ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সমুদ্রের বুকে ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন মাইলফলক: রাফাল-এম যুদ্ধবিমান সফল অবতরণ


সমুদ্রের বুকে ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন মাইলফলক: রাফাল-এম যুদ্ধবিমান সফল অবতরণ

ভারতের নিজস্ব বিমানবাহী রণতরি আইএনএস বিক্রান্তে প্রথমবারের মতো সফলভাবে অবতরণ করেছে ফ্রান্সের তৈরি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান। গত ২৯ অক্টোবর চালানো প্রথম চেষ্টাতেই সফল অবতরণ ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুদ্ধবিমানটির অন্তর্ভুক্তির পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালের এপ্রিলে নৌবাহিনীর জন্য ৭৫০ কোটি ডলারে ২৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করে। এর মধ্যে ২২টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান এবং চারটি দুই আসনের প্রশিক্ষণ বিমান রয়েছে। ২০২৯ সাল থেকে এসব বিমান সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত অক্টোবরের মাঝামাঝি গোয়ার আইএনএস হানসার কাছে একটি রাফাল উড়তে দেখা যায়। সেখানে বিমানবাহী রণতরির যুদ্ধবিমান পরীক্ষার জন্য ভারতের উপকূলভিত্তিক পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে। ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা শেষে বিক্রান্তে অবতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: চীনে প্রতিষ্ঠানের ঋণচাপে সংকট

নেভাল নিউজ বলছে, ভারতের নিজস্ব টুইন ইঞ্জিন ডেক বেসড ফাইটার (টিইডিবিএফ) প্রকল্পে অগ্রগতি না থাকায় ভবিষ্যতে আরও রাফাল-এম কেনার সম্ভাবনাও রয়েছে। বিক্রান্ত ও বিক্রমাদিত্যের জন্য একসময় ৫৭টি যুদ্ধবিমানের চাহিদা থাকলেও পরে তা কমিয়ে ২৬টিতে আনা হয়।

রাফাল-এম ও বোয়িংয়ের এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেটের মধ্যে প্রতিযোগিতার পর ২০২২ সালে পরীক্ষার ভিত্তিতে রাফালকে বেছে নেওয়া হয়। বর্তমানে দুই রণতরিতে মিগ-২৯কে/কেইউবি যুদ্ধবিমান ব্যবহৃত হচ্ছে। রাফাল বেছে নেওয়ার ফলে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে থাকা ৩৬টি রাফালের সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনায় সমন্বয় সহজ হবে। বিমানবাহিনী আরও ১১৪টি রাফাল কেনার পরিকল্পনা করছে, যার মধ্যে ৯০টি ভারতে তৈরি হওয়ার কথা রয়েছে।

চুক্তির আওতায় ভারতীয় অস্ত্র সংযোজনের প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়টিও রয়েছে। পাশাপাশি রাফালের কাঠামো তৈরির জন্য টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমসের সঙ্গে উৎপাদনকেন্দ্র গড়ে তুলছে ফরাসি নির্মাতা দাসো অ্যাভিয়েশন।

আরও পড়ুন: ইরান: যুক্তরাষ্ট্রেকে একতরফা কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার মনোভাব বাদ দিতে হবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজারের চা শ্রমিকদের চক্ষুসেবায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইস্পাহানির উদ্যোগ ‘গিফট অব সাইট’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


মৌলভীবাজারের চা শ্রমিকদের চক্ষুসেবায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইস্পাহানির উদ্যোগ ‘গিফট অব সাইট’

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চা শ্রমিকদের জন্য ‘গিফট অব সাইট’ নামক একটি বিশেষ চক্ষু চিকিৎসাসেবার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। এই উদ্যোগটি ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে।

এই প্রকল্পের আওতায় ৭ হাজারেরও বেশি চা শ্রমিককে চোখের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে। ছানি, চোখের পানি নিষ্কাশন নালির সমস্যা, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি এবং গ্লুকোমার মতো রোগের শনাক্তকরণ ও চিকিৎসায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মধ্যে ১৫০০ রোগীর ছানি অস্ত্রোপচার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য চক্ষুরোগের অস্ত্রোপচারও সম্পন্ন করা হবে। ছানি চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন স্থানে বিশেষ চক্ষুসেবা ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। এসব ক্যাম্পে চোখ পরীক্ষা, রোগী শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হবে। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে রোগী বাছাই ও প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়া, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি ও গ্লুকোমার মতো জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা থাকবে।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এনামুল হক বলেন, “চোখের কোনো সমস্যার সময়মতো চিকিৎসা না হলে একজন মানুষের কাজ করার, পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনের সক্ষমতা ব্যাহত হতে পারে। ‘গিফট অব সাইট’-এর মাধ্যমে আমরা চা শ্রমিকদের কাছে সময়মতো মানসম্মত চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে চাই, যাতে তাদের জীবনযাত্রায় দীর্ঘমেয়াদি ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। আমরা বিশ্বাস করি, উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার মাধ্যমে আরও সুস্থ ও শক্তিশালী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এই উদ্যোগে ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালের সঙ্গে অংশীদার হতে পেরে আমরা আনন্দিত।”

ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতাল-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম আকতারুজ্জামান বলেন, “গিফট অব সাইট-এর মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করছে। এ ধরনের উদ্যোগ চা শ্রমিকদের সুস্থ থাকতে এবং তাঁদের জীবনযাত্রার মান এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা আরও উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

চা-বাগান এলাকায় বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ সীমিত। এ কারণে অনেক শ্রমিক নিয়মিত চোখের পরীক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ পান না। আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতনতার অভাবও এ ক্ষেত্রে বড় বাধা। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ‘গিফট অব সাইট’-এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ অবহেলিত সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি করছে এবং আরও সুস্থ, অন্তর্ভুক্তিমূলক জীবিকা গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমিয়ত: সিলিন্ডার গ্যাসের দাম প্রত্যাহার ও গার্মেন্টসে স্থিতিশীলতার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


জমিয়ত: সিলিন্ডার গ্যাসের দাম প্রত্যাহার ও গার্মেন্টসে স্থিতিশীলতার দাবি

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি প্রত্যাহার এবং দেশের গার্মেন্টস শিল্পে চলমান অস্থিরতা দ্রুত সমাধানের জন্য দাবি করেছে। সংগঠনটির নেতারা উল্লেখ করেছেন, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ ইতোমধ্যে চাপের মধ্যে রয়েছে। এ অবস্থায় গ্যাসের দাম বৃদ্ধি জনজীবনে নতুন অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুফতি জাবের কাসেমী এ দাবি তুলে ধরেন।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, সিলিন্ডার গ্যাসের বর্ধিত মূল্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। একই সাথে, জনগণের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্যাসের দাম নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

গার্মেন্টস শিল্পের অস্থিরতা নিয়ে তারা বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি এই শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি হলে শ্রমিক, মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর ফলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি এবং মালিকপক্ষের যৌক্তিক বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে দ্রুত শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।

জমিয়ত নেতারা আরও জানান, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পকারখানার নিরাপত্তা, উৎপাদন ও কর্মপরিবেশ বজায় রাখার দায়িত্ব সরকারের। কোনো পক্ষের উসকানি, সহিংসতা বা নৈরাজ্য যাতে গার্মেন্টস শিল্পের ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিবৃতিতে তারা বলেন, জনগণের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি না করে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি গার্মেন্টস শিল্পের অস্থিরতার স্থায়ী সমাধানে সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে কার্যকর সংলাপের উদ্যোগ নিতে হবে।

নেতারা অবিলম্বে সিলিন্ডার গ্যাসের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার, গার্মেন্টস শিল্পে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক ডিএসসিসিকে ৩০০টি ওয়েস্ট বিন দিলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক ডিএসসিসিকে ৩০০টি ওয়েস্ট বিন দিলো

পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০০টি ‘টেকসই ও দৃষ্টিনন্দন ওয়েস্ট বিন’ হস্তান্তর করেছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) নগর ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম উল্লেখ করেন, ‘একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তোলা শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার দায়িত্ব নয়, এতে নগরবাসীরও সমান দায়িত্ব রয়েছে। সিটি কর্পোরেশন তার ভূমিকা পালন করবে, পাশাপাশি নাগরিকদেরও নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলা সম্ভব নয়।’

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের এই সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক (CSR) উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, ‘নগর উন্নয়নে ব্যাংক, বিমা ও বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে। সড়ক বিভাজক ও উন্মুক্ত স্থানে সবুজায়ন এবং সৌন্দর্যবর্ধনে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। পাশাপাশি, নগরবাসীকে সচেতন করতে গণমাধ্যমের গঠনমূলক ভূমিকাও অত্যন্ত জরুরি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ঢাকাকে একটি সবুজ ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করতে চাই।’

উল্লেখ্য, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের সহায়তায় উপস্থাপিত এই আধুনিক ওয়েস্ট বিনগুলো নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সহজ করার পাশাপাশি নাগরিকদের নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলতে উৎসাহিত করবে। ‘আমার শহর আমার দায়িত্ব, আমি বদলাই ঢাকা বদলাবে’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ডিএসসিসি নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খয়বর রহমান, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম আওলাদ হোসেন, ডিএসসিসির সকল বিভাগীয় প্রধান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সাথে সংঘর্ষে স্প্যানিশ ফুটবলারের মৃত্যু, ম্যাচ পরিত্যক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সাথে সংঘর্ষে স্প্যানিশ ফুটবলারের মৃত্যু, ম্যাচ পরিত্যক্ত

স্প্যানিশ ফুটবলে একটি অন্ধকার ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সাথে সংঘর্ষের পর হার্ট অ্যাটাকে প্রাণ হারিয়েছেন স্পেনের ক্লাব সিডি তেনেরিফের স্ট্রাইকার হেসুস দে মিগেল। এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে গত সোমবার (২ নভেম্বর) স্প্যানিশ দ্বিতীয় বিভাগের (লা লিগা হাইপারমোশন) একটি ম্যাচে।

যেভাবে ঘটেছিল ভয়াবহ ঘটনাটি

ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে (১০৮তম মিনিটে) তেনেরিফে ও এফসি অ্যান্ডোরার মধ্যে খেলা তখন ২-২ গোলে সমতায় ছিল। ঠিক সেই সময় একটি লম্বা পাস (লং বল) কিক করে দূরে সরানোর জন্য অ্যান্ডোরার গোলরক্ষক হেসুস নিজের গোলপোস্ট ছেড়ে প্রায় মাঝমাঠের কাছে চলে আসেন। বাতাসে ভাসতে থাকা বলটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার লড়াইয়ে ওওনোর হাঁটু দে মিগেলের বুকে খুব জোরে আঘাত করে।

আঘাতের তীব্রতায় দে মিগেল মাঠে নিথর হয়ে পড়ে যান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দুই দলের খেলোয়াড়রা চিৎকার করে মাঠের মেডিকেল টিমকে ডাকতে থাকেন। মাঠে প্রায় ৫ মিনিট ধরে তাঁকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস ও জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নিয়ে যাওয়া হয়। এই মারাত্মক ফাউলের কারণে গোলরক্ষককে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয় এবং রেফারি ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন।

রাতেই পরিস্থিতির অবনতি এবং প্রয়াণ

হাসপাতালে নেওয়ার পথে দে মিগেল কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের শিকার হন। চিকিৎসকরা তাঁকে পুনরুজ্জীবিত করতে সক্ষম হলেও তাঁর স্নায়বিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন থাকার সময় ৩ নভেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল ৮ টায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

‘বেদনায় আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ’ – স্তব্ধ ক্লাব কর্তৃপক্ষ

দে মিগেলের অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ক্লাব সিডি তেনেরিফে এক আবেগঘন বিবৃতিতে জানায়, ‘বেদনায় আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ। গলায় কান্না চেপে এবং এটি যে সত্যি তা বিশ্বাস করতে না পেরে আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে আমাদের খেলোয়াড় হেসুস দে মিগেল আলমেদার মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা জানাচ্ছি। আমাদের সান্ত্বনা দেওয়ার মতো কোনো ভাষা নেই; এই গভীর শোক ও শূন্যতা কমানোর মতো পৃথিবীতে কিছুই অবশিষ্ট নেই।’

প্রতিপক্ষ ক্লাব এফসি অ্যান্ডোরাও তাদের অফিশিয়াল সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে গভীর সমবেদনা জানিয়ে লিখেছে, ‘ভগ্ন হৃদয় ও গভীর দুঃখের সাথে আমরা হেসুস দে মিগেলের পরিবার, সতীর্থ এবং তেনেরিফে ক্লাবের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। ওপারে ভালো থেকো।’

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি পুরো ফুটবল বিশ্বের খেলোয়াড়দের মাঠের নিরাপত্তা নিয়ে আবারো বড় ধরণের প্রশ্ন তুলেছে। রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনাসহ স্পেনের শীর্ষ ফুটবল ক্লাবগুলো এই তরুণ স্ট্রাইকারের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%