০৫:৪৫ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রে রোবটিকস প্রতিযোগিতায় ১১তম স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশের মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ‘টিম মঙ্গল বারোতা’।
বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রোবটিকস প্রতিযোগিতা ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬-এ বাংলাদেশের মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর ‘টিম মঙ্গল বারোতা’ ১১তম স্থান অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।
আরও পড়ুন: যবিপ্রবিতে শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উৎসব উদযাপন, আনন্দমুখর পরিবেশে বিভিন্ন আয়োজন
আইএসপিআর জানায়, প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব গত ২৭ থেকে ৩১ মে যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের মার্স ডেজার্ট রিসার্চ স্টেশনে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এ সাফল্য অর্জন করে বাংলাদেশি দলটি।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠন প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বিশ্বব্যাপী একটি শীর্ষ ও চ্যালেঞ্জিং রোবটিকস প্রতিযোগিতা হিসেবে পরিচিত। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে ব্যবহারের উপযোগী রোভার নকশা, নির্মাণ এবং পরিচালনার সক্ষমতা প্রদর্শন করতে হয়।
এমআইএসটির ‘টিম মঙ্গল বারোতা’ বিশ্বের শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয় দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কঠোর বাছাইপর্ব সফলভাবে অতিক্রম করে চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেয়। পরে ইউটাহর মঙ্গলগ্রহ-সদৃশ দুর্গম মরুভূমি পরিবেশে অনুষ্ঠিত ফাইনাল রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের ৩৫টি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় দলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে।
প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপে রোভারের স্বয়ংক্রিয় চলাচল, বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান, সরঞ্জাম পরিচালনা, জটিল ভূখণ্ড অতিক্রম এবং মহাকাশ মিশন সংশ্লিষ্ট নানা দক্ষতার পরীক্ষা নেওয়া হয়। এসব চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করে ১১তম স্থান অর্জন করে ‘টিম মঙ্গল বারোতা’।
আরও পড়ুন: নভেম্বরের প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স ৮৮ কোটি ডলার
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অর্জন শুধুমাত্র এমআইএসটির নয়, বরং বাংলাদেশের জন্যও একটি বড় গর্বের বিষয়। এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের রোবোটিক্স, সফটওয়্যার উন্নয়ন এবং মহাকাশ প্রকৌশল খাতে ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা ও সম্ভাবনার প্রতিফলন। তাদের মতে, বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই ধরনের سাফল্য ভবিষ্যতে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন