হুমায়ুন কবির, বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি
১১:৫৪ পি.এম
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার আহমদাবাদ হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আ. হালিমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, সনদ নিয়ে প্রশ্ন, অর্থ আত্মসাৎ ও নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্তের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তনয় সিংকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২১ মে ২০২৬ মাদ্রাসার গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য মো. আ. রহিম ফরাজী মাদ্রাসার সভাপতি বরাবর অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
লিখিত অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ মো. আ. হালিম দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন, এই দাবিটি অভিযোগকারীর। বেসরকারি শিক্ষকদের নৈমিত্তিক ছুটির বিধান উপেক্ষা করে তিনি ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১৬ দিন ছুটি ভোগ করেছেন, অভিযোগের বিশেষ উল্লেখ এর মধ্যে আছে। পরবর্তীতে গভর্নিং বডির সদস্যরা এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা চাইলে, তিনি বিষয়টিকে নিজের ‘ব্যক্তিগত ব্যাপার’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকার পরও নিয়ম অনুযায়ী মেডিকেল ছুটি গ্রহণ না করে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগপত্রে অধ্যক্ষের শিক্ষাগত সনদ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, তার দাখিল, আলিম ও ফাজিলের সনদের একাধিক স্থানে ঘষামাজা ও কাটাকাটির চিহ্ন রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে সনদগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, বিভিন্ন সময়ে অডিট কমিটির নিরীক্ষায় মাদ্রাসার অর্থসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে প্রভাব খাটিয়ে এসব অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগকারীর দাবি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, মাদ্রাসার এক নিরাপত্তারক্ষীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগসংক্রান্ত ফাইল পার্শ্ববর্তী খালে ফেলে দিতে বাধ্য করা হয়েছে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ওই ফাইল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তারক্ষী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়াও মাদ্রাসার গাছ ও পুরোনো আসবাবপত্র নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রিসহ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অতীতের আরও কিছু গুরুতর অভিযোগের কথা লিখিত অভিযোগে তুলে ধরা হয়েছে।
অভিযোগকারী মো. আ. রহিম ফরাজী বলেন, অধ্যক্ষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও আচরণে স্থানীয় বাসিন্দা এবং অভিভাবকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছে। এর নেতিবাচক প্রভাব মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ভর্তির ওপরও পড়ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে, নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ মো. আ. হালিমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তনয় সিংকে তদন্তকারী কর্মকর্তা করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
মাদ্রাসার সুষ্ঠু পরিবেশ ও শিক্ষার মান বজায় রাখতে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা উদ্ঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সানি লিয়োনি নাকি এখন মন্দারমণিতে! এই খবর আসার সাথে সাথে তৈরি হয়েছে শোরগোল।
সানি লিয়োনি তথা মন্দারমণির এই খবরটি সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক আলোচনা তৈরি করেছে। অনুরাগীরা কি একবার পছন্দের নায়িকার দর্শন পেতে পারেন? এই নিয়ে আলোচনা চলছে। নায়িকার একের পর এক পোস্ট নজর কেড়েছে সোশ্যাল মাধ্যমে। বাঙালির প্রিয় দিঘা-দী-পু-দা-এর সাথে এখন যোগ হয়েছে মন্দারমণির নামও। দিঘায় পর্যটকদের ভিড় বাড়ার সাথে সাথে মন্দারমণির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। কল্পনা করুন, একবার সেখানে গিয়ে আপনার পছন্দের অভিনেত্রীর দেখা যদি মেলে।
সানি লিয়োনির এই মন্তব্যটি সবার আগ্রহ বাড়াচ্ছে। পরিবার বা বন্ধু অথবা কাছের মানুষের সঙ্গে একান্ত সময় কাটানোর জন্য মন্দারমণির বিকল্প নেই। সানি লিয়োনির পরবর্তী ছবির শুটিং অনুষ্ঠিত হবে এই মন্দারমণিতেই। গাড়ি নিয়ে প্রায় চার ঘণ্টার সফরে বেরিয়ে পড়লেই সমুদ্রের তীরে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। নির্জন সৈকতে বসে ঢেউয়ের শব্দ শোনা, এমন শান্তিই অন্য কোথাও অভিজ্ঞতার মধ্যে পাওয়া যায় না।
সানির সমুদ্রের প্রতি প্রেম বেশ স্পষ্ট।
মন্দারমণিতে সফরের ব্যাপারে অভিনেত্রী নিজেই জল্পনা তৈরি করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় তার একটি ছবি ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে শোরগোল। তিনি কচি কোলাপাতা রঙের ব্রালেটের ওপর সবুজ রঙের প্রিন্টেড শ্রাগ এবং কো-অর্ড হট প্যান্ট পরে রয়েছেন। চোখে সানগ্লাস এবং উঁচু করে বাঁধা বিনুনি। সমুদ্রের ধারে পোজ দিয়ে ছবি তুলেছেন সানি এবং মলদ্বীপের সাথে মন্দারমণির তুলনা করেছেন। অন্য একটি ছবিতে লেখেন, ‘মন্দারমণি মুড’।
তবে কি সানি তার পরবর্তী সিনেমার শুটিং করতে আসবেন মন্দারমণিতে? এই প্রশ্নটি সমাজমাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে এটা সত্যি যে সানি সমুদ্রকে খুব পছন্দ করেন, যা তার অনুরাগীরা জানেন। একাধিকবার তাকে সমুদ্রের তটের ধারে ছবি পোস্ট করতে দেখা গেছে। কখনও রঙিন বিকিনিতে, আবার কখনও স্নানপোশাকে, নায়িকা যে সমুদ্রপ্রেমী তা তিনি বারবার ফুটিয়ে তুলেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার রৌদ্রস্নানের ছবি অনেকবার ভাইরাল হয়েছে। অনুরাগীরা নানা মন্তব্যে ভরিয়ে তুলেছেন সমাজমাধ্যম। কেউ কেউ মজা করে লিখেছেন— সানি নাকি পশ্চিমবঙ্গে পর্যটন শিল্পের মুখ হতে চলেছেন!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক শাহ আমানত সাবিরের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নতুন তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ, সংগঠনগত যোগাযোগ এবং উদ্ধার হওয়া ভিডিওর সঙ্গে কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠী গঠনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না।
২৩ বছর বয়সী *ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম*-এর প্রধান প্রশিক্ষক শাহ আমানত সাবির এবং তার সহযোগী ২০ বছর বয়সী হোসাইন তানিমকে নতুন করে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তারা সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলেও আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
একই সঙ্গে গত ৫ জুলাই রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ‘মিনি কক্সবাজার’ এলাকা থেকে তাদের সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া আরও চারজনকে পুলিশের আবেদনের পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিমান্ড শুনানির সময় বিচারক বলেন, এ পর্যায়ে আসামিদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। বিচারক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের সত্যতা না মিললে তাদের মুক্তি দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন।
আবেদন অনুযায়ী, আদালত তদন্ত কর্মকর্তাদের আগামী *১২ জুলাইয়ের মধ্যে* তদন্ত অগ্রগতির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেছেন।
গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ শাহও রয়েছেন। গ্রেপ্তারের পর গত ৭ জুলাই দলীয় নীতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে দলের সব পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে এনসিপির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, শাহ আমানত সাবিরের মোবাইল ফোনে পাওয়া *২ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের* একটি ভিডিও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ভিডিওতে রাতের আঁধারে একটি গ্রামীণ সড়কে বিস্ফোরণের দৃশ্য, উগ্রবাদী ধাঁচের স্লোগান এবং ধারালো অস্ত্র হাতে সাবিরকে হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে। ভিডিওটির পটভূমিতে ইসলামিক স্টেট (আইএস)-সংশ্লিষ্ট প্রচারণায় ব্যবহৃত একটি আরবি গান সংযুক্ত ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।
তবে ভিডিওটি কোথায় এবং কবে ধারণ করা হয়েছিল কিংবা পরে কাকে পাঠানো হয়েছিল—এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি তদন্ত কর্মকর্তারা।
জিজ্ঞাসাবাদে সাবির দাবি করেছেন যে, ভিডিওটি তার সহযোগীরাই ধারণ করেছিলেন এবং পরে একটি আরবি গান সংযোজন করে বিদেশে অবস্থানরত একজন ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছিলেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে, জানিয়েছেন যে শাহ আমানত সাবির *‘এসবিজে’ (SBJ—Sabir Bhaiyer Jama)* নামে ১৩ থেকে ১৫ সদস্যের একটি ছোট দল গঠন করেছিলেন। সেখানে তিনি নিজেকে *‘আমির-ই-মুজাহিদ’* হিসেবে পরিচয় দিতেন।
ওই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, ‘জামা’ শব্দটি এখানে ‘জামাত’ বা একটি সংঘবদ্ধ দলের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে এ পর্যন্ত দলটির সঙ্গে কোনো পরিচিত বা প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তদন্তে আরো উঠে এসেছে যে, সাবির নিষিদ্ধ সংগঠন আনসার আল ইসলাম ও হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামি বাংলাদেশ (হুজি-বি)**-এর কিছু নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন। তবে আদর্শ ও কৌশলগত মতপার্থক্যের কারণে শেষ পর্যন্ত তিনি নিজস্ব একটি ছোট গোষ্ঠী গঠন করেছেন বলে তদন্তকারীদের ধারণা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির সম্পর্কে জরুরি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেছে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত পৌনে ৯টায় শিক্ষা বোর্ডের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পরিস্থিতি তুলে ধরেন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আহসান পারভেজ।
তিনি পরীক্ষার্থীদের জলাবদ্ধতা ও গর্তে পড়ার দুর্ভোগ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, "সোমবারের পরীক্ষা গ্রহণে শিক্ষা বোর্ডের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি হয়নি। ভোরে আকস্মিক ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা স্থগিত করার সুযোগ ছিল না। তবে পরীক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পরীক্ষা শেষ করে নিরাপদে বাসায় ফিরতে পারে, সে লক্ষ্যে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডার সমন্বিতভাবে কাজ করেছে।"
প্রফেসর মো. আহসান পারভেজ বলেন, "বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের কেন্দ্র পরিবর্তন করে ভাষা সৈনিক অজিতগুহ মহাবিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।"
উল্লেখ্য, সোমবার (১৩ জুলাই) টানা ভারি বৃষ্টির কারণে কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন স্থানে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছিল। কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রসহ একাধিক জায়গায় কোমরসমান পানি পেরিয়ে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছিল। এ ঘটনার ফলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি হয়েছে।
তারা পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে পরবর্তী পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে আন্দোলনও করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো হাজির ছিলেন শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম, কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মো. শিপন মিয়া, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সহযোগী অধ্যাপক সালাহউদ্দিন, উপসচিব (একাডেমিক) আব্দুল কাদির, কলেজ পরিদর্শক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, বিদ্যালয় উপপরিদর্শক আখতার হোসেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ