি খন্দকার তারিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক শাহীন আব্দুল্লাহ সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। তাঁরা দায়িত্ব পালনে সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থনৈতিক সংকট যেন কোনো শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথে বাধা সৃষ্টি না করে, সেই মানবিক উদ্দেশ্যে আবারও পাশে দাঁড়িয়েছে কুমিল্লার পরিচিত মানবিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশন’। কলেজের ভর্তি ফি ও অন্যান্য খরচের ব্যবস্থা করার পর, এবার একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে সম্পূর্ণ বইয়ের সেট বিতরণ করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর চর্থা নবাব বাড়ি চৌমুহনীতে অবস্থিত কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের হাতে এই বইগুলো তুলে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, চলতি বছরে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম চলাকালীন আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি ফি, আনুষঙ্গিক খরচ এবং প্রয়োজনীয় বই বিতরণের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এই মানবিক সহায়তার আওতায় কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজের পাঁচজন এবং লালমাই সরকারি কলেজের একজন শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভর্তির সুযোগ ও শিক্ষা উপকরণ লাভ করেন।
বই বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজ গভর্নিং বোর্ডের পরিচালক সাইফুল ইসলাম টিপু, কলেজের অধ্যক্ষ আবু জাফর মোহাম্মদ সালমান, আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক সাদিক হোসেন মামুন।
কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজের পরিচালক ও অধ্যক্ষ মন্তব্য করেন, অর্থাভাবে কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়া সমাজের জন্য একটি বড় ক্ষতি। আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশন যেভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা প্রশংসনীয়। এই সহায়তা শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করবে।
এদিকে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম সারোয়ার দেশের বাইরে থাকায় অডিও বার্তায় জানান, কেবল কুমিল্লা নগরীতেই নয়, সংগঠনের এই শিক্ষাবৃত্তি ও মানবিক কার্যক্রমের পরিধি দিন দিন আরও বাড়ছে। বর্তমানে কুমিল্লার বুড়িচং এলাকার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে অধ্যয়নরত সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করে আসছে আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশন। দানবীর ও শিক্ষানুরাগী মরহুম জুনাব আলীর স্বপ্ন পূরণে আগামীতেও শিক্ষার আলো ছড়াতে এই পথচলা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া ইরানের কাছে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা বিক্রির জন্য সম্মতি প্রদান করেছে। এই লঞ্চারগুলো হেলিকপ্টার থেকে পরিচালিত হয় এবং এর মাধ্যমে নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা সম্ভব। ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীও এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের উৎপাদনসংক্রান্ত নথিতে ‘এপিইউ-এল’ মডেলের ৯০টি লঞ্চারের রপ্তানির আদেশের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সেখানে ক্রেতার নাম সরাসরি উল্লেখ না করে ‘কে-১০’ সাংকেতিক পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নথিতে এই সংকেত দিয়ে ইরানকে বোঝানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, এসব সরঞ্জাম ইতোমধ্যে ইরানের কাছে পৌঁছেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
লঞ্চারগুলো রাশিয়ার এমআই-২৮ মডেলের আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে স্থাপন করা যায়। প্রতিটি লঞ্চারে দুটি করে ‘এলএমইউআর’ নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। আকাশে উড্ডয়নের সময়ও এসব ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পরিবর্তন করা সম্ভব। ফলে চলমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়।
এফটির প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছে মস্কো। ‘সি৪৩০এল’ নামের একটি গোপন প্রকল্পের আওতায় রুশ প্রকৌশলীরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করেছেন। সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ভবিষ্যতে পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এর আগে ইরানের কাছ থেকে শাহেদ ড্রোন সংগ্রহ করেছিল রাশিয়া। পাশাপাশি ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে মস্কো সহযোগিতা করছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই ঘনিষ্ঠ হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য প্রভাবশালী শক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাই ক্রেমলিনের অন্যতম লক্ষ্য।
এ কারণে রুশ সামরিক সহায়তায় ইরানের সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা আঞ্চলিক সংঘাতের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবশেষে এক টেবিলে উপস্থিত হলেন দুই ‘বব’। তারা উভয়ই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম অঞ্চলের বাসিন্দা। একজন ‘বব’ হলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী বব ডিলান, যিনি মিনেসোটায় জন্মগ্রহণ করেন। অপর ‘বব’ হলেন পোপ লিও চতুর্দশ, যিনি ইলিনয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন। পোপের পারিবারিক নাম রবার্ট প্রেভোস্ট, যাকে সাধারণত বব নামে ডাকা হতো। বুধবার ভ্যাটিকানের অ্যাপোস্টোলিক প্যালেসে কবি ববের সঙ্গে পুরোহিত ববের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পোপ ঐতিহ্যবাহী সাদা ধর্মীয় পোশাক পরিধান করেছিলেন এবং বব ডিলান পরেছিলেন একটি কালো কোট, কালো গ্লাভস ও একটি কালো হুডি।
ঐতিহাসিক এই সাক্ষাতের মধ্যস্থতা করেন রেভারেন্ড আন্তোনিও স্পাদারো। তিনি ভ্যাটিকানের একজন কর্মকর্তা, যিনি চার্চের সঙ্গে বৃহত্তর সংস্কৃতির সেতুবন্ধন তৈরির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। চলতি বছরের শুরুতে পোপ লিওর সঙ্গে পাত্তি স্মিথের একটি বৈঠকেরও ব্যবস্থা করেছিলেন স্পাদারো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘ইতিহাসের অংশ হওয়া এমন একটি ঐতিহাসিক সাক্ষাতের মুহূর্তটিতে আবেগময় হয়ে না পড়াটা কঠিন ছিল। অ্যাপোস্টোলিক প্যালেসের প্রতিটি পদক্ষেপে মনে হচ্ছিল, এখানে যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে!’
৭১ বছর বয়সী পোপ লিও, যিনি শিকাগোয় জন্মগ্রহণ করেছেন, বব ডিলানের গানের ভাণ্ডার সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত। গত জুলাই মাসে প্রকাশিত তার বক্তব্য ও চিন্তাভাবনার একটি বইয়ের ভূমিকায় তিনি ১৯৬৩ সালের ডিলানের একটি অপ্রকাশিত গান ‘গো অ্যাওয়ে ইউ বোম্ব’-এর উদ্ধৃতি দিয়েছিলেন। ১৯৬৩ সালের গানটি ছিল মূলত পারমাণবিক অস্ত্রবিরোধী একটি প্রতিবাদী গান। বর্তমান পোপ লিওও ইরান যুদ্ধের তীব্র সমালোচনা করে আসছেন এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে ক্যাথলিক চার্চের বিরোধিতার ওপর জোর দিয়েছেন।
এটি ডিলানের প্রথম পোপের সঙ্গে সাক্ষাৎ নয়। ১৯৯৭ সালে ইতালির বোলোনিয়ায় পোপ জন পল দ্বিতীয়-এর উপস্থিতিতে একটি চার্চের অনুষ্ঠানে ডিলান তার কিছু বিখ্যাত গান পরিবেশন করেছিলেন। সে সময় পোপ জন পল দ্বিতীয় ডিলানের একটি বিখ্যাত গানের লাইন উল্লেখ করে বলেছিলেন, “তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলে— একজন মানুষকে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আগে তাকে কতগুলো পথ পাড়ি দিতে হয়? আমি তোমাকে উত্তর দিচ্ছি : একটি! মানুষের জন্য কেবল একটি পথ রয়েছে আর তা হলো খ্রিস্ট, যিনি বলেছিলেন- ‘আমিই পথ’।”
ভ্যাটিকানের নিজস্ব সংবাদপত্রের পক্ষ থেকেও এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে ডিলানের প্রকৃত নাম ব্যবহার করে বলা হয়েছে যে, ’পোপ জনাব রবার্ট অ্যালেন জিমারম্যানকে এক ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে স্বাগত জানিয়েছেন।’ সূত্র: সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার নারায়ণপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব ও আলোচিত ইসলামি বক্তা পীর মুফতী গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরীর পূর্ব নির্ধারিত বহুল প্রচারিত মাহফিলের আয়োজনের বিরুদ্ধে উত্তেজনা ও বাধা সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালানো হয়। তবে শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মাহফিলটি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় কওমি আলেমদের এবং একটি পক্ষের তীব্র বিরোধিতা ও একই স্থানে পাল্টা মাহফিল ডাকার ফলে এলাকায় একপর্যায়ে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের ব্যাপক প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় সুন্নী মহাসম্মেলনটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
গত ৩ নভেম্বর কাঙ্গালিয়া মাদ্রাসা ময়দানে কওমি আলেম ও বেলাব থানা হেফাজতের সভাপতি মুফতী আনোয়ার হোসেন চিশতীর পক্ষ থেকে মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরীর মাহফিল বন্ধের দাবিতে একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। একই সাথে তাহেরীর মাহফিলের নির্ধারিত স্থানে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমানকে প্রধান অতিথি এবং মুফতী লুৎফর রহমান ফরায়েজীকে বিশেষ অতিথি করে পাল্টা হেফাজতে ইসলাম বেলাব শাখার উদ্যোগে ইসলামি মহাসম্মেলনের আহ্বান জানানো হয়, যা ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হলে নারায়ণপুরের সাধারণ বাসিন্দা ও আয়োজকেরা সবাইকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান। তারা পূর্ব নির্ধারিত কেন্দ্রীয় কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠের এই ১২তম বার্ষিক সুন্নী মাহফিল সফল করতে দৃঢ় অবস্থান নেন।
আয়োজক কমিটি প্রশাসনকে অবগত করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দিনের আলোতেই (সকাল ৯টা থেকে বাদ আছর পর্যন্ত) মাহফিলের কার্যক্রম এগিয়ে নেয়।
জোহর নামাজের পর পর ভৈরব থেকে বিশাল গাড়ি বহর নিয়ে হাজার সুন্নী জনতাকে নিয়ে মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরী মাহফিল স্থলে প্রবেশ করেন। তিনি ৩০ মিনিটের মতো ঈমান, ইসলাম ও ওলি আউলিয়াদের জীবন দর্শন থেকে শিক্ষনীয় আলোচনা উপস্থাপন করেন। বাংলাদেশের যুবসমাজকে উগ্রতা, প্রতিহিংসা, মাদক ও সন্ত্রাসের পথ ত্যাগ করে দেশ ও ধর্ম সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে নবী প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সুন্নতী জীবন গঠনের আহ্বান জানান।
মাহফিল শেষে ব্যক্তিগত ফেইসবুক আইডিতে ছবি ও ভিডিওসহ দুটি ভিন্ন ফেইসবুক পোস্টে তিনি লেখেন- “তাকে বলে দিও আমি এসেছিলাম। ধন্যবাদ নারায়নপুরবাসীসহ বেলাব, রায়পুরা, নরসিংদী জেলার আপামর সুন্নী জনতাকে। আগামীর প্রত্যেকটা জবাব এভাবেই হবে। ইনশাআল্লাহ”।
“উগ্রতা ও চরমপন্থাকে লাল কার্ড
“শান্তি ও সম্প্রীতিকে ইয়েস কার্ড”।
তাহেরীর ভক্ত ও মাহফিলে উপস্থিত সুন্নী জনতা বলেন, আমরা শান্তিপ্রিয় সুন্নী জনতা, সরকার ও প্রশাসন আমাদের সম্পর্কে অবগত আছেন। আমরা কখনোই সমাজ ও রাষ্ট্রে অশান্তি সৃষ্টি হোক, এমনটি চাই না। তবে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করে এই শান্তিপূর্ণ মাহফিল বন্ধ করা যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ