বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৭ পি.এম
বেসরকারি স্কুল এবং কলেজে কর্মরত ৩৭৬ জন শিক্ষক-কর্মচারী নতুনভাবে এমপিওভুক্ত হয়েছেন। একই সময়ে বিএড স্কেল পেয়েছেন ১ হাজার ৫৯৪ জন এবং উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এমপিও কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
নতুন এমপিওভুক্তদের মধ্যে ২৭২ জন স্কুল পর্যায়ের এবং ১০৪ জন কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। বিএড স্কেল প্রাপ্ত ১ হাজার ৫৯৪ জনই স্কুল পর্যায়ের শিক্ষক। অন্যদিকে, উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল প্রাপ্ত ৫ হাজার ৪৭৪ জনের মধ্যে ৫ হাজার ১৬৯ জন স্কুলের এবং ৩০৫ জন কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী।
এছাড়া, জানা গেছে, সারাদেশে এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে ৩ হাজার ৪৮১টি বকেয়া আবেদন। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ২ হাজার ৮৯৩টি এবং কলেজ পর্যায়ে ৬৪৮টি আবেদন রয়েছে।
অঞ্চলভিত্তিক পরিসংখ্যান
ঢাকা অঞ্চল: নতুন এমপিওভুক্ত হয়েছেন ৪০ জন স্কুল পর্যায়ের এবং ২৯ জন কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী। বিএড স্কেল পেয়েছেন ২৫৫ জন। উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন ৪৪৩ জন স্কুলের এবং ২০ জন কলেজের। এ অঞ্চলে বকেয়া আবেদন রয়েছে ৩৭৭টি স্কুলের এবং ১১৫টি কলেজের। মোট আবেদন জমা পড়েছে ১ হাজার ২৯৬টি স্কুলে এবং ২৫৫টি কলেজে।
রাজশাহী অঞ্চল: নতুন এমপিওভুক্ত হয়েছেন ৭৫ জন স্কুলের এবং ৩৪ জন কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী। বিএড স্কেল পেয়েছেন ৩০০ জন স্কুল শিক্ষক। উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন ৪৮৪ জন স্কুলের এবং ৭৪ জন কলেজের। বকেয়া আবেদন রয়েছে ৪১৯টি স্কুলের এবং ১৩৭টি কলেজের। মোট আবেদন জমা পড়েছে ২ হাজার ২টি স্কুলে এবং ৪৩৫টি কলেজে।
রংপুর অঞ্চল: নতুন এমপিও পেয়েছেন ৭৭ জন স্কুলের এবং ১০ জন কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী। বিএড স্কেল পেয়েছেন ২৬৬ জন। উচ্চতর গ্রেড পেয়েছেন ৬৭২ জন স্কুলের এবং ৩২ জন কলেজের। বকেয়া আবেদন রয়েছে ৩৫৫টি স্কুলের এবং ১১৮টি কলেজের। মোট আবেদন জমা পড়েছে ১ হাজার ৭০৮টি স্কুলে এবং ২৫৫টি কলেজে।
খুলনা অঞ্চল: নতুন এমপিওভুক্ত হয়েছেন ১৪ জন স্কুলের এবং ১৪ জন কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী। বিএড স্কেল পেয়েছেন ১১৫ জন। উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন ১ হাজার ২৩৩ জন স্কুলের এবং ৮২ জন কলেজের। বকেয়া আবেদন রয়েছে ৩২৪টি স্কুলের এবং ৮২টি কলেজের। মোট আবেদন জমা পড়েছে ১ হাজার ৫৫৪টি স্কুলে এবং ২১২টি কলেজে।
এছাড়া, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলেও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
অঞ্চলভিত্তিক মোট নিষ্পত্তি হওয়া আবেদনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ময়মনসিংহে স্কুল পর্যায়ে ১ হাজার ১৬৫টি এবং কলেজে ৯০টি, কুমিল্লায় স্কুলে ৯২২টি এবং কলেজে ১৩৪টি, চট্টগ্রামে স্কুলে ৫৯৭টি এবং কলেজে ১০৭টি, বরিশালে স্কুলে ১ হাজার ২০৬টি এবং কলেজে ২৮৫টি এবং সিলেটে স্কুলে ৪২৩টি এবং কলেজে ৭৬টি আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের নির্মাতা আদনান আল রাজীব দীর্ঘ সময় ধরে বিজ্ঞাপন, নাটক এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা নির্মাণ করে আসছেন। তিনি বহুল আলোচিত স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘আলী’ নির্মাণের মাধ্যমে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। এই সিনেমাটি বিখ্যাত কান চলচ্চিত্র উৎসবের মূল প্রতিযোগিতায় স্থান করে নিয়েছিল। স্পেশাল মেনশন অর্জন করে তিনি ইতিহাস রচনা করেছেন। তাই, আদনান আল রাজীবের পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা সম্পর্কে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ছিল।
এখন পর্যন্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার আঙিনায় পদার্পণ করেননি এই নির্মাতা। তবে সম্প্রতি তিনি নিজের প্রথম সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। গুঞ্জন উঠেছিল যে, আদনানের প্রথম সিনেমার নায়ক হবেন সিয়াম আহমেদ। কিন্তু সেই গুঞ্জন সত্যি হয়নি। বুধবার (৪ নভেম্বর) নির্মাতা নিজেই জানালেন, তার প্রথম সিনেমার নাম ‘অপলক’। এই সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন তার স্ত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার বিপরীতে আফরান নিশো জুটি হয়ে কাজ করবেন।
পরিচালক আদনান আল রাজীব এবং মেহজাবীন চৌধুরী স্বামী-স্ত্রী। বিনোদন জগতে তাদের পথচলা অনেক দিনের। এবার আদনান তার প্রথম সিনেমায় স্ত্রী মেহজাবীন চৌধুরীকে নায়িকা হিসেবে নিয়েছেন। যদিও অভিনেত্রীর সিনেমায় অভিষেক অনেক আগে হয়েছে।
এদিকে, আফরান নিশো এবং মেহজাবীন চৌধুরী ছোটপর্দার অন্যতম সফল জুটি। তারা একসঙ্গে বহু নাটক করেছেন। ভিকি জাহেদের ‘পুলসিরাত’ সিনেমাতেও তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন। এবার আদনানের সিনেমায়ও এই তারকা জুটি যুক্ত হলেন।
সম্প্রতি ‘অপলক’ সিনেমায় চুক্তিস্বাক্ষরের ছবি পোস্ট করে আদনান আল রাজীব বলেন, "আমার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘অপলক’। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পুরো টিমের অনেকখানি স্বপ্ন আর ভালোবাসা। সেই ভালোবাসার পৃথিবীতে এবার যুক্ত হলেন আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরী।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা একটা সৎ, সরল আর মন ছুঁয়ে যাওয়া রোমান্টিক ফিল্ম বানাতে চাই। যেখানে মানুষ ভালোবাসার পাশাপাশি নিজেদেরও খুঁজে পাবেন।"
এ নির্মাতা বলেন, "আশা করি, যে মায়া নিয়ে ছবিটা বানাতে যাচ্ছি, সেই মায়াটুকু আপনাদের কাছেও পৌঁছাবে।"
এদিকে, মেহজাবীন চৌধুরীও সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবিগুলো পোস্ট করেছেন। নিজের ফেসবুক পেজে ছবি পোস্ট করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, "আমাদের সিনেমা ‘অপলক’ অবশেষে হচ্ছে। সিনেমাটির জন্য আমি উদগ্রীব হয়ে আছি। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মায়ের সঙ্গে খুনসুটি ও অন্যান্য প্রাণীদের সঙ্গে ছোটাছুটি করে সময় কাটাচ্ছে শাবকগুলো। নতুন অতিথিদের আগমনে আনন্দিত দর্শনার্থীরা, বিশেষত শিশুদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। নতুন সদস্য হলো গাজীপুরের শ্রীপুরের সাফারি পার্কে বিলুপ্তপ্রায় নীলগাই পরিবারে যুক্ত হওয়া চারটি শাবক। গত এক মাসের মধ্যে পার্কের কোর সাফারির হরিণ সাফারি এলাকায় শাবকগুলো জন্ম নেয়।
পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, শাবক চারটি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে এবং নিয়মিত মায়ের দুধ পান করছে। তবে, তাদের লিঙ্গ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিরাপত্তার কারণে জন্মের পরপরই শাবকদের বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানানো হয়নি। বর্তমানে শাবকগুলোর জন্য বিশেষ পরিচর্যা ও বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পার্কের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক মো. রাজু আহমেদ বলেন, প্রায় এক মাস আগে কোর সাফারির হরিণ সাফারি এলাকায় প্রথমবারের মতো মায়ের সঙ্গে শাবকগুলোকে দেখা যায়। শাবকগুলোর নিরাপত্তা ও সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তখন গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানানো হয়নি।
তিনি আরো বলেন, শাবক চারটি সুস্থ রয়েছে এবং নিয়মিত মায়ের দুধ পান করছে। মায়ের সঙ্গে খুনসুটি করার পাশাপাশি অন্যান্য প্রাণীদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো ও ছোটাছুটি করে সময় কাটাচ্ছে তারা।
সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. তারেক রহমান যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রায় এক মাস আগে পার্কের কোর সাফারির দায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা প্রথম নীলগাইয়ের শাবক দেখতে পান। পরে মোট চারটি শাবকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে শুরুতে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়নি।
তিনি বলেন, অনেক সময় চারটি শাবককে একসঙ্গে খুনসুটি করতে দেখা যায়। নতুন শাবকগুলোর জন্মের ফলে পার্কে দর্শনার্থীদের আনন্দও বেড়েছে। বিশেষ করে শিশুরা ছোট ছোট নীলগাইয়ের শাবক দেখে বেশ আনন্দিত। সদ্য জন্ম নেওয়া চারটি শাবকসহ বর্তমানে পার্কে নীলগাইয়ের সংখ্যা ১৩টি।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, ঢাকা অঞ্চলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) এম কে এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী জানান, প্রায় এক মাস আগে পার্কে চারটি নীলগাইয়ের শাবকের জন্ম হয়েছে। শাবকগুলোর নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখতে পার্ক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো জানান, শাবকগুলোর সুরক্ষায় বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও তদারকি অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বয়রা গ্রামে মাদকাসক্ত ছেলে মো. খায়রুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি তার বাবা কৃষক আফছার শেখকে (৬০) কুপিয়ে হত্যা করেছেন। এই ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে।
গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে আফছার শেখ স্থানীয় বৌবাজার থেকে নিজ বাড়িতে ফেরেন। এ সময় তার ছেলে মো. খায়রুল ইসলাম বাড়িতে ছিলেন। বাজার থেকে বাড়িতে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে ছেলে খায়রুল তার কাছে নেশার জন্য টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকার করার পর খায়রুল তার বাবাকে গালিগালাজ করেন এবং এক পর্যায়ে রান্নাঘরে ব্যবহৃত ধারালো বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, মাঝে মাঝে খায়রুল তার বাবার কাছে নেশার জন্য টাকা চাইতেন। তিনি ইয়াবা সেবন করতেন এবং টাকা না দিলে বাবাকে মারধরও করতেন।
লোহাগড়া থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলাম জানান, লোহাগড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত মো. খায়রুল ইসলামকে আটকের চেষ্টা চলছে এবং হত্যার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের কারণে বিষাক্ত ওষুধ ব্যবহার করে এক কৃষকের প্রায় ৭ হাজার ফুলকপির চারা নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী কৃষক কাশেম মীর দাবি করেছেন, এতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ভুক্তভোগী কৃষক কাশেম মীর জানান, বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোরে জমিতে ফুলকপির পরিচর্যা করতে গিয়ে তিনি তার দুই ভাই আব্দুল হামিদ মীর ও হাশেম মীরকে কাঁধে ওষুধ ছিটানোর মেশিন নিয়ে জমি থেকে বের হতে দেখেন। যদিও ওই সময় বিষয়টি নিয়ে তার মনে সন্দেহ ছিল, তবে পরে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে জমিতে গিয়ে ফুলকপির চারার পাতায় পোড়া দাগ দেখতে পান।
তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বুধবার ভোরে জমিতে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে পরিকল্পিতভাবে তার ফসল নষ্ট করা হয়েছে। কাশেম মীর জানিয়েছেন, জমি নিয়ে তার ভাইদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এই বিরোধের ফলস্বরূপ তার ফসলের ক্ষতি করা হয়েছে বলে তার বিশ্বাস। প্রায় ৭ হাজার ফুলকপির চারা নষ্ট হওয়ায় তার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৩ লাখ টাকার।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক ও তার পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ফসল নষ্টের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন বলেছেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ