প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস এবং মাটিবাহী ড্রাম ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বাসচালকের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল পৌনে ৩টার সময় উপজেলার আটগ্রাম রাস্তার মাথায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বাসযাত্রীদের বক্তব্য অনুযায়ী, ফেনী থেকে ছেড়ে আসা সেন্টমার্টিন পরিবহণের বাসটি যখন আটগ্রাম রাস্তার মাথায় পৌঁছায়, তখন একই সময়ে ফিডার সড়ক থেকে একটি মাটিবাহী ড্রাম ট্রাক মহাসড়কে উঠলে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে বাসটির সামনের অংশ ব্যাপকভাবে দুমড়েমুচড়ে যায়। বিকট শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।
বাসযাত্রী জেবা আক্তার বলেন, "হঠাৎ ফিডার সড়ক থেকে একটি ড্রাম ট্রাক দ্রুতগতিতে মহাসড়কে ওঠে। এসে বাসটির সঙ্গে সংঘর্ষ করে। এতে আমার কপাল কেটে যায়।"
অন্য এক যাত্রী আবদুর রশীদ জানান, তিনি ফেনী থেকে বাসে উঠেছিলেন। আটগ্রাম রাস্তার মাথায় পৌঁছানোর পর বিকট শব্দ শুনতে পান। পরে তিনি দেখেন, তার পা সিটের সঙ্গে আটকে গেছে। অন্য যাত্রীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয় এবং এতে তার পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে।
স্থানীয় আহলাদ হোসেন জানান, ড্রাম ট্রাকটির চালকের বেপরোয়া গতির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। সংঘর্ষের ফলে বাসচালকের দুই পা ভেঙে যায় এবং মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে এর আগেই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে বাসচালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঘাতক ড্রাম ট্রাকের বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন