০৬:৫৯ পি.এম
রাশিয়ার হামলা থামছে না। তেমনি পাল্টা আঘাত ইউক্রেনও আরও গভীরে নিয়ে যাচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় একদিনেই ইউক্রেনে নিহত হয়েছে অন্তত আটজন, এবং আহত হয়েছে ৩৫ জন। একই সময়ে, রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলা মস্কোর যুদ্ধ সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে। একে অপরকে ছাড় দিতে নারাজ দুই পক্ষই।
ইউক্রেনজুড়ে আবারও বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির তথ্য অনুযায়ী, হামলায় কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। দিনিপ্রো শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন। আর জাপোরিঝিয়াতে যে যাত্রীবাহী মিনিবাসে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সুমি অঞ্চলসহ আরও কয়েকটি এলাকায় হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে।
নতুন এই হামলার পর ইউরোপের প্রতি আবারও আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন জেলেনস্কি। বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার জন্য সক্ষম নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন নিয়ে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: মিশিগানে সিনেটর নির্বাচিত হয়ে ‘হাবিবি প্যাক’ চালু করলেন আব্দুল সাঈদ
রাশিয়ার হামলায় আটটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এটি দেশের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর অব্যাহত চাপের আরেকটি উদাহরণ।
অন্যদিকে যুদ্ধের গতিকে বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে ইউক্রেনের দীর্ঘ-পাল্লার ড্রোন অভিযান। গত কয়েক সপ্তাহে, রাশিয়ার জ্বালানি, প্রতিরক্ষা শিল্প এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা পরিচালনা করেছে কিয়েভ। ফলে রাশিয়া এবং অধিকৃত ক্রিমিয়াতে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে, এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও ব্যাহত হয়েছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার অগ্রগতি ধীর হয়ে যাওয়ার পেছনে এসব হামলার প্রভাব বিশ্লেষকরা দেখতে পাচ্ছেন।
তবে পরিস্থিতিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘সাময়িক বাধা’ হিসেবেই দেখছেন। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় জ্বালানি সংকট স্বীকার করলেও, যুদ্ধ থামাতে কোনো ধরনের ছাড়ের ইঙ্গিত তিনি দেননি। ক্রেমলিনও বলছে, রুশ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং তারা নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে আত্মবিশ্বাসী। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাশিয়ার অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং জনমনে চাপ বাড়ছে।
আরও পড়ুন: বৈশ্বিক সংকটে ৪ কোটি মানুষের চরম দারিদ্র্যের ঝুঁকি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন