ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাকেরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় যুবদল ও ছাত্রদল নেতাদের হয়রানির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা


বাকেরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় যুবদল ও ছাত্রদল নেতাদের হয়রানির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা

বরিশালের বাকেরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় মিথ্যা অভিযোগে হয়রানির শিকার হওয়ার দাবি করেছেন জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান ইমরান। এ ঘটনায় তিনি ও তাঁর তিন সহযোগী রাজনৈতিক অভিভাবকসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সুদৃষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার চামটা বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আসাদুজ্জামান খান ইমরান। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নিয়ামতি ইউনিয়ন যুবদল নেতা উজ্জ্বল খান, হানিফ শিকদার ও আল-আমিন খান।

লিখিত বক্তব্যে আসাদুজ্জামান খান ইমরান বলেন, তিনিসহ তার সহযোগীরা বিগত ১৭ বছর ধরে বিএনপির দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা একাধিক মামলার আসামি হয়েছেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু, জানাজায় সহপাঠী ও শিক্ষকরা

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের মাদকবিরোধী অভিযানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাঁরা এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন এবং মাদক ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, গত ৩০ অক্টোবর রাত ৭টার দিকে চামটা বাজারে পশ্চিম কৃষ্ণনগর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সোহাগ হোসেনকে এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অনুরোধ জানান তাঁরা। এ সময় সোহাগ হোসেন তাঁদের হুমকি দেন বলে দাবি করেন ইমরান।

ইমরানের অভিযোগ, সোহাগ হোসেন স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোহেল ফরাজীর বাসার কেয়ারটেকার। পরদিন ৩১ অক্টোবর সোহেল ফরাজীর সহযোগিতায় সোহাগ হোসেন বাকেরগঞ্জ থানায় গিয়ে তাঁদের চারজনের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নম্বর ১৬৮৬। তাঁদের দাবি, ওই জিডিতে মিথ্যা ও সাজানো অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আসাদুজ্জামান খান ইমরান বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দলের দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে ত্যাগ স্বীকার করার পর এখন মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে গিয়ে একজন কথিত মাদক ব্যবসায়ীর অভিযোগে বিবাদী হতে হয়েছে। বিষয়টি তাঁদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক।

আরও পড়ুন: ফটোশপে শ্রমিক নির্যাতনের ভুয়া ছবি ছড়িয়ে উসকানি, রাজশাহীতে গ্রেপ্তার ১

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাঁরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাঁদের রাজনৈতিক অভিভাবক বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানের সুদৃষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আসাদুজ্জামান খান ইমরান, উজ্জ্বল খান, হানিফ শিকদার ও আল-আমিন খানসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূর্বধলায় গাঁজাসহ আটক ব্যক্তি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ দিনের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৫০ পি.এম


পূর্বধলায় গাঁজাসহ আটক ব্যক্তি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ দিনের কারাদণ্ড

নেত্রকোনার পূর্বধলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে ১০ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও পাঁচ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২ নভেম্বর) পূর্বধলা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে উপজেলার ভিকুনিয়া এলাকা থেকে জামাল মিয়া (৩৫) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে এক পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি তাঁকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আটক জামাল মিয়া উপজেলার ভিকুনিয়া গ্রামের মৃত শহীদ আলী ও আনোয়ারা বেগমের ছেলে।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের নির্দেশক্রমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহ উদ্দিন মাহমুদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত তাঁকে ১০ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও পাঁচ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাপাজসের গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক হলেন নোবিপ্রবির ইফতেখার হোসাইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


বাপাজসের গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক হলেন নোবিপ্রবির ইফতেখার হোসাইন

বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতির (বাপাজস) ২০২৭–২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটিতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক ইফতেখার হোসাইন।

ইফতেখার হোসাইন পূর্ববর্তী কমিটিতে প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রায় ১১ বছর ধরে নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরে কর্মরত রয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকতা ও জনসংযোগে ১৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ভারতের এমসিআর হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে জনসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণে তিনি পূর্ণ অর্থায়নে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় সংবাদপত্রে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত কলাম ও ফিচার লেখেন।

গত ১৬ অক্টোবর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত সমিতির সাধারণ সভায় ২০২৭–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। সংগঠনটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি মো. আবুল কাসেম শিখদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (সুমন) এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রেস প্রকাশনা দপ্তরের উপপরিচালক মো. সামছুল আলম (শিবলী)।

 ২০২৭–২০২৮ মেয়াদের জন্য ২৭ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য পদধারী হলেন সিনিয়র সহসভাপতি রফিকুল ইমলাম পান্না (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী (বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর) ও মো. নজরুল ইসলাম (শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান (চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়) ও মো. সাইফুল ইসলাম (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়), সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আল-আমিন খান (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), দপ্তর সম্পাদক ফরহাদ রহমান সরকার (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. সালমান সাদেকীন চয়ন (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়), সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোস্তাক জাহান (বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস) এবং ক্রীড়া সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম (চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়)।

এ ছাড়া কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু (বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), মো. বশিরুল ইসলাম (শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), গোলাম মর্তুজা (রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), কামরুন নাহার (ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), খাদেমুল ইসলাম (হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), মো. সাহেদ হাসান (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়), খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়), আবু সালেহ মুহাম্মদ মূসা (ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়) এবং ফররুখ মাহমুদ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)।

উল্লেখ্য, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জনসংযোগ কর্মকর্তাদের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জনসংযোগ কার্যক্রমের উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২০ সালে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতি (বাপাজস) প্রতিষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোনাপাহাড় ও তেমুহানীতে জোরারগঞ্জ পুলিশের অভিযান: চোলাইমদ ও চোরাই অটোরিকশাসহ গ্রেফতার ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদক সাকিব চৌধুরী

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৩ পি.এম


সোনাপাহাড় ও তেমুহানীতে জোরারগঞ্জ পুলিশের অভিযান: চোলাইমদ ও চোরাই অটোরিকশাসহ গ্রেফতার ৫

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে দেশীয় তৈরি চোলাইমদ, চোরাই অটোরিকশা মামলার এজাহারনামীয় আসামি, সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) ভোর ও সকালে পরিচালিত এসব অভিযানে একজন মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মো. আকরামুল হক ৩নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাপাহাড় এলাকার মামা ফকির আস্তানা রোডের পাকা রাস্তার ওপর অভিযান পরিচালনা করেন। সেখান থেকে ২০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদসহ মো. রাজু (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। রাজু মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে।
অন্য এক অভিযানে গত ২৮ সেপ্টেম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের গণকছড়ায় সংঘটিত অটোরিকশা ছিনতাই মামলার আসামি মো. আসিফ উদ্দিন ওরফে ইমনকে (৩৩) আই গ্যাস কোম্পানি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। আসামি আসিফ আনোয়ারা উপজেলার সেলাইকড়া এলাকার মো. আব্দুল্লাহ হকের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে অটোরিকশা চুরির ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
এ ছাড়া মধ্যম সোনাপাহাড় ও তেমুহানী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি ইসতেয়াক হোসেন রিফাত (৩৫) এবং সিআর মামলায় ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. সহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এদিকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির নির্দেশনায় ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীরুল কাদেরের উপস্থিতিতে পরিচালিত যৌথ মাদকবিরোধী অভিযানে ১ জন মাদকসেবীকে ধরা হয়। পরে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হালিম জানান, গ্রেফতারকৃত সব আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদক নির্মূলে থানা পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোবেলজয়ী নর্ডহাউস অর্থনীতির চোখে জলবায়ু সংকট দেখিয়েছিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ পি.এম


নোবেলজয়ী নর্ডহাউস অর্থনীতির চোখে জলবায়ু সংকট দেখিয়েছিলেন

জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিকে অর্থনীতির মূল আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসা, অনবায়নযোগ্য সম্পদের ব্যবহার নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করা এবং কার্বন নিঃসরণের অর্থনৈতিক মূল্য নির্ধারণে দিকনির্দেশনা প্রদান—এসব কাজের মাধ্যমে অর্থনীতির জগতে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন নোবেলজয়ী উইলিয়াম ডি. নর্ডহাউস। ৮৫ বছর বয়সে গত ৩০ অক্টোবর তিনি মারা যান, এই মার্কিন অর্থনীতিবিদ।

অর্থনীতি সাধারণত উৎপাদন, আয়, ব্যয়, বিনিয়োগ এবং বাজারের হিসাবকে বোঝায়। তবে প্রকৃতির সঙ্গে এর সম্পর্ক কী? একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য পরিবেশের যে ক্ষতি হয়, তার মূল্য কে দেয়? কয়লা, তেল ও গ্যাসের মতো সীমিত সম্পদের ব্যবহারের সিদ্ধান্তে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থ কীভাবে বিবেচনায় আসবে? জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষতির অর্থনৈতিক হিসাব কিভাবে করা সম্ভব?

এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোকে গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছিলেন উইলিয়াম ডি. নর্ডহাউস। তার কাজের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল, অর্থনীতিকে কেবল বাজার ও মুনাফার হিসাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রকৃতি, প্রযুক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি মানবকল্যাণের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা।

যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক নর্ডহাউস ৩০ অক্টোবর মারা যান। তার বয়স ছিল ৮৫ বছর। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তিনি আগ্রাসী ধরনের মস্তিষ্কের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ২০১৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণায় জলবায়ু পরিবর্তন ও দীর্ঘমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনীতির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করার জন্য তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

সীমিত সম্পদ, অসীম চাহিদা

নর্ডহাউসের চিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল অনবায়নযোগ্য বা নিঃশেষযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদের অর্থনীতি। তেল, গ্যাস, কয়লা ও তামার মতো সম্পদ সীমিত। এগুলো একবার ব্যবহার হয়ে গেলে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় না। তাই এসব সম্পদ কী হারে উত্তোলন ও ব্যবহার করা হবে, বর্তমানের চাহিদা মেটাতে গিয়ে ভবিষ্যতের জন্য কতটা অবশিষ্ট রাখা হবে—এসব প্রশ্ন অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছিল। একদিকে আশঙ্কা ছিল, দ্রুত সম্পদ নিঃশেষ হয়ে গেলে শিল্পোন্নত অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি থমকে যেতে পারে। অন্যদিকে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বিকল্প সম্পদ ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে—এমন সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছিল।

নর্ডহাউস এই বিতর্ককে সরলভাবে দেখেননি। তার যুক্তি ছিল, সম্পদের মজুত কতটা আছে, শুধু তা জানলেই হবে না; প্রযুক্তির পরিবর্তন, বিকল্প সম্পদের প্রাপ্যতা, বাজারের আচরণ এবং উত্তোলনের খরচও বিবেচনায় নিতে হবে। অর্থাৎ কোনো সম্পদ সীমিত হলেই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অবধারিতভাবে থেমে যাবে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সঠিক নয়। তবে প্রযুক্তি শেষ পর্যন্ত সম্পদের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারবে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

১৯৭৩ সালে প্রকাশিত তার গবেষণাপত্র ‘দ্য অ্যালোকেশন অব এনার্জি রিসোর্সেস’-এ জ্বালানি সম্পদের কার্যকর বণ্টন, বাজারব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সরবরাহের বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা হয়। এ গবেষণায় তেল, গ্যাসসহ নিঃশেষযোগ্য সম্পদের সঠিক মূল্য নির্ধারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের পরিকল্পনার গুরুত্ব উঠে আসে।

জলবায়ু পরিবর্তনকে অর্থনীতির আলোচনায় আনা ছিল নর্ডহাউসের সবচেয়ে বড় অবদান। ১৯৭০-এর দশকে যখন জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল, তখনই তিনি এই বিষয়টির অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে কাজ শুরু করেন। তার উপলব্ধি ছিল, জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি একদিকে উৎপাদন ও আয় বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে কার্বন নিঃসরণ বাড়িয়ে জলবায়ুর ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

এই ক্ষতির বিষয়টি বাজারের প্রচলিত দামে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না। একটি কারখানা কয়লা পুড়িয়ে পণ্য উৎপাদন করলে জ্বালানির দাম ও উৎপাদন ব্যয় হিসাব করে। কিন্তু সেই কার্বন নিঃসরণের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষির ক্ষতি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি কিংবা মানুষের জীবনযাত্রায় যে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে, তা পণ্যের বাজারদরে সরাসরি যুক্ত থাকে না।

অর্থনীতিতে এ ধরনের সমস্যাকে বলা হয় ‘বহিঃপ্রভাব’ বা এক্সটার্নালিটি। নর্ডহাউস দেখিয়েছেন, কার্বন নিঃসরণের ফলে সমাজ ও পরিবেশের ওপর যে ক্ষতি তৈরি হয়, সেটিও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের হিসাবে আনতে হবে। অন্যথায় দূষণকারী প্রতিষ্ঠান বা ভোক্তা প্রকৃত ব্যয়ের চেয়ে কম খরচে জ্বালানি ব্যবহার করতে পারবে, আর ক্ষতির বোঝা বহন করবে পুরো সমাজ।

ডাইস মডেল: অর্থনীতি ও জলবায়ুর যোগসূত্র

এই চিন্তাকে বাস্তব বিশ্লেষণের কাঠামো দিতে নর্ডহাউস তৈরি করেন ডাইস (ডাইনামিক ইন্টিগ্রেটেড ক্লাইমেট-ইকোনমি) মডেল। ১৯৯২ সালে প্রকাশিত এই মডেল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কার্বন নিঃসরণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং তার ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষতিকে একই কাঠামোয় বিশ্লেষণ করে।

মডেলটির মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করা হয়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে কতটা কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে, তা বায়ুমণ্ডলে কী প্রভাব ফেলছে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে অর্থনীতির কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে। একই সঙ্গে নিঃসরণ কমাতে কী পরিমাণ ব্যয় হতে পারে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হয়। ফলে নীতিনির্ধারকেরা জলবায়ু সুরক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণের খরচের সঙ্গে ব্যবস্থা না নিলে সম্ভাব্য ক্ষতির তুলনা করতে পারেন।

ডাইস মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো কার্বন করের ধারণা। নর্ডহাউসের মতে, কার্বন নিঃসরণের কারণে যে সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হয়, তার একটি অর্থনৈতিক মূল্য নির্ধারণ করা প্রয়োজন। সেই মূল্য করের মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ও নিঃসরণ কমাতে উৎসাহিত করতে পারে। অর্থাৎ দূষণের খরচ শুধু সমাজের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে যারা নিঃসরণ করছে, তাদের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের মধ্যেও সেই খরচ যুক্ত করতে হবে।

নোবেল পুরস্কারের বক্তৃতায় নর্ডহাউস জলবায়ু পরিবর্তনকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তার মতে, এ ধরনের বহিঃপ্রভাব মোকাবিলায় দূষণের ওপর মূল্য আরোপ বা কার্বন কর কার্যকর উপায় হতে পারে।

শুধু মডেল নয়, বৈশ্বিক সহযোগিতার প্রশ্নও ছিল নর্ডহাউসের চিন্তার অংশ। জলবায়ু পরিবর্তন বৈশ্বিক সমস্যা হওয়ায় কোনো একটি দেশের উদ্যোগ দিয়ে তা পুরোপুরি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। একটি দেশ নিঃসরণ কমানোর ব্যয় বহন করলেও অন্য দেশগুলো একই উদ্যোগ না নিলে সেই প্রচেষ্টার সুফল সীমিত হয়ে যেতে পারে।

এখানেই তিনি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার দুর্বলতা এবং ‘ফ্রি রাইডিং’ বা অন্যের উদ্যোগের সুফল বিনা খরচে ভোগ করার প্রবণতা নিয়ে আলোচনা করেন। তার মতে, জলবায়ু চুক্তিতে অংশ নেওয়া ও প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য দেশগুলোর মধ্যে কার্যকর প্রণোদনা থাকা জরুরি। এ চিন্তা থেকেই তিনি ‘ক্লাইমেট ক্লাব’ ধারণা সামনে আনেন। এর মূল কথা হলো, জলবায়ু সুরক্ষায় একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী দেশগুলো একটি জোট গঠন করবে এবং জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর জন্য কিছু বাণিজ্যিক শর্ত বা সীমাবদ্ধতা রাখা হবে। এর মাধ্যমে আরো বেশি দেশকে নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগে যুক্ত করা সম্ভব হতে পারে বলে তিনি মনে করতেন।

অর্থনীতির বাইরেও বিস্তৃত ছিল তার কাজ

জলবায়ু অর্থনীতির পাশাপাশি প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, উৎপাদনশীলতা, ব্যবসায়িক চক্র, নির্বাচনী চক্রের সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক কল্যাণ পরিমাপ নিয়েও কাজ করেছেন নর্ডহাউস। অর্থনীতিবিদ পল স্যামুয়েলসনের সঙ্গে বহুল পরিচিত অর্থনীতির পাঠ্যবইয়ের সহলেখক হিসেবেও তার অবদান রয়েছে। ১৯৮৫ সালে তিনি বইটির সহলেখক হন এবং স্যামুয়েলসনের মৃত্যুর পরও এর পরবর্তী সংস্করণগুলো হালনাগাদ করেন।

১৯৪১ সালের ৩১ মে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের আলবুকার্কিতে জন্মগ্রহণ করেন নর্ডহাউস। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শেষে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) থেকে ১৯৬৭ সালে পিএইচডি করেন। একই বছর ইয়েলে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রভোস্টসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদেও ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

তার চিন্তার প্রাসঙ্গিকতা

নর্ডহাউসের গবেষণার মূল শিক্ষা হলো, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হিসাব করতে গিয়ে প্রকৃতির ক্ষতিকে উপেক্ষা করা যায় না। আজকের উৎপাদন ও ভোগের সুবিধা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কতটা ব্যয় তৈরি করছে, সেটিও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের অংশ হওয়া উচিত। জলবায়ু পরিবর্তনকে কেবল পরিবেশগত সংকট হিসেবে না দেখে অর্থনীতি, নীতি ও বৈশ্বিক সহযোগিতার সমস্যা হিসেবে বোঝার ক্ষেত্রে তাঁর কাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তার প্রস্তাবিত মডেল ও নীতির সব অনুমান নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি, ভবিষ্যৎ ঝুঁকি এবং সেগুলো মোকাবিলার ব্যয় কীভাবে হিসাব করা হবে—এসব প্রশ্নে ভিন্নমতও আছে। তবে এই বিতর্কের মধ্যেও নর্ডহাউসের বড় অবদান হলো, তিনি জলবায়ু পরিবর্তনকে অর্থনীতির মূল আলোচনার বাইরে থাকতে দেননি।

তার মৃত্যুতে অর্থনীতির এমন এক গবেষকের বিদায় ঘটল, যিনি দেখিয়েছেন—প্রকৃতিকে বাদ দিয়ে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা যায় না। প্রবৃদ্ধি কতটা হলো, তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ; সেই প্রবৃদ্ধির মূল্য হিসেবে পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কতটা ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে, সেই হিসাবও সমান জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%