০৫:৫৩ পি.এম
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুইটি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের একটি ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের ফলে একটি গমবাহী জাহাজের ইঞ্জিন রুমে পানি ঢুকে পড়েছে, তবে অন্য ট্যাঙ্কারটি অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর দুইটার সময়ে বহির্নোঙরের ‘আলফা’ অ্যাঙ্করেজে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে বিকাল ৫টায় প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত এ ঘটনার ফলে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধার কাজে নিয়োজিত করা হয় চট্টগ্রাম বন্দরের শক্তিশালী টাগবোট, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের টিম।
আরও পড়ুন: কুলিয়ারচরে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
বন্দর ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি আমদানিকারকের ৫২ হাজার টন গম নিয়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী বাল্ক ক্যারিয়ার ‘সানশাইন’ বহির্নোঙরে নোঙর করা ছিল। সেই মুহূর্তে মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ‘সি স্পাইক’ নোঙর করতে গিয়ে ‘সানশাইন’কে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে সানশাইন জাহাজের খোলের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দ্রুতই ইঞ্জিন রুমে পানি ঢুকতে শুরু করে। ট্যাঙ্কার ‘সি স্পাইক’ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) জন্য ৩৩ হাজার টন গ্যাস অয়েল (ডিজেল) বহন করছিল।
ঘটনার পর-এর মধ্যে দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজগুলিকে সহায়তায় আসেন চট্টগ্রাম বন্দরের পাইলট, উদ্ধারকারী টাগবোট ‘কান্ডারী-৮’ এবং কোস্ট গার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল। তারা সানশাইন জাহাজের পানি সেচ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।
এদিকে প্রাথমিক অভিযোগ উঠেছে যে, ট্যাঙ্কার ‘সি স্পাইক’ নোঙর করার সময় নির্ধারিত নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বন্দরের নিজস্ব পাইলট নেওয়ার কথা থাকলেও ভাড়া করা ‘বে পাইলট’ দিয়ে নোঙর করাতে গিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে সি স্পाइक জাহাজের স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘প্রাইড শিপিং’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বহির্নোঙরের বাইরের দিকে থাকা জাহাজের ক্ষেত্রে বন্দরের নিজস্ব পাইলট নেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। আমরা সাধারণত বে পাইলট দিয়েই পরিচালনা করি।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ আ. লীগ মিছিলে পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ১৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন