প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–অক্টোবর) বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময় রপ্তানি ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক এই তথ্য প্রদান করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তৈরি পোশাক খাত রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৬ দশমিক ০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। মোট রপ্তানিতে এই দুই খাতের সম্মিলিত অংশ প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ। তৈরি পোশাক খাত থেকে সামগ্রিক রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশ এসেছে।
পোশাকের বাইরেও কিছু পণ্য খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এসব খাতের রপ্তানি যথাক্রমে ৩৮ কোটি ৩০ লাখ, ৪৬ কোটি ৪০ লাখ এবং ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। হোম টেক্সটাইল ও পাদুকা রপ্তানিও যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ও ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।
তবে কৃষিপণ্য, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ এবং তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রপ্তানি যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ১০ দশমিক ৯ শতাংশ ও ১০ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানাচ্ছে, সামগ্রিকভাবে রপ্তানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকবহির্ভূত কিছু খাতের সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পণ্যের মান ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং পিছিয়ে থাকা খাতগুলোর প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন