প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়ার সিডনির রাস্তায় সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত অ্যাসল্ট রাইফেল নিয়ে একটি নতুন পুলিশ ইউনিট টহল শুরু করেছে। গত ডিসেম্বরে বন্ডাই বিচে ঘটে যাওয়া বন্দুক হামলার পর এই উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। এটি অস্ট্রেলিয়ায় এই ধরনের উদ্যোগের প্রথম উদাহরণ।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য পুলিশ জানিয়েছে, নতুন ইউনিটটির নাম ‘সশস্ত্র প্রতিক্রিয়া কমান্ড’। এই ইউনিটটি বড় অনুষ্ঠান, জনসমাগমপূর্ণ স্থান, খেলাধুলার আয়োজন এবং উপাসনালয়ে টহল দেবে। পুলিশের উপস্থিতি যাতে সহজেই দৃশ্যমান হয়, সেই উদ্দেশ্যে টহল পরিচালনা করা হবে।
গত ডিসেম্বরে সিডনির বিখ্যাত বন্ডাই বিচে ইহুদিদের একটি উৎসবের অনুষ্ঠানে দুই ব্যক্তি গুলি চালান। এই ইহুদিবিদ্বেষমূলক হামলায় ১৫ জন নিহত হন। হামলাকারীরা ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মতাদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিলেন।
নতুন ইউনিটটি গঠন করতে ৯ কোটি ৪০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার ব্যয় হয়েছে। ইউনিটটিতে ২৫০ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন, যাদের হাতে রয়েছে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত অ্যাসল্ট রাইফেল। অস্ট্রেলিয়ায় ভারী অস্ত্রে সজ্জিত পুলিশের টহল খুবই বিরল, তাই নতুন ইউনিট গঠন দেশটির জন্য একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
ইউনিটটির প্রধান গোয়েন্দা সুপারিনটেনডেন্ট অ্যান্ড্রু ইভান্স মন্তব্য করেছেন, বন্ডাই বিচের হামলা দেখিয়ে দিয়েছে যে, কোনো সশস্ত্র অপরাধী নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালালে কী ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তিনি আরও বলেন, নতুন ইউনিটের সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করবেন এবং তারা উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামে সজ্জিত থাকবেন। প্রয়োজন হলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে তারা প্রস্তুত থাকবেন।
তবে পুলিশের এই উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অস্ট্রেলিয়া। সংস্থাটি বলেছে, সিডনির রাস্তায় ভারী অস্ত্রে সজ্জিত পুলিশের টহল চালুর সিদ্ধান্তটি গুরুতর কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। তাদের মতে, পুলিশের কার্যক্রম ক্রমেই সামরিক রূপ নিচ্ছে কি না এবং মানবাধিকারের সুরক্ষায় কী ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন