শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৩ এম
জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে বিশ্বব্যাপী বায়ুদূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশও এই প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। দীর্ঘকাল ধরে বায়ুদূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মেগাসিটি ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ৯ম অবস্থানে রয়েছে। শহরটির বায়ুমানের স্কোর ১৪২, যা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমান স্কোর ওঠানামা করতে পারে।
তালিকার শীর্ষে থাকা সৌদি আরবের রিয়াদে দূষণের মাত্রা আবারো ভয়াবহ হয়ে উঠছে। রিয়াদের বায়ুমানের স্কোর ২১৭, যা শহরটির বাসিন্দাদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত।
এদিকে, বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর তালিকায় পাঁচটি দেশের নাম রয়েছে। এই দেশগুলো হলো- পাকিস্তানের লাহোর, ভারতের মুম্বাই, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, চীনের সাংহাই ও ইরাকের বাগদাদ।
বাংলাদেশ ছাড়া আরও ১১টি দেশের বায়ুমান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। এই দেশগুলো হলো- কাজাখস্তানের আলমাতি, পাকিস্তানের করাচি, উজবেকিস্তানের তাসকেন্ট, কঙ্গোর কিনসাসা, চীনের গুয়াংজু ও হাংজু, ভিয়েতনামের হেনোয় ও হো চি মিন সিটি, নেদারল্যান্ডসের রোটারদাম, কাতারের দোহা এবং কুয়েতের কুয়েত সিটি।
একটি শহরের বাতাসের মান কতটা নির্মল বা দূষিত, তাৎক্ষণিকভাবে জানায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। প্রতিষ্ঠানটি বায়ুমান সূচক বা একিউআইয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন শহরের বাতাসের মান পর্যবেক্ষণ করে থাকে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসের মান ভালো বলে ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা মাঝারি বা সহনীয়। সূচক ১০১ থেকে ১৫০ হলে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য হয়। ২০১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০০-এর বেশি হলে বাতাসের মান বিপজ্জনক বা দুর্যোগপূর্ণ পর্যায়ে বিবেচিত।
বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পেলে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকেন শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা। এ অবস্থায় দূষিত বাতাসে দীর্ঘক্ষণ বাইরে অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলা এবং বাইরে গেলে উপযুক্ত মাস্ক ব্যবহার করা জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে বেসরকারি ব্র্যাক ব্যাংকের এককভাবে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ১ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকা হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫৫ কোটি টাকা। ফলে, ব্যাংকটির নিট মুনাফা এই সময়ে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে, অঙ্গপ্রতিষ্ঠানসহ সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ৩৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১২১ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের একই সময়ে যা ছিল ১ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা।
ব্র্যাক ব্যাংক গতকাল বৃহস্পতিবার তাদের সর্বশেষ প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করেছে। ব্যাংকটি জানিয়েছে, সামষ্টিক অর্থনীতি এবং ব্যাংকিং খাতের চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি সত্ত্বেও ব্র্যাক ব্যাংক খাতের অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় এগিয়ে থেকে ব্যালান্স শিটে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ব্র্যাক ব্যাংকের গ্রাহক আমানত ১৬ শতাংশ বেড়েছে। গ্রাহক ঋণের পরিমাণ ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কঠোর ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং ডিজিটাল রূপান্তরে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে ব্যাংকটি পরিচালন দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে, ব্যাংকটির খরচ ও আয়ের অনুপাত ২০২৫ সালের ৪৬ শতাংশ থেকে কমে ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে ৪১ শতাংশ হয়েছে।
২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে ব্র্যাক ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৭০ পয়সা। গত বছরের একই প্রান্তিকে এটি ছিল ৫ টাকা ২৯ পয়সা। সমন্বিত নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের ৪৪ টাকা ৮৪ পয়সার তুলনায় ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ টাকা ৪০ পয়সা।
ব্র্যাক ব্যাংক করপোরেট, এসএমই এবং রিটেইল ব্যাংকিং– সব খাতেই সুষম প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে এবং একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের অন্যতম সর্বনিম্ন খেলাপি ঋণের রেকর্ড ধরে রেখেছে। মূলত শক্তিশালী ব্যালান্স শিট প্রবৃদ্ধি, উন্নত পরিচালন দক্ষতা, বৈচিত্র্যময় পোর্টফোলিও এবং সুশৃঙ্খল ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ব্যাংকটির এই শক্তিশালী পারফরম্যান্সে বড় ভূমিকা পালন করেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মতোই ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকেও ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার ২ দশমিক ২৭ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের আর্থিক ফলাফল সম্পর্কে ব্যাংকটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান মন্তব্য করেন, ‘এমন লক্ষণীয় সাফল্য আমাদের ব্যবসায়িক মডেলের শক্তি, সুশাসন ও সুশৃঙ্খল কর্মপরিকল্পনারই প্রতিফলন। গ্রাহকদের অবিচল আস্থার কারণেই আমরা খেলাপি ঋণের হার সর্বনিম্ন রেখে খাতের গড় প্রবৃদ্ধির চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকতে পেরেছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান অভিযোগ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে হামলা চালানোর ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থা ইরানবিষয়ক আগ্রাসন, নৃশংসতা এবং একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিষয়গুলো আড়াল করতে চেষ্টা করছে।
বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক মাই সাতোর দায়িত্ব পালনের বিষয়টিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তার মতে, যুক্তরাজ্য এই দায়িত্ব জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অপরাধের জন্য তেহরানকে দায়ী করতে জাতিসংঘের এই বিশেষ প্রতিবেদকের ভূমিকা ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর এবং অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মাই সাতোর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর ইরানের পক্ষ থেকে এই মন্তব্য করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযান ইরানিদের দুর্ভোগকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে একই সঙ্গে আঞ্চলিক সংঘাতকে কাজে লাগিয়ে ভিন্নমত দমনে অভিযান জোরদার করেছে তেহরান সরকার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সময় ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপ ইরানের মানুষের দুর্ভোগ বাড়ালেও, দেশটির কর্তৃপক্ষ সেই সংঘাতকে অভ্যন্তরীণ বিরোধীদের দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিনটি উপজেলা থেকে পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন উপজেলা গঠনের উদ্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সদর উপজেলার দুটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়কের রামরাইল বাজারে রামরাইল ইউনিয়নের লোকজন বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। একই সময়ে সুলতানপুর ইউনিয়নবাসীও এ ধরনের কর্মসূচি পালন করেন। তাদের অবরোধের ফলে ব্যস্ততম মহাসড়কটির দুপাশে ঘণ্টাখানেক যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়।
রামরাইল ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের কয়েকশ বাসিন্দা ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে রামরাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জড়ো হন। তারা মহাসড়কে অবস্থান নেন। এ সময় আয়োজিত কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল, সুলতানপুর, বাসুদেব; বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল এবং আখাউড়া উপজেলার নবগঠিত বরিশল ইউনিয়নকে নিয়ে ‘বরিশল’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের পাঁয়তারা শুরু করেছেন জেলা বিএনপির সদস্য ও ভূঞা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কবীর আহমেদ ভূঞা। তিনি গত ৮ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগে লিখিত আবেদন করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোর বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কবীর আহমেদ ভূঞার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব হেলেনা পারভীনের সই করা একটি চিঠি জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বিষয়টি নিয়ে মতামতসহ স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিবেদনে জমা দেওয়ার নির্দেশনা এসেছে।
জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শরীফুল ইসলাম চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের মতামতসহ জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।
সড়ক অবরোধকারীরা নতুন উপজেলা গঠনের এই উদ্যোগকে ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে সরকারের কাছে দাবি জানান যে, তারা যেন এই বিষয়টি থেকে সরে আসেন। রামরাইল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান সোহাগ বলেন, ‘বাসুদেব, রামরাইল ও সিঙ্গারবিল ইউনিয়ন নিয়ে একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রাণকেন্দ্র হলো রামরাইল ইউনিয়ন। আমি কবীর আহমেদ ভূঞাকে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই, আপনি পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে যে ষড়যন্ত্রে নেমেছেন, তা সফল হবে না। সর্বস্তরের জনগণ আজ মাঠে নেমে গেছে। আমাদের দাবি একটাই, আমরা কখনও এই বরিশল উপজেলার অন্তর্ভুক্ত হব না।’
তরুণ আইনজীবী মুকুল চৌধুরী বলেন, তিনটি উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন নিয়ে নতুন যে উপজেলা করার চেষ্টা চলছে, তার প্রতিবাদে এই আন্দোলন। তিনি জানান, এই কর্মসূচি লাগাতার চলবে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই নতুন উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা না হবে, ততক্ষণ প্রতিবাদ চলবে। পাঁচটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা যে কোনো মূল্যে এই উদ্যোগ প্রতিহত করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে স্থানীয় বাসিন্দা ইমন হাজারী অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল ও একজন ব্যক্তির রাজনৈতিক অভিলাষ বাস্তবায়নের জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি প্রভাবশালী মহল স্থানীয় প্রশাসনকে নানাভাবে চাপে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলাকে ভেঙে দিতে চাচ্ছে। এলাকায় নানা অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে। রামরাইল ও সুলতানপুরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থেকে অন্য কোনো উপজেলার অধীনে নেওয়ার প্রস্তাব তারা কোনোভাবেই মেনে নেবেন না।
কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে আরও বক্তব্য দেন রামরাইল ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান সেলিম, বিএনপি নেতা সাদেকুর রহমান, বিএনপি নেতা আল আমিন, শাহগীর আলম, বাবুল খন্দকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জে পুলিশের টহল গাড়ির সামনে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, টহলরত পুলিশ সদস্যরা মিছিল থেকে হুমকি পাওয়ার পর সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য হন। এই ঘটনার পর যমুনা সেতু পশ্চিম থানার চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুল ইসলাম সানতু এবং যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ক্লোজড হওয়া পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন— যমুনা সেতু পশ্চিম থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আরিফুর রহমান, কনস্টেবল নাসিমুজ্জামান, মোরশেদুল ইসলাম এবং চালক আব্দুল গফুর।
জানা গেছে, বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের একটি এলাকায় জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. একরামুল হকের নেতৃত্বে ওই বিক্ষোভ মিছিলের ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে একরামুল হককে মিছিলে সরাসরি উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। মিছিলের সামনে একটি পুলিশের টহল গাড়ি ছিল, যেখানে পুলিশ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মিছিল থেকে লোকজনকে ‘একবারে মাইরা ফালামু’ বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে গাড়ির দরজা খোলা হলেও পরে দরজা বন্ধ করে টহল গাড়িটি চলে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ