প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খুলনা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু মন্তব্য করেছেন যে, বর্জ্য এখন সংকটের বিষয় নয়, বরং এটি বর্তমানে একটি বাণিজ্যিক খাতে পরিণত হয়েছে।
আগামী ডিসেম্বরে ডুমুরিয়ার শলুয়ায় নির্মিত বর্জ্য রিসাইক্লিং প্লান্ট চালু হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। তবে, এটি পরিচালনার দায়িত্ব যদি প্রাইভেট সেক্টরের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তারা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পারবে কিনা সে বিষয়টি ভাবার প্রয়োজন রয়েছে। যদি তারা সক্ষম না হয়, তাহলে কিভাবে এটি পরিচালনা করা সম্ভব হবে, সে জন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে আরও সভা আহ্বানের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘খুলনা সিটি কর্পোরেশনে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবার পেশাদারিত্ব জোরদারকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহযোগিতায় ‘বাংলাদেশ নগরভিত্তিক পানিচক্রের টেকসই রূপান্তর’ প্রকল্পের আওতায় কেসিসি ও এসএনভি যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করেছে।
গত ১৮ জুলাই কেসিসি ও এসএনভি’র মধ্যে অনুষ্ঠিত কৌশলগত সভার সিদ্ধান্তের আলোকে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবার মানোন্নয়ন, জবাবদিহিতা এবং পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।
মাঠ পর্যায়ের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে কয়েকটি ওয়ার্ড নিয়ে পাইলট কর্মসূচি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে কেসিসি প্রশাসক আরও বলেন, পাইলট প্রকল্প সফল হলে ৩১টি ওয়ার্ডে আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনার সঠিক ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে।
একমুখী কাজ থেকে বের হয়ে সম্মিলিতভাবে ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বহুমুখী কাজ করতে পারলে সফলতা অর্জন সম্ভব হবে বলে কর্মশালায় প্রশাসক উল্লেখ করেন।
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরাসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কঞ্জারভেন্সী বিভাগের কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। সঞ্চালনা করেন এসএনভি’র কাস্টার কো-অর্ডিনেটর উজ্জ্বল কুমার দাস।
উল্লেখ্য, ‘বাংলাদেশ নগরভিত্তিক পানিচক্রের টেকসই রূপান্তর’ প্রকল্পটি খুলনাসহ ৪টি সিটি কর্পোরেশন ও ৮টি পৌরসভায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। স্যানিটেশন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি নিষ্কাশন ও সংশ্লিষ্ট নগর পরিসেবার নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তি ও স্থায়িত্ব উন্নয়নের মাধ্যমে নগরবাসীর স্বাস্থ্য ও জীবনমান উন্নত করাই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন