ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিডা, বেজা ও পিপিপিএ একীভূত হয়ে গঠন করা হলো ইনভেস্ট বাংলাদেশ


বিডা, বেজা ও পিপিপিএ একীভূত হয়ে গঠন করা হলো ইনভেস্ট বাংলাদেশ

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপিএ) একীভূত হয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সরকার ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’ এর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিডা, বেজা ও পিপিপিএ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এই তিন সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে নতুন ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ’।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬-এর ধারা ১-এর উপধারা (২)-এর ক্ষমতাবলে সরকার ২০ আগস্ট থেকে আইনটি কার্যকর করেছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার।

আরও পড়ুন: স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে দেয়ায় বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

নতুন কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক কাঠামো এবং বিভিন্ন উইং ও টিম গঠনের কাজ ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে। বিলুপ্ত বিডার নির্বাহী সদস্য এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রধান নাহিয়ান রহমান রচি বলেছেন, গেজেট কার্যকর হওয়ার পর থেকে সব কার্যক্রম ইনভেস্ট বাংলাদেশ নামেই পরিচালিত হবে। নতুন টিম ও উইং গঠনসহ আরও অন্যান্য প্রক্রিয়াগুলো ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে।

তিনি জানান, কয়েক মাসের প্রস্তুতি ও পরিশ্রমের পর ইনভেস্ট বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করায় তারা আনন্দিত। বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিনিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবার জন্য একটি একক ফ্রন্ট ডেস্কের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এই প্রয়োজন থেকেই তিনটি প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নাহিয়ান রহমানের মতে, ইনভেস্ট বাংলাদেশকে বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি একক সেবাকেন্দ্রে পরিণত করা হবে। এই পরিবর্তনের ফলে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগসংক্রান্ত সেবা আরও সহজ, নির্বিঘ্ন এবং নির্ভরযোগ্যভাবে পাওয়ার সুযোগ লাভ করবেন।

নতুন আইনের অধীনে, ইনভেস্ট বাংলাদেশ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করবে। এর প্রধান কার্যালয় থাকবে ঢাকায়। সরকারের অনুমোদন নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা এবং বিদেশে লিয়াজোঁ কার্যালয় স্থাপনের সুযোগও রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে

কর্তৃপক্ষের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একজন চেয়ারম্যান এবং সাতজন সদস্য থাকবেন। চেয়ারম্যান একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের প্রধান দায়িত্ব হবে বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় খাত চিহ্নিত করা, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রচার চালানো, বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করা।

একীভূতকরণের ফলে বিডা, বেজা এবং পিপিপিএর বিদ্যমান সম্পদ, নথিপত্র, চুক্তি, দায়-দেনা এবং অন্যান্য বিষয় নতুন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর হবে। একই সঙ্গে তিন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইনভেস্ট বাংলাদেশের অধীনে দায়িত্ব পালন করবেন।

সরকার আশা করছে, নতুন এই কাঠামোর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সেবা আরও সহজ ও সমন্বিত হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা ও প্রতিবন্ধকতা কমিয়ে দেশে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে ইনভেস্ট বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন: সরকার পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে : নাহিদ ইসলাম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড. আবদুল মঈন খানের মন্ত্রী হওয়ার খবরে নরসিংদীতে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও মিষ্টি বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ জাহিদ মিয়া,নরসিংদী প্রতিনিধি

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৯ এম


ড. আবদুল মঈন খানের মন্ত্রী হওয়ার খবরে নরসিংদীতে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও মিষ্টি বিতরণ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনের ৫ বারের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার খবরে তাঁর নির্বাচনী এলাকা নরসিংদী -২ (পলাশ) সহ পুরো নরসিংদী জেলাজুড়ে বইছে আনন্দ উচ্ছ্বাস। শুক্রবার (২১ আগস্ট) মন্ত্রী হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দেয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

এর আগে মঈন খান একাধিবার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

শুক্রবার নবনিযুক্ত সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পরপরই পলাশ তথা নরসিংদী এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দেয়। এসময় স্থানীয় নেতাকর্মীরা আনন্দে মিষ্টি মুখ করেন।

এলাকাবাসী জানান, ড. আবদুল মঈন খান একজন অভিজ্ঞ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক। এর আগেও তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর হাত ধরে পলাশ তথা নরসিংদীর ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষা-প্রযুক্তির অগ্রগতি হয়েছিল।
পুনরায় তিনি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ায় এই অঞ্চলসহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ।

পলাশ বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল বলেন, ড. আবদুল মঈন খান মন্ত্রী হওয়াতে পলাশবাসীর আশার প্রতিফলন ঘটেছে। ওনার মতো একজন সুদক্ষ, সৎ ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মানুষের হাতেই এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নিরাপদ। ওনার হাত ধরে এ দেশের সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়ন সম্ভব।

ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলম মোল্লা বলেন, মঈন খানের মতো একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ এর হাতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব যাওয়া মানে নরসিংদী সহ সারাদেশের রাস্তাঘাট ও জীবনমানের উন্নয়ন হবে। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়ে তিনবার মন্ত্রী ছিলেন। এবারসহ ৫ বারের এমপি ও চতুর্থ বারের মতো মন্ত্রীর দায়িত্বের তৌফিক হওয়ায় সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি। মঈন খান বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যেমন রাজপথের সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে সকল আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। ঠিক একইভাবে বর্তমান বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছায়াসঙ্গী হয়ে দেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে বিশ্বাস করি।

নরসিংদী আন্ত:জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি সারোয়ার হোসেন মৃধা বলেন, মঈন খান স্যার মন্ত্রী হওয়ার খবর নরসিংদীবাসীর জন্য নি:সন্দেহে একটা আনন্দের খবর। সৃষ্টিকর্তা যেন সুস্থ রেখে সুনাম ও সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনের তৌফিক দেন।

পলাশ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান পাপন আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, আমার জীবনে আর চাওয়ার কিছু নেই। শুধু বলবো সৃষ্টিকর্তা যেন ড. আবদুল মঈন খান স্যারকে দীর্ঘজীবী করেন ও সুস্থ রাখেন। আজকে জীবনের সব চাওয়া-পাওয়া পূরণ হয়েছে। আমাদের একটাই স্বপ্ন ছিল মঈন খান স্যারকে এমন একটি আসনে বসতে দেখার।
স্যারকে এমন একটা আসনের বসানোর স্বপ্ন ও আশা ধারণ করে বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজপথে নিজের শরীরের রক্ত দিয়েছি। তবুও কখনো রাজপথ ছেড়ে যাই নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মপাশার জয়শ্রী ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের চূড়ান্ত ফলাফল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ধর্মপাশা প্রতিনিধি:সজিব মিয়া

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ এম


ধর্মপাশার জয়শ্রী ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের চূড়ান্ত ফলাফল

ধর্মপাশায় জয়শ্রী ইউনিয়ন বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ৪ নম্বর জয়শ্রী ইউনিয়ন বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকাল ১১টায় জয়শ্রী বাজারে কাউন্সিল উপলক্ষে সম্মেলন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জয়শ্রী ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম শান্ত। সদস্যসচিব আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় সভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।
সম্মেলনে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য ও ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালিব খান, ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. লিয়াকত আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হক, এস এম রহমত, নুরুল ইসলাম বিএসসি, জুলফিকার আলী ভুট্টো বিএসএস, মজিবুর রহমান মজুমদার, নেহাল উদ্দিন, মামুন ওর রশীদ শান্ত, মাহবুবুর আলম হাদিস ও সালাউদ্দিন মাহতাবসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শওকত আলী ব্যাপারী, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম কাঞ্চন ও মির্জা শাহ আলম, ছাত্রদলের আহ্বায়ক ওবায়দুল মজুমদারসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনকে ঘিরে জয়শ্রী বাজার এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। উৎসবমুখর পরিবেশে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনের চূড়ান্ত ফলাফল
কাউন্সিলের ভোটগ্রহণ শেষে ৪ নম্বর জয়শ্রী ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন পদে নির্বাচিতদের নাম ও প্রাপ্ত ভোট ঘোষণা করা হয়। ফলাফল হলো—
সভাপতি: জাহাঙ্গীর হোসেন রানা — ১৩৩ ভোট
সিনিয়র সহ-সভাপতি: মৌলা মিয়া — ১৯১ ভোট
সাধারণ সম্পাদক: সাইফুল ইসলাম — ১৪৭ ভোট
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আব্দুল কাদির — ১৩২ ভোট
সাংগঠনিক সম্পাদক: শাহাদাত হোসেন রানা — ২৩৩ ভোট
নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানান উপস্থিত নেতাকর্মীরা। সম্মেলনের মধ্য দিয়ে জয়শ্রী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের দাবি না মানলে আন্দোলন আরও জোরালো হবে: শফিকুল ইসলাম মাসুদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ এম


জনগণের দাবি না মানলে আন্দোলন আরও জোরালো হবে: শফিকুল ইসলাম মাসুদ

জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি এমপি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে সরকার ফ্যাসিবাদের দিকে হাঁটছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার যদি সংসদে দাবি না মেনে নেয়, তাহলে জনগণের অধিকার আদায়ে বিরোধীদল রাজপথে গণতান্ত্রিক আন্দোলন শক্তিশালী করতে বাধ্য হবে।

শুক্রবার জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সবুজবাগ-মুগদা জোন রুকন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম মাসুদ আরও বলেন, নির্বাচন পরবর্তী বিগত ৬ মাসে বিএনপি সরকার রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে যেভাবে দলীয়করণ করেছে, তা পতিত আওয়ামী লীগের তুলনায় অতিক্রম করেছে। আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে যেভাবে দলীয়করণ করেছে, বিএনপি ৬ মাসে তাও করেনি।

তিনি বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ স্লোগান দিয়ে সরকার ক্ষমতায় এসেছিল, কিন্তু ক্ষমতা হাতে পেলে বিএনপি নীতির দিকে এগিয়ে গেছে। রাষ্ট্রীয়, সাংবিধানিক, আর্থিক এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে বিরোধীদল রাজপথে গণতান্ত্রিক আন্দোলন শক্তিশালী করতে বাধ্য হবে, যদি সরকার সংসদে জনগণের দাবি মেনে না নেয়।

জামায়াতের এমপি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সংসদে জনগণের অধিকার আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে গণভোটে জনগণের গণরায় মেনেই সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে রাজপথে এর সমাধান হবে। জামায়াতে ইসলামী নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে জনগণের অধিকার আদায়ে আন্দোলন চালাবে। অতীতের মতো জামায়াতে ইসলামী আপসহীন ভূমিকা পালন করবে। এ জন্য সংগঠনের নেতাকর্মীদের স প্রস্তুত থাকতে তিনি আহ্বান জানান।

সমাবেশে জামায়াতের সবুজবাগ-মুগদা জোন পরিচালক ড. মোবারক হোসাইন সভাপতিত্ব করেন এবং সহকারী পরিচালক মনির বিন আনোয়ার সমাবেশটি পরিচালনা করেন। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তৃতা দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন সচিবের পদে রদবদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ এম


তিন সচিবের পদে রদবদল

তিনটি সচিব পদে নতুন রদবদল ঘটেছে।

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণের দিন সরকারের তিন সচিব পদে রদবদল সম্পন্ন হয়েছে। ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরীকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে নতুন পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। যাবে।

শুক্রবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে। অপর আদেশ অনুসারে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিব রফিকুল আই মোহাম্মদকে চুক্তিতে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহা. শওকত রশীদ চৌধুরীকে ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তিনিও চুক্তিতে নিয়োজিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%