১২:৩৩ পি.এম
রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনের দরবার হল প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সব আয়োজন শেষ হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবে।’
এছাড়া, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই শপথ অনুষ্ঠানে ১২শ’ এর অধিক অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নেবেন।
জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।
রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণ কার্ডে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি দরবার হলে আগমন করবেন।
জাতীয় সঙ্গীত ও কোরআন তেলোয়াতের পর স্পিকার রাষ্ট্রপতির শপথ পরিচালনা করবেন।
আরও পড়ুন: বাকৃবির শাহজালাল হলে ‘শাহী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২.০’-এর উদ্বোধন
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। এই নির্বাচনে বিএনপি দলের প্রার্থী ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ।
রাষ্ট্রপতির এই ভোটে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে বঙ্গভবনের বাসিন্দা হচ্ছেন বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ভোট গণনা শেষে বিকেলে সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনি কর্তার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দীন। রাতে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় শ্রম আন্দোলনের নামে হামলায় শ্রমিক মো. সেলিম গুরুতর আহত
সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকায় সেবারই ভোটাভুটি হয়েছিল। এর ৩৫ বছর পরে একাধিক প্রার্থী থাকায় রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন