০৮:৩৫ পি.এম
বিশিষ্টজনেরা ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার মতো নৃশংস অপরাধ প্রতিরোধে পারিবারিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তারা বলেছেন, শিশুদের গুড টাচ ও ব্যাড টাচ সম্পর্কে শিক্ষা দেয়ার পাশাপাশি নারীর পোশাককে দায়ী করার সামাজিক মানসিকতা পরিবর্তন করা একান্ত জরুরি।
তারা একই সাথে এই প্রবণতারও কঠোর সমালোচনা করেছেন যে, কোনো ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলেই কেবল বিচার প্রক্রিয়া গতি পায়।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ‘ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও বিচারহীনতা’ বিষয়ক এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব মতামত প্রকাশিত হয়।
আরও পড়ুন: ‘যারা অনুষ্ঠানে আসেননি, প্রমোশন-আপগ্রেডেশন কিংবা অন্য কোনো সুবিধা চাইতে এলে মনে রাখব’: কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক
আলোচনায় অংশগ্রহণকারী আইনবিদ, মানবাধিকার কর্মী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বলেছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে আরও কার্যকর ও দৃশ্যমান ভূমিকা পালন করতে হবে। তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অভাব এবং সামাজিক ট্যাবুকে এ ধরনের অপরাধের বিস্তার পাওয়ার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
একই সাথে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে মামলার বিচার কাজ শেষ করার আইনি বাধ্যবাধকতা কেন বাস্তবায়িত হচ্ছে না, সে প্রশ্নও বক্তারা তুলেছেন। তারা আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেছেন, ধর্ষণের ঘটনায় এখনও ভুক্তভোগী নারীকেই সমাজ এবং কাঠগড়ায় দোষারোপের শিকার হতে হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন