০১:৫৮ পি.এম
বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন করে ‘কাস্টোডিয়াল অ্যান্ড কারেকশন সার্ভিস’ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, এই তথ্য জানায় কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহার হোসেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তিনি এ কথা বলেন, যখন কারা অধিদফতর একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে-পরে দেশের বিভিন্ন কারাগারে যে নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, সেই সম্পর্কে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হামলা, ভাঙচুর ও বিদ্রোহের সুযোগে পাঁচটি কারাগার থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় ২ হাজার ২৪৭ বন্দি। এ সময় বিপুলসংখ্যক গুলি ও আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়। এর মধ্যে নরসিংদী কারাগার থেকেই পালিয়ে যায় ৮২৬ বন্দি।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা
কারা অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে ৬৬০ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু এখনো শনাক্ত করা যায়নি ১৬৬ জন বন্দিকে। কারাগারের বন্দি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ও নেত্রীদের ফোনে কথা বলা এবং বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অভিযোগের প্রসঙ্গ মেনে কারা মহাপরিদর্শক জানান, কোনো বন্দিকে আলাদাভাবে সুবিধা দেয়া হচ্ছে না।
এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলেই উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সংবাদ সম্মেলনে কারা মহাপরিদর্শক এ কথাও বলেন, পলাতক বন্দিদের অবস্থানের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের জনবল সংকটও কারাগারের নিরাপত্তার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই সংকট মোকাবেলার জন্য নতুনভাবে প্রায় ১ হাজার ৮৯৯টি পদ অনুমোদন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন