১২:৪০ এম
সুন্দরবনের notorious বনদস্যু ‘দাদা ভাই বাহিনী’র সঙ্গে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের সময় দস্যুদের দ্বারা জিম্মি করে রাখা পাঁচ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। তবে কোস্ট গার্ডের অভিযানের মুখে দস্যুরা জিম্মিদের ফেলে সুন্দরবনের গভীরে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার বিকেলে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: সকাল ৯টায়ও তালাবদ্ধ চিকিৎসকের কক্ষ, রোগীরা চরম ভোগান্তিতে
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনীগুলো নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা ও দোবেকী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা অতর্কিতভাবে সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। উভয় পক্ষের গোলাগুলির এক পর্যায়ে দস্যুরা জিম্মি জেলেদের ফেলে সুন্দরবনের গহীনে পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি একনলা বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন—সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রবিউল ইসলাম (৩৫) ও বিল্লাল হোসেন (২৬) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার আলাউল ইসলাম (৩২), নওশেন মোড়ল (৪১) ও শাহিনুর রহমান (২৮)।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে যুবলীগের মিছিলে পুলিশের ৪ সদস্যকে শাস্তি
কোস্ট গার্ড জানায়, জব্দ করা অস্ত্র ও কার্তুজের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধার হওয়া জেলেদের তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রমও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অভিযান সম্পর্কে ব্রিফিং করেন বিসিজিএস সোনার বাংলার নির্বাহী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ কবীর শামিত।
এমই
আরও পড়ুন: শনিবার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে শিবগঞ্জের কিছু এলাকা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন