প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে টেলিফোনে আলোচনা হয়েছে, যা ইরানের ওপর নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল রোববার (১ নভেম্বর) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, শনিবার সকালে ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপটি হয়। এই সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ফের হামলা শুরুর পরিকল্পনা করছিল।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পূর্বে বলেছিলেন, ট্রাম্প ইরান সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান চান। তবে তিনি মনে করেন, সামরিকভাবে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের সক্ষমতা ওয়াশিংটনের রয়েছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট জানায়, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাবে কিনা, সে বিষয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বিভাগে অস্পষ্টতা বিরাজ করছে। এই কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে আলোচনায় ফেরার জন্য আরেকটি সুযোগ দিতে চায়।
তবে ইসরায়েলি সেনা কমান্ডারদের মতে, ইরান অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন কোনো চুক্তিতে যাবে না, যেখানে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বাদ দিতে হবে। পারমাণবিক কার্যক্রমের সঙ্গে ইরানকে শর্ত দেওয়া হচ্ছে যে, তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎপাদনও বন্ধ করতে হবে, যা ইরান কোনোভাবেই মানবে না।
ইসরায়েলি কমান্ডারদের ধারণা, ইরান এখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুদ্ধের প্রভাব পড়ে।
তারা আরও বলছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন হামলার সম্ভাবনা নেই। তবে যদি মার্কিনিরা বুঝতে পারে যে ইরান আকস্মিক হামলা চালাতে পারে, তখনই নির্বাচনের আগে হামলা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দেশটির আইনসভা কংগ্রেসের সব আসন এবং সিনেটের এক তৃতীয়াংশ আসনে ভোট হবে।
সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন