প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর পুরান ঢাকার দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার দ্রুত শুনানি করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেছে। এই আবেদন আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০১৭ সালের ৬ আগস্ট, বিচারিক আদালতে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আটজন নেতাকর্মীর মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল রাখা হয়েছিল। সেই সঙ্গে ছয়জনকে খালাস দেওয়া হয়।
রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছিল রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদারের। অন্যদিকে, মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেয়েছিলেন সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপু। এছাড়া, মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন ও মীর মো. নূরে আলম লিমনকে। বিচারিক আদালতের দেওয়া যাবজ্জীবন থেকে খালাস পান এ এইচ এম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা।
তবে, রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন না করায় বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত বাকি ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ছিলেন খন্দকার ইউনুস আলী, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন।
২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর, ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ছাত্রলীগের ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।
পরবর্তীতে, একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর, বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ বি এম নিজামুল হক। এরপর, হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। সেই সঙ্গে, মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে আসামিরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন