০৭:০৭ পি.এম
ফ্রান্সের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ইসরায়েলির ২৬ জন নাগরিকের বিরুদ্ধে, যার মধ্যে আছেন অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ। এই নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে তিনি এখন থেকে ফ্রান্সে প্রবেশের সুযোগ পাবেন না।
ইসরায়েলের কট্টরপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা ও অবৈধ বসতি স্থাপনের অভিযোগের ভিত্তিতে। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান যে, পশ্চিম তীরে সহিংসতা ও উপনিবেশীকরণের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং নরওয়ের মতো মিত্রদেশের সহযোগিতায় এই যৌথ জাতীয় নিষেধাজ্ঞার কার্যক্রম শুরু করেছে প্যারিস।
নিষেধাজ্ঞার তালিকার মধ্যে শুধু ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রীেই নয়, বরং দেশটির চারজন কট্টরপন্থী বসতি স্থাপনকারী নেতা এবং সহিংসতায় জড়িত ২১ জন ইসরায়েলি নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া একটি পোস্টে জানান, "বেজালেল স্মোট্রিচ সরাসরি পশ্চিম তীর দখল ও সেখানে নতুন অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনের পক্ষে উস্কানি দিচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি গাজায় পুনরায় উপনিবেশ তৈরি এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার বৈরী নীতি প্রচার করছেন।"
তিনি মোটেও অস্বীকার করেননি যে স্মোট্রিচের এই নীতি ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটি বিশাল অংশ, যারা স্বাধীন দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে বিশ্বাসী, তারা এই আগ্রাসী নীতি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারে না।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে ফ্রান্সের এই কঠোর অবস্থান পশ্চিমা মিত্রদের সাথে সুর মিলিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ইসরায়েলের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেবে।
আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন