প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সন্ত্রাসবিরোধী এবং সাইবার নিরাপত্তা আইনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরা ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষ বড়ুয়াকে ৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের অনুমোদন পেয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালতে সোমবার (১২ অক্টোবর) তাদের হাজির করে পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
এর আগে, রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে রাজধানী ঢাকা থেকে দেবাশীষ বড়ুয়া এবং গুলশান আরাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা নিজেদের বাসায় অবস্থান করে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টারস আলফা’ ও ‘বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি’ নামে সরকারবিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তহবিল সংগ্রহ এবং সহিংসতায় উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন।
এছাড়া, অভিযোগে বলা হয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার’ ও ‘পাবলিক পার্লামেন্ট’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তারা সাবেক সেনাপ্রধান (অব.) আজিজ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন ও রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।
‘কালআজকাল.কম’ নামে একটি পেজ তৈরি করে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মতো কনটেন্ট প্রচার এবং ফেসবুক আইডির মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও আনা হয়েছে।
রিমান্ড আবেদনে কাজী গুলশান আরার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর নির্বাচনের প্রাক্কালে দেড় শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে গণভবনে গিয়ে তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি প্রকাশ্যে একাত্মতা ও আনুগত্য প্রকাশ করেন। এছাড়া, আসামিদের সহযোগীরা ১০১ জনকে নিয়ে ‘সেনা পরিষদ’ নামে একটি কমিটি প্রতিষ্ঠা করেছেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে দাবি করা হয়েছে, সংগঠনটির কার্যক্রমের উদ্দেশ্য বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা, দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আইনিভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা ও অবজ্ঞা ছড়ানো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন