বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৬:৫০ এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমপ্যাক্ট র্যাংকিং ২০২৬-এ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। সর্বশেষ প্রকাশিত র্যাংকিং অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়টি গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬০০ ধাপ এগিয়ে ৪০১-৬০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে।
২৪ জুন প্রকাশিত র্যাংকিংয়ে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল ১০০১-১৫০০ ব্যান্ডে। তবে এবার তা উন্নীত হয়ে ৪০১-৬০০ ব্যান্ডে পৌঁছেছে।
এই মাপকাঠিতে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, নীতিমালা ও সামাজিক সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম মূল্যায়ন করে টাইমস হায়ার এডুকেশন। এবছর বিশ্বের ১১৬টি দেশ ও অঞ্চলের এক হাজার ৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়নের আওতায় আনা হয়েছে।
এই অর্জনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, এই অগ্রগতি শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষা, গবেষণা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিক কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে ‘পিস, জাস্টিস অ্যান্ড স্ট্রং ইনস্টিটিউশনস’ সূচকে বিশ্বের ২৪তম স্থান অর্জন করা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের বিষয় বলেও উল্লেখ করেন। জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্ঞানভিত্তিক গবেষণা, উদ্ভাবন, সুশাসন, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এছাড়াও উল্লেখ্য যে, জাতিসংঘের ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সমাজে এবং অর্থনীতিতে কী ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ও অবদান রাখছে, তা মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রতিবছর এই বৈশ্বিক তালিকা প্রকাশ করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘মা ইনতি বঙ্গারাম’ ছবির সাফল্য উদ্যাপনের অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ে অভিনেত্রী মা হওয়ার কথা স্বীকার করেন।
অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার জল্পনায় সিলমোহর দিলেন সমান্থা রুথ প্রভু। কিছু দিন আগে এক অনুষ্ঠানে যান তিনি। সেই অনুষ্ঠানে তাঁর স্ফীতোদরের ছবি প্রকাশ্যে আসে। এর পরে সমান্থারের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানান, সত্যিই অভিনেত্রী মা হতে চলেছেন। অবশেষে বুধবার সংবাদমাধ্যমের সামনেই স্বীকার করে নেন সমান্থা যে, তিনি মা হতে চলেছেন।
‘মা ইনতি বঙ্গারাম’ ছবির সাফল্য উদ্যাপনের অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ে অভিনেত্রী মা হওয়ার কথা স্বীকার করেন। পাশাপাশি এ-ও জানান, এই মুহূর্তে যে কাজগুলো হাতে রয়েছে, সেগুলি শেষ করার পরে তিনি কিছুদিনের জন্য বিরতি নেবেন। সমান্থা বলেন, “এর পর আমার শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে আমাকে কিছুদিনের বিরতি নিতে হবে। আমাকে মাতৃত্বকালীন ছুটি নিতে হবে। তার পরে আমি আবার আমার ভক্তদের জন্য নতুন ছবি নিয়ে ফিরব।”
কিছু দিন আগে সেই অনুষ্ঠানে দেখা যায়, সমান্থার পরনে ছিল আসমানি রঙের টি-শার্ট ও জিন্স। সেই ভিডিয়ো দেখে নেটপাড়ার একটি বড় অংশ শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন সমান্থাকে। তাঁদের দাবি, সমান্থার স্ফীতোদর স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। কেউ লেখেন, ‘‘আমি খুশিতে কাঁদছি।’’ কেউ লেখেন, ‘‘সমান্থা এ বার প্রাণভরে আনন্দে থাকুক।’’ যদিও এই প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত সমান্থা কোনও মন্তব্য করেননি। যদিও শোনা যাচ্ছে, চলতি বছর ডিসেম্বর মাসে নাকি ভূমিষ্ঠ হতে পারে রাজ ও সমান্থার প্রথম সন্তান। এর পরে সমান্থারের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র খবরে সিলমোহর দেন। সেই সূত্র বলেছিলেন, “সমান্থা এখন গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে রয়েছেন। এই খবর নিয়ে তিনি এবং তাঁর স্বামী খুবই খুশি। বিশেষ করে সমান্থা, কারণ তিনি সবসময়ই মা হতে চেয়েছিলেন।” খুব সচেতন ভাবেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলেও জানান।
নাগ চৈতন্যের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে দীর্ঘদিন মানসিক যন্ত্রণায় ভোগেন সমান্থা। তার পাশাপাশি শারীরিক অসুস্থতায়ও ভোগেন তিনি। ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে কোয়েম্বত্তূরে ছিমছাম ভাবে বিয়ে সারেন সমান্থা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি প্রযোজক হওয়া নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন এবং প্রতিভাবান নির্মাতাদের সাহায্য করার জন্যই তিনি নিজের প্রযোজনা সংস্থা শুরু করেছেন।
বলিউড থেকে হলিউডে নিজের স্থায়ী জায়গা তৈরি করেছেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। সম্প্রতি প্রযোজক হওয়া নিয়ে তিনি নিজের মতামত প্রদান করেছেন। অভিনেত্রী বলেন, নতুন এবং প্রতিভাবান নির্মাতাদের সাহায্য করার জন্যই তিনি প্রযোজনা সংস্থা স্থাপন করেছেন। পাশাপাশি, প্রিয়ঙ্কা স্পষ্ট জানান, আমেরিকায় নিজের কর্মজীবনে আরও উন্নতি করতে চান।
বুধবার এক আলোচনাসভায় প্রিয়ঙ্কা জানান, তার কাজের প্রয়োজন মানুষের কাছে তুলে ধরার। এই উদ্দেশ্যে নেটমাধ্যমের সাহায্য নিতে হবে। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘অবসেশন’-এর উল্লেখও তিনি করেন। প্রিয়ঙ্কা বলেন, “আমার মনে হয়, আপনার যদি ভাল কোনও ভাবনা থাকে, তাহলে সেটি শুট করে ইউটিউবে তুলে ধরুন। সেটি ‘অবসেশন’-এর মতো সফল ছবিও হয়ে উঠতে পারে।”
বলিউডের ‘দেশি গার্ল’ আরও বলেন, “বিনোদন জগতে কাজ করার জন্য এখন দারুণ সময়। কারণ এখনকার দিনে ভাবনাই সবচেয়ে বড় সম্পদ।” প্রিয়ঙ্কা জানান, আগে বিষয়টি এত সহজ ছিল না। তিনি যখন চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন, তখন তাঁর কোনো পরিচিতির অভাব ছিল। তাঁর কথায়, “আমার বাবা-মা দু’জনেই চিকিৎসক ছিলেন। তাই চলচ্চিত্র জগতে কীভাবে এগোতে হয়, সে সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই ছিল না। তখন এই জগতে প্রবেশ করা খুব কঠিন ছিল।”
প্রিয়ঙ্কা জানিয়েছেন, কর্মজীবনের গোড়ার দিকে তাঁকে বলা হয়েছিল যে, ভারতীয় চলচ্চিত্রগুলি কখনও হলিউডের মতো বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হবে না। কারণ সেগুলো ইংরেজি ভাষায় তৈরি হয় না। অভিনেত্রী বলেন, “আমাদের ছবি হিন্দি, তেলুগু, মরাঠি বা অন্য ভাষায় তৈরি হয়। তাই সবাই সেগুলো বুঝবে না, এমনটাই বলা হত।”
সম্প্রতি ‘সিটাডেল’-এর সাফল্যের পরে তিনি পরিষ্কারভাবে বলেন যে, হলিউডের কাজকে তিনি আরও বড় পর্যায়ে নিয়ে যেতে চান। তাঁর কথায়, “হিন্দি ছবিতে আমি সেরা পরিচালক ও অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছি। নানা ধরনের গল্প ও চরিত্রে অভিনয় করেছি। কিন্তু আমেরিকাতে ইংরেজি ভাষার কাজের ক্ষেত্রে এখনও তেমন সুযোগ পাইনি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বুধবার দেশটির রাজধানী কারাকাসের পশ্চিম এলাকায় এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর ফলে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ছবি : বিবিসি
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ষা শুরু হতেই দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলের চিরচেনা আতঙ্ক বেড়িবাঁধ ভাঙন আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় নদীর তীব্র স্রোত ও জোয়ারের চাপে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে শতাধিক কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। কোনো স্থানে দেখা যাচ্ছে বড় বড় ফাটল, কোথাও আবার নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বাঁধের অংশ। নদীপাড়ের হাজারো মানুষের জন্য দুর্ভোগের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে, কারণ যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে লবণাক্ত পানিতে বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হতে পারে।
খালনার দাকোপ উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের ঝপঝপিয়া নদীর তীরে আতঙ্ক যেন এখন নিত্যসঙ্গী হয়। নদীর পাশের বেড়িবাঁধ ভাঙছে। বর্ষার ঢেউ ও জোয়ারের চাপে প্রতিদিন ঝুঁকি বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দা রোকেয়া বেগম বাঁধের পাশে দাঁড়িয়ে আক্ষেপ ও শঙ্কার সুরে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে তিন দফা নদীভাঙনে আমি নিজের বসতভিটা হারিয়ে ফেলেছি। নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় আমাদের পরিবার আবারও অন্ধকারের মুখোমুখি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগের ভাঙনে সব হারাইছি। অনেক কষ্টে আবার ঘর তুলেছি। এখন আবার বাঁধ ভাঙতেছে। রাত হলেই ভয় লাগে, কখন কী হয়।’
পানখালী ইউনিয়নে এই সমস্যা শুধু সীমাবদ্ধ নেই, দাকোপ উপজেলার জাবেরের খেয়াঘাট, লক্ষীখোলা ও নলডাঙ্গাসহ অন্তত ১০টি পয়েন্টে ভাঙনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। পাইকগাছার দেলুটি ও লতা ইউনিয়ন, কয়রার মহেশ্বরীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নদীর পাড় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, খুলনায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গফুর বলেন, ‘জোয়ারের সময় ঘুম আসতে চায় না। যদি বাঁধ ভেঙে যায়, তবে ঘের, জমি, বাড়িঘর সব শেষ হয়ে যাবে। তাই আমি প্রায়ই রাত জেগে বাঁধের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করি।’ পানখালীর আরেক বাসিন্দা রহিমা খাতুন বলেন, ‘আইলা আর আম্পানের সময় যা কষ্ট হয়েছে, তা আমি এখনো ভুলতে পারি না। আকাশে মেঘ দেখলেই ভয় লাগে।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর একই স্থানে ভাঙন দেখা দিলেও স্থায়ী সমাধান হয় না। সাময়িক মেরামতের পর কিছুদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু পরবর্তী বর্ষায় আবারও দেখা দেয় সেই একই সমস্যা। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই তাদের কাছে নতুন দুর্যোগের বার্তা নিয়ে আসে।
এছাড়া খুলনার পাশাপাশি বাগেরহাটের সরনখোলা ও সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এই দুই জেলায় আরও ৬০ কিলোমিটারের বেশি বেড়িবাঁধ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত মন্তব্য করেছেন, উপকূলীয় এলাকার বাস্তবতা মেনে নিয়ে পরিকল্পনা ও নকশা প্রণয়নের অভাবে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই উপকূল সুরক্ষায় কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য।
তবে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহির মাজহার জানান, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার ও মেরামতের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি টেকসই ও স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণে কয়েকটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় তাদের আওতায় প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর একটি বড় অংশ নিয়মিত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন।
প্রতি বছর উপকূল রক্ষায় নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়, ব্যয় হয় শতশত কোটি টাকা। কিন্তু নদীপাড়ের মানুষের প্রশ্ন একটাই, এই বর্ষায় বাঁধ টিকবে তো? কারণ বাঁধ ভেঙে গেলে শুধু মাটি বা ইটের কাঠামো ভাঙে না, ভেঙে পড়ে মানুষের স্বপ্ন, জীবিকা ও নিরাপত্তাবোধও। তাই সাময়িক সংস্কারের গণ্ডি পেরিয়ে উপকূলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি টেকসই, কার্যকর ও স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে দুর্ভোগের এই চক্র থেকে মুক্তির আগ্রহ তারা পোষণ করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ