০৯:৫০ পি.এম
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় একটি তুচ্ছ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে বোন, ভাগিনা এবং ভগ্নিপতির হামলায় একজন ব্যক্তি, যার নাম ইব্রাহিম হোসেন (৫৫), মৃত্যুবরণ করার অভিযোগ উঠেছে। এই বিবরণে উল্লেখযোগ্য হলো যে, বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলার মৌকরা ইউনিয়নের পৌছইর মধ্যপাড়া হাজী সৈয়দ আলীর বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ইব্রাহিম হোসেন ওই গ্রামের মরহুম রাজা মিয়ার পুত্র ছিলেন। ঘটনার পর স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত বোন নাছিমা আক্তারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
নিহতের মেয়ে, কলেজ শিক্ষার্থী আফরোজ আক্তার বলেছেন, তার ফুফু নাছিমা আক্তার, ফুফাতো ভাই অজিউল্লাহ এবং ফুফা কোব্বাত আলী জোরপূর্বক তাদের বাড়ির বাঁশ কেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। যখন তার বাবা এই ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে কারণ জানতে চান, তখন তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা করেন। হামলার সময় ইব্রাহিম হোসেনের তলপেট, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়, যার ফলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
আরও পড়ুন: কাউখালীতে ইউএনওর আকস্মিক শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের পাঠদান করালেন রেহেনা আক্তার
পরে, তার পরিবার তাকে উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর ঐ এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত নাছিমা আক্তারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্ত অপর দুই ব্যক্তি, অজিউল্লাহ এবং কোব্বাত আলী, পলাতক রয়েছেন।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান সময় সংবাদকে জানিয়েছেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নিহতের বোন নাছিমা আক্তারকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
আরও পড়ুন: পূর্বধলায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন