প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে দুবাইয়ে প্রবাসী জীবন কাটানোর পর প্রায় ৫১ লাখ টাকা উপার্জন করেছিলেন হাফেজ মোস্তফা ফরাজী। দেশে ফিরে এসে পরিবার নিয়ে সুখে থাকার স্বপ্ন ছিল তার। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য উপার্জিত অর্থ স্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছিলেন; কিন্তু বর্তমানে তিনি সর্বস্ব হারিয়ে ঢাকায় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
মোস্তফা মঙ্গলবার সকালে রাজাপুর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তার জীবনের এই দুর্দশার কথা তুলে ধরেন। তিনি মঠবাড়িয়া উপজেলার পাথরঘাটা জ্ঞানপাড়া এলাকার আব্দুল বারেক ফরাজীর ছেলে। বিয়ের পর রাজাপুরে বসবাস শুরু করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে মোস্তফা অভিযোগ করেন, দুবাইয়ে অবস্থানকালে বিভিন্ন সময়ে স্ত্রী জোলেখার কাছে প্রায় ৫১ লাখ টাকা পাঠিয়েছেন; কিন্তু স্ত্রী সেই টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে আংগারিয়া আলগি এলাকার মো. সাইফুলের সঙ্গে চলে গেছেন। এ বিষয়ে রাজাপুর পূবালী ব্যাংকের হিসাবের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের তথ্য যাচাই করার দাবি জানান তিনি।
মোস্তফার আরও অভিযোগ, রাজাপুরে তার ১৩ শতাংশ জমি ১২ লাখ টাকায় বিক্রির কথা হয়। দলিল রেজিস্ট্রির পর তাকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এ নিয়ে বিরোধের জেরে তার স্ত্রীসহ ১০-১২ জন ব্যক্তি হামলা ও মারধর করেন। এ সময় তার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মোস্তফা তার উপার্জিত অর্থ ও ব্যাংক লেনদেনের নিরপেক্ষ তদন্ত, জমির মালিকানা ও দলিল যাচাই, হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এদিকে, মোস্তফার স্ত্রী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমি রাগ করে তাকে তালাক দিয়েছি। তবে সে আগে বিয়ে করেছে, পরে আমি বিয়ে করেছি। আমি তার কোনো টাকা-পয়সা নিইনি।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন