ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইরানের চোরাবালিতে পা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যার একমাত্র পরিণতি ধ্বংস!


ইরানের চোরাবালিতে পা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যার একমাত্র পরিণতি ধ্বংস!

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬—এই দিনটিকে অনেকেই মধ্যপ্রাচ্যের নতুন এক অগ্নিপর্বের সূচনা হিসেবে দেখছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানের মাধ্যমে যে সংঘাতের সূচনা হয়েছিল, তা খুব দ্রুতই একটি সীমিত সামরিক অভিযানের গণ্ডি পেরিয়ে দীর্ঘস্থায়ী, ব্যয়বহুল এবং অনিশ্চিত সংঘাতে রূপ নেয়। যে যুদ্ধকে কয়েক দিনের শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে শেষ করার হিসাব কষা হয়েছিল, সেই যুদ্ধই আজ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক গভীর কৌশলগত চোরাবালিতে পরিণত হয়েছে।

কারণ যুদ্ধ বিরতি লংঘন করে সম্প্রতি আবারো ইরানে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের ভয়াবহ ও স্মরনকালের মরণঘাতি বিধ্বংসী হামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সদস্যদের মৃত্যু, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির অনেক যুদ্ধবিমান, কোটি কোটি ডলার মূল্যের ড্রোন, সামরিক স্থাপনা, মাঝ আকাশে যুদ্ধবিমানকে তেল সরবরাহকারী রিফুয়েলিং ট্যাংকার, এমনকি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে ইরান প্রমাণ করছে - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের চোরাবালিতে পা দিয়েছে, যার পরিণতি -" যুক্তরাষ্ট্র যত বেশি শক্তি প্রয়োগ করবে ততই তারা ইরানের পাল্টা আরো বিধ্বংসী ও ভয়াবহ হামলায় ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই দেখবে না"-এখান থেকে যত দ্রুত সরে যাওয়া যায় ততই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মঙ্গল।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু করা সহজ, কিন্তু সেই যুদ্ধ থেকে সম্মান নিয়ে বেরিয়ে আসা অত্যন্ত কঠিন। ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান ও ইরাক—প্রতিটি অধ্যায় একই শিক্ষা দেয়। কিন্তু মনে হচ্ছে, ওয়াশিংটন সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরিবর্তে আবারও শক্তির অহংকারে এমন এক পথে হাঁটছে, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপ তাকে আরও গভীরে টেনে নিচ্ছে।

ইরানকে সামরিকভাবে দুর্বল করে দ্রুত আত্মসমর্পণে বাধ্য করার যে কৌশল নেওয়া হয়েছিল, বাস্তবতা তার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরেছে। ধারাবাহিক পাল্টা হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধের প্রস্তুতি—সব মিলিয়ে ইরান এমন একটি বার্তা দিয়েছে যে, এই যুদ্ধ আর একতরফা নয়। বরং প্রতিটি হামলার জবাবে পাল্টা আঘাতের নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে এমন এক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যার সামরিক উপস্থিতিই অনেক ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষকে নতি স্বীকারে বাধ্য করে। কিন্তু বর্তমান সংঘাত সেই ধারণাকে কঠিন পরীক্ষার মুখে দাঁড় করিয়েছে। যখন একটি রাষ্ট্র ধারাবাহিকভাবে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয় এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত করতে পারে, তখন শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, আন্তর্জাতিক কূটনীতির টেবিলেও শক্তির ভারসাম্য বদলাতে শুরু করে।

আজ প্রশ্ন উঠছে—এই যুদ্ধের প্রকৃত লাভ কার? যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, ততই বাড়ছে অর্থনৈতিক ব্যয়, জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক রাজনৈতিক মেরুকরণ। যে সংঘাতকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা ছিল, সেটিই এখন বহুস্তরীয় কৌশলগত সংকটে রূপ নিয়েছে।

বিশ্বে পরাশক্তির মর্যাদা শুধু অস্ত্রের শক্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয় না; তা নির্ভর করে সিদ্ধান্তের প্রজ্ঞা, কূটনৈতিক বিচক্ষণতা এবং সংঘাত নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতার ওপর। যদি একটি যুদ্ধ ক্রমাগত দীর্ঘ হয়, ব্যয় বাড়তে থাকে এবং কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জিত না হয়, তবে সেই যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত সামরিক শক্তির নয়, কৌশলগত ব্যর্থতার প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়।
এই সংঘাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মানসিক যুদ্ধ। বহু দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন এক অপ্রতিরোধ্য শক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যার সামরিক ক্ষমতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু দীর্ঘায়িত প্রতিরোধ, পাল্টা আঘাত এবং সংঘাতের বিস্তার সেই ভাবমূর্তিকে নতুন করে মূল্যায়নের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্তির ধারণা কখনো স্থির নয়; বাস্তবতার পরীক্ষায় তা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি কখনো সরল সমীকরণে পরিচালিত হয় না। এখানে প্রতিটি হামলার প্রতিক্রিয়া আছে, প্রতিটি কৌশলের পাল্টা কৌশল আছে এবং প্রতিটি সামরিক সিদ্ধান্তের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক মূল্য রয়েছে। এই বাস্তবতা উপেক্ষা করে কোনো শক্তিই স্থায়ী সাফল্য অর্জন করতে পারেনি।
যুদ্ধের ময়দানে বিজয়ের দাবি করা সহজ, কিন্তু ইতিহাস শেষ পর্যন্ত বিচার করে—কে কতটা মূল্য দিয়েছে এবং কী অর্জন করেছে। যদি সংঘাতের মূল্য ক্রমাগত বাড়তে থাকে, আন্তর্জাতিক প্রভাব কমতে থাকে এবং কৌশলগত লক্ষ্য অধরাই থেকে যায়, তবে সেই যুদ্ধ বিজয়ের নয়, আত্মক্ষয়ের ইতিহাস হয়ে ওঠে।

সময়ই বলে দেবে এই সংঘাতের চূড়ান্ত পরিণতি কী হবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—যে যুদ্ধকে সহজ ভেবেছিল অনেকেই, সেটি আজ মধ্যপ্রাচ্যের বালুকণার মতোই অনিশ্চিত, অস্থির এবং বিপজ্জনক। আর চোরাবালির সবচেয়ে নির্মম বৈশিষ্ট্য হলো—যত বেশি শক্তি প্রয়োগ করে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়, তত দ্রুতই আরও গভীরে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয় যা যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক নীতি নির্ধারকেরা ইরানের গত কয়েকদিনে মহাপ্রলয়ের ধ্বংসলীলা ঘটানো হামলার মাধ্যমে টের পেয়েছে।

কাজেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের সিংহ খ্যাত ইরানের এই চোরাবালি থেকে যত দ্রুতই সরে পড়তে পারে তত-ই বাঁচবে কিংবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মঙ্গল হবে, অন্যথায় হয়তো ইরানই হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংসের তথা বিশ্ব পরাশক্তি হিসেবে বিশ্বে আধিপত্য বিস্তারকারী মার্কিন মোড়লগিরির চূড়ান্ত পতন - এমন কথা আজকের দিনে বলা মনে হয় অমূলক হবে না।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক যুবক গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক যুবক গ্রেফতার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মো: তৌহিদ আহম্মেদ শামীম (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২০ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন দ্বারিয়াপুর খরবোনা গ্রামস্থ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেফতারকৃত শামীম চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের দ্বারিয়াপুর খরবোনা গ্রামের মো: ইউসুফ আলী বিশুর ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (ডিডি) চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা কার্যালয়ের একটি আভিযানিক দল দ্বারিয়াপুর খরবোনা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আসামিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ জিতলেন ইয়ামাল, এবার কি রাখবেন সেই প্রতিশ্রুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


বিশ্বকাপ জিতলেন ইয়ামাল, এবার কি রাখবেন সেই প্রতিশ্রুতি

স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে এই বিস্ময় বালক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। তবে শিরোপা জয়ের আনন্দের পাশাপাশি তার এক মজার প্রতিশ্রুতি ভক্তদের মাঝে আলোচনার সৃষ্টি করেছে, যা বিশ্বকাপ শুরুর আগে তিনি দিয়েছিলেন।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে একটি ভিডিওতে ইয়ামাল বলেছিলেন, "স্পেন যদি বিশ্বকাপ জেতে, তাহলে তিনি টানা তিন সপ্তাহ দাড়ি-গোঁফ কাটবেন না।" তিনি আরও বলেন, "শিরোপা জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ভক্তদের জন্য ১০০টি দামি বিটস হেডফোন উপহার দেবেন।"

স্পেন বিশ্বকাপ জিতেছে, তাই এখন ভক্তদের সামনে কেবল একটি প্রশ্ন, কবে ইয়ামাল তার সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করবেন।

বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের জয়ে ইয়ামালের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। শিরোপা জয়ের পাশাপাশি তিনি একাধিক রেকর্ড স্থাপন করেছেন। মাত্র ১৯ বছর ৬ দিন বয়সে তিনি বিশ্বকাপজয়ী ইতিহাসের চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হয়েছেন।

বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলারও বর্তমানে ইয়ামাল। তার আগে রয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে, যিনি ১৯৫৮ সালে ১৭ বছর ২৪৯ দিন বয়সে ফাইনাল খেলেছিলেন এবং ইতালির জুসেপ্পে বারগোমি, যিনি ১৮ বছর ২০১ দিন বয়সে ১৯৮২ সালে এই কীর্তি গড়েন।

স্পেনের এই তরুণের হাতে রয়েছে আরও একটি অনন্য রেকর্ড। ইতিহাসের প্রথম টিনএজার হিসেবে একই সঙ্গে উয়েফা ইউরো ও ফিফা বিশ্বকাপ দুই শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব তিনি দেখিয়েছেন।

চলতি বিশ্বকাপে শুরুতে চোটের সঙ্গে লড়াই করলেও পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে তিনি তার সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করে দলের শিরোপা জয়ে ইয়ামাল গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

এখন মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ভক্তদের মনোযোগ মাঠের বাইরেও। তিন সপ্তাহ দাড়ি-গোঁফ না কাটার প্রতিশ্রুতি এবং ১০০টি বিটস হেডফোন উপহার, এই দুটি ঘোষণার বাস্তবায়ন কবে করবেন, সেটিই ফুটবলপ্রেমীদের জন্য দেখার অপেক্ষার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলেন ইয়ামালের ছোট ভাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ পি.এম


বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলেন ইয়ামালের ছোট ভাই

 

স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের উৎসবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন লামিন ইয়ামাল নন, বরং তাঁর তিন বছর বয়সী ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে যখন স্পেনের ফুটবলাররা ট্রফি নিয়ে উদযাপনে ব্যস্ত, তখন স্টেডিয়ামের অসংখ্য ক্যামেরা ঘুরে যায় ছোট্ট কেইনের দিকে।

টুর্নামেন্টজুড়েই গ্যালারিতে কেনের নানা অভিব্যক্তি ও দুষ্টুমির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফাইনালের পর মাঠে নেমে খেলোয়াড়দের সঙ্গে উদযাপন, ফুটবল নিয়ে ছোটাছুটি এবং বিভিন্ন মজার মুহূর্তে দর্শকদের মন জয় করে নেয় সে।

এক পর্যায়ে মাঠে দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে খুনসুটিতে মেতে ওঠে কেন। ওই কর্মকর্তা নিজের টুপিটি খুলে ছোট্ট ভক্তের মাথায় পরিয়ে দিলে মুহূর্তটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই মজা করে বলছেন, বিশ্বকাপ জয়ের রাতে লামিন ইয়ামালের জনপ্রিয়তাকেও ছাপিয়ে গেছে তাঁর ছোট ভাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ তাকে আখ্যা দিচ্ছেন ‘ফ্যান অব দ্য ম্যাচ’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সহিংসতায় উত্তপ্ত দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


সহিংসতায় উত্তপ্ত দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’ কর্মসূচির কারণে। সোমবার (২০ জুলাই) হাজারো শিক্ষার্থী ও তরুণ বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা ও নিরাপত্তা ব্যারিকেড অতিক্রম করতে গেলে পুলিশকে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করতে হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে।

আন্দোলনের মূল কারণ হলো মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় ‘নিট’-এ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি। সকালে সেন্ট্রাল দিল্লির যন্তর মন্তরে হাজার হাজার তরুণ আন্দোলনকারী জড়ো হতে শুরু করেন। তারা মিছিল নিয়ে পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে, নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হন।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মধ্য দিল্লির বেশ কিছু এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। পরিস্থিতি বেশি উত্তপ্ত হলে ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে একটি জরুরি বার্তায় সমর্থকদের শান্ত ও অহিংস থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, আপনাদের যদি বিভিন্ন পয়েন্টে আটকে দেওয়া হয়, তবুও শান্ত থাকুন এবং শান্তি বজায় রাখুন। কারণ আমরা কেবল শান্তি ও ভালোবাসার পথেই জয়ী হতে পারবো।

এর আগে রোববার (১৯ জুলাই) দিল্লি পুলিশ এই পদযাত্রার অনুমতি বাতিল করে এবং পুরো এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েতের ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বার্তা প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, অনুমোদিত যন্তর মন্তর এলাকা ছাড়া কোথাও মিছিল, শোভাযাত্রা বা বিক্ষোভ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নির্দেশ অমান্য করলে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দিল্লি পুলিশ দেশের সব নাগরিককে আইন মেনে চলতে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতার আহ্বান জানায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%