প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী, মডেল, কণ্ঠশিল্পী, শিক্ষাবিদ ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নকর্মী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা দেশের বিনোদন জগত এবং সমাজসেবামূলক খাতে দুই দশক ধরে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। সম্প্রতি, চলতি অক্টোবর মাসে, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে 'অ্যাসোসিয়েট রিসার্চ সায়েন্টিস্ট' (গবেষক) হিসেবে এবং সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কে 'অ্যাডজাংন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর' হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করে ক্যারিয়ারে একটি নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি উন্নয়ন খাতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। পেশাগত জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করার খবর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে তিনি বলেন, ব্র্যাকের সঙ্গে প্রায় দুই দশকের অভিজ্ঞতার পর নতুন এ অধ্যায়ে পা রাখছেন। তিনি ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের হয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন খাতে ১৫ বছর ধরে কাজ করছেন।
মিথিলা জানান, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আর্ভিং ইনস্টিটিউট ফর ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ট্রান্সলেশনাল রিসার্চ’-এ অ্যাসোসিয়েট রিসার্চ সায়েন্টিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন দায়িত্বে নিউইয়র্কভিত্তিক ‘আর্লি চাইল্ডহুড অ্যান্ড ফ্যামিলি হাব’ প্রকল্পের নকশা ও মূল্যায়নে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কেও শিক্ষকতা শুরু করেছেন মিথিলা। সেখানে ‘অ্যাডজাংক্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ হিসেবে ‘ননপ্রফিট ম্যানেজমেন্ট’ পড়াবেন। শিক্ষার্থীদের বাস্তব জগতের ননপ্রফিট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেওয়াও তার পাঠদানের অন্যতম লক্ষ্য। নতুন এই পেশাগত যাত্রায় ব্র্যাকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মিথিলা। একই সঙ্গে, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অবকাঠামো এবং গবেষকদের সঙ্গে কাজের সুযোগকে নিজের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন তিনি।
মিথিলা বলেন, অভিনয়ের পাশাপাশি উন্নয়ন খাতে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এবার গবেষণা ও শিক্ষকতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে সেই পেশাগত যাত্রায় যুক্ত হলো নতুনমাত্রা।
প্রকল্পটি প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, পারিবারিক সম্পৃক্ততা এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। জন্ম থেকে পাঁচ বছর বয়সি শিশুদের পরিবারকে শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও সহায়ক পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। নিজের দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রকল্পটিতে অবদান রাখার প্রত্যাশা করছেন মিথিলা। তিনি স্থানীয় মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে গবেষণার লক্ষ্যকে সমন্বয় করা এবং তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নেওয়ার কাজ করবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন