প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলকে সাধারণত দুর্ভেদ্য রক্ষণ ও বড় ব্যবধানে হার এড়াতে পারা এক পরাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়া প্রতিপক্ষের সংখ্যা খুবই কম। তবে দীর্ঘ ফুটবল ইতিহাসে এমন এক অস্বাভাবিক বাস্তবতাও বিদ্যমান। মাত্র দুটি দেশ ব্রাজিলের জালে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল দিতে সক্ষম হয়েছে, আর এই দুই ঘটনার মধ্যে ব্যবধান প্রায় আট দশক।
প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা ঘটে ১৯৩৪ সালের ৩ জুন। বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলের মুখোমুখি হয় যুগোস্লাভিয়া। শুরুটা ছিল ব্রাজিলের জন্য আশাব্যঞ্জক, মাত্র ৮ মিনিটের মাথায় তারা এগিয়ে যায়। কিন্তু ম্যাচ চলাকালীন সময় আমজনতার নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে চলে যায় স্বাগতিকদের হাতে।
একের পর এক আক্রমণে ভেঙে পড়ে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ। শেষ পর্যন্ত যুগোস্লাভিয়া ওই ম্যাচটি জিতে নেয় ৮-৪ গোলের বিশাল ব্যবধানে, আর ইতিহাসে প্রথমবার একটি ম্যাচে ব্রাজিল ৭ গোল হজম করে।
এরপর দীর্ঘ সময় ব্রাজিল এমন বড় ধসের মুখে আর পড়েনি। দ্বিতীয় ঘটনাটি আসে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে। ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল জার্মানি। বেলো হরিজন্তের মিনেইরাও স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচটি পরিণত হয় এক অবিশ্বাস্য অধ্যায়ে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক জার্মানি মাত্র ২৯ মিনিটের মধ্যেই ৫-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচ শেষে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৭-১—যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে অন্যতম চমকপ্রদ ফল হিসেবে বিবেচিত। ব্রাজিলের একমাত্র সান্ত্বনার গোলটি করেন অস্কার।
এই দুই ম্যাচই আজও ফুটবল ইতিহাসে ব্যতিক্রমী অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়—যেখানে ব্রাজিলের মতো পরাশক্তির দলও এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল হজম করেছে। আর এই কীর্তি গড়েছে মাত্র দুটি দেশ—যুগোস্লাভিয়া ও জার্মানি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন