০৮:৫৯ এম
পটুয়াখালীর মাছের বাজারে ইলিশের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। একই সাথে অন্যান্য মাছ এবং সামুদ্রিক মাছের সরবরাহও কমে গেছে। এই কারণে বাজারে প্রায় সব ধরনের মাছের দাম বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরকারের সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে ইলিশসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ প্রায় বন্ধ। বর্তমানে বাজার মূলত পুকুর, ঘের ও স্থানীয় নদ-নদী থেকে আনা মাছের ওপর নির্ভর করছে।
তবে এসব উৎস থেকে পাওয়া মাছ দিয়ে বর্তমানে চাহিদা পূরণে সক্ষম হচ্ছে না। এর ফলে সরবরাহ সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং মাছের দাম বেড়ে গেছে। বাজারে ঘুরে দেখা যায়, তেলাপিয়া মাছ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং চিংড়ি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন: প্রদীপের আলোয় আলোকিত এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বরিশালের কাউনিয়া মহাশ্মশান
ক্রেতাদের অভিযোগ, অস্বাভাবিকভাবে মাছের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে অনেকের পক্ষে নিয়মিত মাছ কেনা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর এর প্রভাব বেশি পড়ছে।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় তাদের ব্যবসা পরিচালনায় কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত মাছ না পাওয়ায় স্বাভাবিক বেচাকেনা হচ্ছে না।
তবে স্থানীয় জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী ১১ জুন মধ্যরাতে সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে ট্রলারগুলো আবার সাগরে যেতে পারবে এবং এর পরে ধীরে ধীরে বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়বে, দামও স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজার সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আশেক উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন